প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস কমেছে ১৭ ব্যাংকের
নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ প্রান্তিকে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর আয় প্রবৃদ্ধিতে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত ৩৬টি ব্যাংকের মধ্যে ৩৩টি ব্যাংক অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এদের মধ্যে ১৭টি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। ১৬টি ব্যাংকের আয় বেড়েছে, ১টি অপরিবর্তিত রয়েছে এবং ৩টি এখনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।
ইপিএস কমেছে যেসব ব্যাংকের
প্রথম প্রান্তিকে যেসব ব্যাংকের ইপিএস কমেছে, সেগুলো হলো:
এবি ব্যাংক: চলতি প্রান্তিকে প্রতি শেয়ারে লোকসান হয়েছে ২.৮৫ টাকা, আগের বছর ছিল ১২ পয়সা আয়।
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক: ইপিএস ৪ পয়সা, আগের বছর ছিল ২২ পয়সা।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংক: ইপিএস ১.০১ টাকা, যা আগের বছর ছিল ১.৪৬ টাকা।
এক্সিম ব্যাংক: ইপিএস ২১ পয়সা, আগের বছর ২৪ পয়সা।
আইএফআইসি ব্যাংক: লোকসান ২.৬০ টাকা, আগের বছর আয় ছিল ২১ পয়সা।
আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক: লোকসান ১৫ পয়সা, আগের বছর লোকসান ছিল ২১ পয়সা।
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক: বড় ধরনের নেতিবাচক পরিবর্তন; লোকসান হয়েছে ৪.৭৬ টাকা, যেখানে আগের বছর ছিল ৩০ পয়সা আয়।
ন্যাশনাল ব্যাংক: লোকসান ৬৯ পয়সা, আগের বছর লোকসান ছিল ১.৪৮ টাকা।
এনআরবিসি ব্যাংক: ইপিএস ৮ পয়সা, আগের বছর ৪৪ পয়সা।
প্রিমিয়ার ব্যাংক: ইপিএস ২৩ পয়সা, আগের বছর ৬৪ পয়সা।
রূপালী ব্যাংক: ইপিএস ১৩ পয়সা, আগের বছর ৪৭ পয়সা।
এসবিএসি ব্যাংক: ইপিএস ১৪ পয়সা, আগের বছর ২৪ পয়সা।
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক: ইপিএস ১.০৪ টাকা, আগের বছর ছিল ১.০৯ টাকা।
সাউথইস্ট ব্যাংক: ইপিএস ৪০ পয়সা, আগের বছর ৬৯ পয়সা।
স্যোসাল ইসলামী ব্যাংক: লোকসান ১.৪১ টাকা, আগের বছর ছিল ১৭ পয়সা আয়।
ট্রাস্ট ব্যাংক: ইপিএস ৩২ পয়সা, আগের বছর ৩৫ পয়সা।
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি): ইপিএস ৪ পয়সা, আগের বছর ৪২ পয়সা।
অপরিবর্তিত রয়েছে একটির আয়
এই প্রান্তিকে কেবল সিটি ব্যাংকের ইপিএস অপরিবর্তিত থেকেছে। ব্যাংকটির চলতি প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৬৮ পয়সা, যা আগের বছরও ছিল একই।
প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি যেসব ব্যাংক
৩টি ব্যাংক এখনো প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। ব্যাংকগুলো হলো:
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী বাংলাদেশ ব্যাংক
ইউনিয়ন ব্যাংক
ব্যবসায়িক বিশ্লেষণ
ব্যাংক খাতে আয় হ্রাস পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য লোকসানে গেছে, যা তাদের পরিচালন দক্ষতা, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে কিছু ব্যাংকের আয় কমলেও তা এখনো ইতিবাচক ঘরে রয়েছে, যা সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিতও দিতে পারে। বিনিয়োগকারীদের জন্য এ তথ্যগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ইপিএস হলো কোম্পানির মুনাফার অন্যতম মৌলিক নির্দেশক।
বিনিয়োগের পূর্বে আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় গুরুত্ব দিন—এটাই সচেতন সিদ্ধান্তের ভিত্তি।
মো: রাজিব আলী/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির নামজারি করবেন যেভাবে
- ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করবেন যেভাবে, জানুন নিয়ম
- Samsung-এর সেরা ৫ ফোন: ক্যামেরা, ব্যাটারি ও দাম
- আজকের সোনার দাম: প্রতি ভরি ১৮, ২১, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কত
- জিকিউ বলপেনের ১২.৫০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা
- HONOR-এর সেরা ৫ ফোন: কোনটির দাম কত বাংলাদেশে?
- ব্রাজিলের খেলা কবে? জাপান ও সিঙ্গাপুর ম্যাচের সময়সূচি
- Infinix Smart 20E: ১২০Hz ডিসপ্লে ও বড় ব্যাটারি?
- অনলাইনে জমির নামজারি করবেন যেভাবে, খরচ ১১৭০ টাকা
- ওয়ারিশি জমির নামজারি করতে কত টাকা লাগে, জানুন নিয়ম
- Galaxy S27 Ultra-এর ব্যাটারি, ক্যামেরা ও দাম নিয়ে যত তথ্য
- লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে? জানুন নিয়ম
- চাচ্চু’র সেই দীঘির সঙ্গে শাকিব খান, কী ঘটল নিউইয়র্কে?
- iPhone 18 Pro Max কেনার আগে সিম ও ওয়ারেন্টি যাচাই করুন