MD. Razib Ali
Senior Reporter
একমি পেস্টিসাইডসের আর্থিক অবস্থার উন্নতি: দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড তাদের চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করেছে। সর্বশেষ প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, কোম্পানিটি তাদের লোকসানের বোঝা আগের চেয়ে কিছুটা কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।
ব্যবসায়িক পরিস্থিতির হালচাল:
আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১৬ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে এই লোকসানের পরিমাণ ছিল ১৮ পয়সা। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এ বছর দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান ২ পয়সা কমেছে।
অর্ধবার্ষিক হিসাব (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২৫):
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্মিলিত লোকসান দাঁড়িয়েছে ২৬ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৩০ পয়সা। ছয় মাসের ব্যবধানে শেয়ার প্রতি লোকসান ৪ পয়সা হ্রাস পাওয়া কোম্পানির আর্থিক পরিস্থিতির ক্রমশ উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নগদ প্রবাহ ও সম্পদ মূল্য:
শেয়ার প্রতি নগদ অর্থ প্রবাহ বা ক্যাশফ্লোর ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিক শেষে শেয়ার প্রতি ক্যাশফ্লো ১ পয়সা থেকে বেড়ে ২ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এছাড়া, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (NAVPS) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ১৫ পয়সা।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, লোকসানের ধারাবাহিকতা কমিয়ে আনা এবং নগদ অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়া একমি পেস্টিসাইডসের জন্য একটি আশাব্যঞ্জক দিক।
আল-মামুন/