ডিপিএলে রান বন্যা: মোসাদ্দেকের ‘৬৫’ বলে ‘৮৮’ ও আফিফের ‘১১’ বলে ‘৩৫’ রান
টস হেরে আগে ব্যাটিং পায় আবাহনী। ব্যাটিং পেয়েই উদ্বোধনী জুটি থেকে স্কোরবোর্ডে ভালো রান আসে আবাহনীর। দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও জাকের আলী মিলে তোলেন ৭৩ রান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতেও ভারতের হনুমা ভিহারির সঙ্গে জুটি বাঁধেন নাঈম।
নাঈমের ইনিংস অবশ্য ধীরগতির-ই ছিল। পাঁচ চারে ৭২ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন নাঈম। অর্ধশতক পূর্ণ করার পর ইনিংস লম্বা করতে পারেননি তিনি। দলীয় ১৪৫ রানে মহোর শেখের বলে ৮১ বলে ৬০ রান করে আউট হন নাঈম শেখ।
ভিহারিও আউট হন নাঈম শেখের বিদায়ের পর। ১৬১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পরই ক্রিজে আসেন মোসাদ্দেক। নেমেই ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন তিনি। ইনিংসের শুরু থেকেই আগ্রাসী ভূমিকায় থাকা মোসাদ্দেককে দেখে আগ্রাসী হন তৌহিদ হৃদয়ও।
দুই ব্যাটসম্যানের তাণ্ডবে বড় স্কোরের আশা পাচ্ছিল আবাহনী। মোসাদ্দেকের সঙ্গে ১১১ রানের জুটি গড়ে সাজঘরে ফিরেন তৌহিদ হৃদয়। তিনি খেলেন ৩২ বলে ৪৫ রানের ইনিংস। মোসাদ্দেক ৪৫ বলে ৫০ করলেও বাকি ৩৮ রান তুলতে বল খেলেন ২০টি।
মোসাদ্দেকের সঙ্গে ঝড় তোলেন আফিফও। সদ্য দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেও ব্যাট হাতে সফল ছিলেন আফিফ। শেষদিকে নেমে ব্যাট হাতে ১১ বলে ৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। এবং মোসাদ্দেক ৮ চার ও ৫ ছয়ে ৬৫ বলে ৮৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন।