MD. Razib Ali
Senior Reporter
মুস্তাফিজ ইস্যুতে বিসিসিআইয়ের সমালোচনা ও কেকেআর বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব
আইপিএলের মেগা নিলামে আকাশচুম্বী দাম পাওয়ার পরও মুস্তাফিজুর রহমানের খেলা নিয়ে সৃষ্ট ধোঁয়াশা এখন টক অব দ্য ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড। এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। বিসিসিআইয়ের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সাকিব জানিয়েছেন, কাটার মাস্টারের এই পরিস্থিতি আরও সুচারু ও সুন্দরভাবে সামলানোর সুযোগ ছিল ভারতীয় বোর্ডের হাতে।
আক্ষেপ যখন ৯ কোটি ২০ লাখের
সদ্য সমাপ্ত নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপির বিশাল অঙ্কে দল পেয়েছেন মুস্তাফিজ। এত বড় অর্জনের পর মাঠের লড়াইয়ে নামতে না পারাটা একজন অ্যাথলেটের জন্য কতটা যন্ত্রণাদায়ক, তা উঠে এসেছে সাকিবের কথায়। সাকিবের মতে, বড় নিলামের পর এমন অনিশ্চয়তা একজন খেলোয়াড়কে কেবল হতাশই করে না, বরং এটি অত্যন্ত দুঃখজনক একটি অভিজ্ঞতা।
আয়োজকদের একচ্ছত্র আধিপত্য
টুর্নামেন্ট পরিচালনার আইনি দিকগুলো ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাকিব মনে করিয়ে দেন যে, ঘরোয়া লিগের ক্ষেত্রে আয়োজক দেশই সর্বেসর্বা। তিনি জানান, বিপিএল হোক কিংবা আইপিএল—চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আয়োজক সংস্থা যেকোনো মুহূর্তে নিয়ম পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। এই আইনি মারপ্যাঁচে বিসিবি কিংবা আইসিসির মতো বড় সংস্থারও তেমন কিছু করার থাকে না। সাকিব স্পষ্ট করে বলেন, "যেহেতু এটি একটি ডমেস্টিক টুর্নামেন্ট, তাই এখানে তৃতীয় কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তবে নিয়ন্ত্রণ হাতে থাকার অর্থ এই নয় যে বিষয়টি দায়সারাভাবে দেখা হবে।"
বিসিসিআইয়ের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন
ভারতের ক্রিকেট বোর্ড এই সংকটটি আরও কার্যকরভাবে সমাধান করতে পারত বলে মনে করেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। সাকিব প্রশ্ন তুলেছেন বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে। তিনি মনে করেন, মুস্তাফিজের মতো একজন প্রোফাইলকে ডিল করার ক্ষেত্রে বিসিসিআই আরও কৌশলী হতে পারত। ঠিক কী কারণে নীতিনির্ধারকরা এমন অনড় অবস্থান নিলেন, তা সাকিবের কাছেও একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিজের অভিজ্ঞতার সাথে তুলনা
২০২৩ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে সাকিবের সরে দাঁড়ানোর ঘটনার সাথে মুস্তাফিজের বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করছেন অনেকেই। তবে সাকিব এই দুটি ঘটনাকে দেখছেন ভিন্ন দৃষ্টিতে। সাকিবের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো সবসময় চায় তাদের স্কোয়াডের বিদেশি ক্রিকেটাররা যেন পুরো মৌসুমজুড়ে লভ্য থাকে। মাঝপথে খেলোয়াড় বদল করা যেকোনো দলের ভারসাম্যের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ।
সাকিব বলেন, "কেকেআরের সাথে আমার সম্পর্ক সবসময়ই চমৎকার ছিল। আমি যেহেতু পুরো মৌসুমের জন্য অ্যাভেইলেবল ছিলাম না, তাই দলের বৃহত্তর স্বার্থে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমেই আমি সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।"
পরিশেষে, সাকিবের বক্তব্যে এটি পরিষ্কার যে মুস্তাফিজের বর্তমান পরিস্থিতি কেবল একটি খেলোয়াড়ি সংকট নয়, বরং এর পেছনে বিসিসিআইয়ের প্রশাসনিক দক্ষতার অভাবও কাজ করেছে।
সোহেল/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ১৪ ব্রোকার হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংককে সুখবর দিল বিএসইসি
- চলছে রাজশাহী বনাম ঢাকা ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন Live
- মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা: কোন গ্রেডে কত বেতন বাড়ছে?
- নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির পাঁচ নেতা
- প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল?
- ডিপিই'র বড় ঘোষণা: প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল নিয়ে সুখবর
- বিশ্বকাপে ভারত সফরে অনড় আপত্তি বিসিবির, আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে কি হলো?
- স্বর্ণের দাম: আজ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি দাম কত
- রংপুর বনাম সিলেট: শেষ হলো ম্যাচ, জেনেনিন ফলাফল
- বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে আইসিসির ‘বার্তা’ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটাল বিসিবি
- শেয়ারবাজারে আজ সূচকের চমক, বিক্রেতা সংকটে হল্টেড ৮ কোম্পানি
- এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন: যা জানালো শিক্ষা বোর্ড
- Dhaka Capitals vs Rajshahi Warriors Live : কখন, কোথায় ও কীভাবে লাইভ দেখবেন
- বিএনপি না জামায়াত, কে এগিয়ে? ৪ প্রতিষ্ঠানের জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- শেয়ারবাজারে ১ মাসেই ২০% লাভ! যে ৬ কোম্পানি দিলো বড় রিটার্ন