ঢাকা, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২

আইসিসির কাঠগড়ায় রিজওয়ান, অভিযোগ বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটারের উপর!

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৪ ফেব্রুয়ারি ১৫ ২২:৩৮:২৭
আইসিসির কাঠগড়ায় রিজওয়ান, অভিযোগ বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটারের উপর!

দুর্নীতির দায়ে ব্রিটিশ ক্রিকেটার রিজওয়ান জাভেদকে ১৭ বছর ৬ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের পাঁচটি দুর্নীতিবিরোধী ধারা লঙ্ঘন করেছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ২০২১ আবুধাবি টি-টেন লিগে ঘুষের চেষ্টার অভিযোগে বাংলাদেশের প্রাক্তন খেলোয়াড় নাসির হোসেন সহ আটজনকে অভিযুক্ত করেছে। সেই ঘটনায় নাসির হোসেনকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। একই ঘটনায় জড়িত রিজওয়ানকে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা ১৭ বছর ৬ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি এ তথ্য জানিয়েছে। রিজওয়ান সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পাঁচটি দুর্নীতিবিরোধী বিধান লঙ্ঘন করেছেন এবং গত বছরের সেপ্টেম্বরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক দলের হয়ে খেলা এই ক্রিকেটারকে ১৪ দিনের মধ্যে অভিযোগের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিজওয়ান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দেওয়ায় তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ অপরাধে শাস্তি দিয়েছেন আইসিসির কোড অব কন্ডাক্ট কমিটির প্রধান মাইকেল যে বেলোফ। রিজওয়ানের এই দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শুরু ২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে।

আইসিসির নৈতিকতাবিষয়ক বিভাগের মহাব্যবস্থাপক অ্যালেক্স মার্শাল বলেছেন, ‘পেশাদার ক্রিকেট ম্যাচে বারবার এবং বড় আকারে দুর্নীতি করার চেষ্টার কারণে রিজওয়ান জাভেদকে দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। তিনি অনুতাপ বা আমাদের খেলা রক্ষায় যে নিয়ম আছে, সেগুলোর প্রতি কোনো সম্মান দেখাননি।’

রিজওয়ান যেসব ধারা ভেঙেছেন :

২.১.১- ২০২১ সালের আবুধাবি টি-টেন লিগে ম্যাচ বা ম্যাচের কোনো দিক গড়াপেটার উদ্যোগ বা আয়োজনের অংশ থাকা (তিনটি আলাদা ক্ষেত্রে)।

২.১.৩- দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত হতে অন্য এক খেলোয়াড়কে পারিতোষিক দেয়ার প্রস্তাব।

২.১.৪- ২.১ নম্বর ধারা ভাঙতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো অংশগ্রহণকারীকে অনুরোধ, প্ররোচনা, প্রলুব্ধ, নির্দেশনা, পটানো বা উৎসাহ দেয়া কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা করে দেয়া।

২.৪.৪- ধারার অধীনে দুর্নীতিমূলক আচরণ বলে বিবেচিত কোনো কাজে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ পাওয়ার বিস্তারিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানাতে ব্যর্থ হওয়া।

২.৪.৬- ন্যায্য কোনো কারণ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তদন্ত চালিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে ব্যর্থ হওয়া বা অস্বীকার করা।

পাঠকের মতামত:

বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিএসই সতর্কবার্তা

বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিএসই সতর্কবার্তা

পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক সময়ে আকস্মিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দরে বড় ধরনের... বিস্তারিত