ঢাকা, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করবেন যেভাবে, জানুন নিয়ম

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১১ ১২:০৮:১২
ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করবেন যেভাবে, জানুন নিয়ম

উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমি নিজের নামে নামজারি করতে শুধু ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করলেই কাজ শেষ হয় না। মৃত ব্যক্তির জমির রেকর্ড, উত্তরাধিকারীদের পরিচয়, প্রাপ্য অংশ এবং ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের তথ্যসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। এরপর ভূমি অফিসের যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় শুনানি শেষে আবেদন অনুমোদিত হলে নতুন নামজারি খতিয়ান পাওয়া যায়।

বাংলাদেশে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির নামজারি এখন ই-নামজারি ব্যবস্থার মাধ্যমে করা যায়। তবে সব ওয়ারিশের নাম একসঙ্গে রেকর্ডে তোলা হবে, নাকি আইন অনুযায়ী প্রাপ্য অংশ আলাদা করে নামজারি করা হবে—তার ওপর আবেদনের ধরন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ভর করতে পারে। তাই আবেদন করার আগে ওয়ারিশ সনদ, জমির খতিয়ান এবং উত্তরাধিকারীদের হিস্যার তথ্য মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।

ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করতে কী করতে হবে?

জমির মূল মালিক মারা যাওয়ার পর তাঁর উত্তরাধিকারীরা আইন অনুযায়ী সম্পত্তির মালিকানার অংশ পেতে পারেন। সেই উত্তরাধিকার রেকর্ডে প্রতিফলিত করার প্রশাসনিক প্রক্রিয়াই নামজারি বা মিউটেশন। নামজারি হলে সংশ্লিষ্ট জমির সরকারি ভূমি রেকর্ডে নতুন মালিক বা মালিকদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয় এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তাঁদের নামে ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায়।

তবে মনে রাখতে হবে, নামজারি নিজে থেকে মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। জমির মালিকানা, উত্তরাধিকার এবং অংশ নিয়ে বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্ট দলিল ও আইনগত নথিও বিবেচনায় নিতে হয়।

ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করার দুটি পদ্ধতি

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমি নামজারি করার ক্ষেত্রে মূলত দুটি বিষয় আলাদা করে বুঝতে হবে। সব ওয়ারিশের নাম একই খতিয়ানে তোলা এবং প্রত্যেক ওয়ারিশের নামে পৃথক খতিয়ান তৈরি করা এক প্রক্রিয়া নয়।

১. সব ওয়ারিশের নামে যৌথ নামজারি: মৃত ব্যক্তির সব ওয়ারিশের নাম একটি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করতে যৌথভাবে আবেদন করা যায়। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা খতিয়ানে উল্লেখ করা হয়। শুধু যৌথ নামজারির জন্য বণ্টননামা দলিল বাধ্যতামূলক নয়।

২. পৃথক নামে নামজারি: প্রত্যেক ওয়ারিশ নিজের অংশের জন্য আলাদা খতিয়ান করতে চাইলে জমির বণ্টন ও দাগভিত্তিক অংশ নির্ধারণ করে নিবন্ধিত আপস বণ্টননামা দলিলের ভিত্তিতে আবেদন করতে হয়। এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন ও জমির কাগজপত্র অনুযায়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

অর্থাৎ, সব ওয়ারিশ একসঙ্গে আবেদন করলে বণ্টননামা নেই—শুধু এই কারণ দেখিয়ে আবেদন নামঞ্জুর করা যথাযথ নয়। অন্যদিকে, পৃথক খতিয়ান করতে চাইলে বণ্টননামার প্রয়োজনীয়তা উপেক্ষা করা যাবে না।

জমি নামজারি করতে কী কী কাগজপত্র লাগবে?

ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারির আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে রাখা ভালো। জমির রেকর্ড ও আবেদনকারীর পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত নথিও চাওয়া হতে পারে।

সাধারণত প্রয়োজন হতে পারে—

- ওয়ারিশ সনদ: সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র বা সিটি করপোরেশনের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের দেওয়া উত্তরাধিকার সনদ।

- মৃত্যুর প্রমাণপত্র: প্রয়োজনে মৃত জমির মালিকের মৃত্যু নিবন্ধন সনদ।

- জাতীয় পরিচয়পত্র: আবেদনকারী ও সংশ্লিষ্ট ওয়ারিশদের পরিচয়পত্রের কপি; প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন বা গ্রহণযোগ্য পরিচয়পত্র।

- জমির খতিয়ান: মৃত ব্যক্তির নামে থাকা সর্বশেষ প্রাসঙ্গিক খতিয়ান বা রেকর্ডের কপি।

- ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলা: জমির সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রসিদ।

- মালিকানার ধারাবাহিক কাগজপত্র: প্রয়োজন অনুযায়ী মূল দলিল, আগের হস্তান্তর দলিল বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি।

- বণ্টননামা দলিল: পৃথক খতিয়ান করার আবেদন হলে নিবন্ধিত বণ্টননামা, যেখানে প্রযোজ্য।

- অন্যান্য সহায়ক নথি: আদালতের রায় বা ডিক্রি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ওয়ারিশদের হিস্যার সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।

ই-নামজারি পোর্টালের নির্দেশনায় উত্তরাধিকারসূত্রে আবেদন করার সময় ওয়ারিশ সনদ, পরিচয়পত্র, ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলা এবং জমির খতিয়ানসহ প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

বিশেষ সতর্কতা: ওয়ারিশ সনদে নামের বানান, মৃত ব্যক্তির পরিচয় বা উত্তরাধিকারীদের তালিকায় ভুল থাকলে আবেদন যাচাইয়ে জটিলতা হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে জমির রেকর্ড ও সনদের তথ্য মিলিয়ে নিন। পুরোনো সনদ থাকলে সেটি গ্রহণযোগ্য কি না, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিশ্চিত হওয়া ভালো।

অনলাইনে ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করার নিয়ম

বাংলাদেশে ই-নামজারি পোর্টালের মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমির জন্য আবেদন করা যায়। আবেদন করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

ধাপ ১: ই-নামজারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

সরকারি ই-নামজারি পোর্টালে প্রবেশ করে প্রয়োজন অনুযায়ী নিবন্ধন বা লগইন করুন।

ধাপ ২: উত্তরাধিকার সূত্র নির্বাচন করুন

আবেদন ফরমে জমি পাওয়ার উৎস হিসেবে উত্তরাধিকার বা ওয়ারিশসূত্র নির্বাচন করুন। এরপর জমির অবস্থান, মৌজা, খতিয়ান, দাগ ও মালিকানাসংক্রান্ত চাওয়া তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।

ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করুন

ওয়ারিশ সনদ, পরিচয়পত্র, খতিয়ান, করের দাখিলা এবং প্রযোজ্য অন্যান্য নথি নির্দেশনা অনুযায়ী আপলোড করুন। পোর্টালে নথির ধরন সঠিকভাবে নির্বাচন করুন।

ধাপ ৪: ফি পরিশোধ করে আবেদন জমা দিন

নির্ধারিত আবেদন ও নোটিশ ফি পরিশোধ করে আবেদন জমা দিন। আবেদন নম্বর এবং পেমেন্টের রসিদ সংরক্ষণ করুন, যাতে পরবর্তী সময়ে আবেদনের অবস্থা দেখা যায়।

ধাপ ৫: ভূমি অফিসের যাচাই ও শুনানিতে অংশ নিন

সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস কাগজপত্র যাচাই করবে। প্রয়োজন হলে সরেজমিন তদন্ত, অতিরিক্ত নথি বা শুনানির জন্য জানানো হতে পারে। এসএমএস ও পোর্টালে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

ধাপ ৬: অনুমোদনের পর খতিয়ান সংগ্রহ করুন

আবেদন মঞ্জুর হলে নির্ধারিত ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইন নামজারি খতিয়ান ও ডিসিআরের কপি সংগ্রহ করুন।

সরকারি পোর্টালে আবেদনের নির্দেশনা ও প্রক্রিয়ার বিবরণ পাওয়া যায়।

ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করতে কত টাকা লাগে?

ই-নামজারি পোর্টালে প্রকাশিত ফি অনুযায়ী, অনলাইনে আবেদন ও নোটিশ জারির ফি এবং নামজারি অনুমোদনের পর ডিসিআর ফি আলাদাভাবে পরিশোধ করতে হয়।

আবেদন ও নোটিশ জারির ফি

অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার সময়

৭০ টাকা

ডিসিআর ফি নামজারি অনুমোদনের পর

১,১০০ টাকা

মোট সরকারি ফি: উপরের দুই ফি মিলিয়ে ১,১৭০ টাকা

সূত্র: ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-নামজারি পোর্টালের প্রকাশিত প্রক্রিয়া। আবেদন করার সময় পোর্টালে প্রদর্শিত হালনাগাদ ফি যাচাই করুন।

আরও পড়ুন:

জমি কেনার আগে দাগ নম্বর দিয়ে যে তথ্যগুলো যাচাই করবেন

জমির নামজারি করতে কী কী লাগে, খরচ কত ও সময় কত দিন?

আপনার নামে কত জমি আছে, কোথায় কোথায় আছে—অনলাইনে জানবেন যেভাবে

এটি পোর্টালে উল্লেখ করা আবেদন ও ডিসিআর ফি মিলিয়ে হিসাব। বণ্টননামা দলিল নিবন্ধন, নথির সত্যায়িত কপি বা অন্যান্য প্রযোজ্য আনুষঙ্গিক ব্যয় এতে অন্তর্ভুক্ত নয়। বিশেষ করে পৃথক খতিয়ান করতে চাইলে বণ্টননামা নিবন্ধনের খরচ আলাদা হতে পারে।

জমি নামজারি হতে কত দিন সময় লাগে?

নামজারির সময় নির্ভর করে আবেদনপত্রের সঠিকতা, কাগজপত্র যাচাই, সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের কার্যক্রম এবং শুনানির প্রয়োজনীয়তার ওপর।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-নামজারি পোর্টালে প্রকাশিত ধাপভিত্তিক সময়সূচিতে তদন্ত, প্রতিবেদন, শুনানি ও চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তুতের বিভিন্ন পর্যায় উল্লেখ রয়েছে। এসব ধাপের সময় যোগ করলে আনুমানিক ২৯ কার্যদিবস পাওয়া যায়। তবে এটি সব আবেদনের জন্য নিশ্চিত সময়সীমা নয়।

কাগজপত্রে ভুল, ওয়ারিশের তথ্যের অমিল, জমির হিস্যা নিয়ে বিরোধ কিংবা অতিরিক্ত তদন্তের প্রয়োজন হলে আরও সময় লাগতে পারে। তাই আবেদন জমা দেওয়ার পর নিয়মিত পোর্টালে অবস্থা দেখুন এবং এসএমএসে আসা নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

নামজারি আবেদন বাতিল এড়াতে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

ওয়ারিশ সনদ দিয়ে নামজারি করতে গিয়ে কয়েকটি সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলা জরুরি।

- সব ওয়ারিশের নাম নিশ্চিত করুন: কোনো বৈধ উত্তরাধিকারীর নাম বাদ পড়েছে কি না, সনদে তা যাচাই করুন।

- হিস্যার তথ্য মিলিয়ে নিন: মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য অংশ প্রযোজ্য উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।

- জমির পরিচিতিতে ভুল করবেন না: মৌজা, খতিয়ান ও দাগ নম্বরের তথ্য মূল রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে দিন।

- যৌথ ও পৃথক নামজারি গুলিয়ে ফেলবেন না: যৌথ খতিয়ানের জন্য বণ্টননামা বাধ্যতামূলক নয়; পৃথক খতিয়ানের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত বণ্টননামা প্রয়োজন।

- ভুয়া বা অসম্পূর্ণ নথি দেবেন না: তথ্যের গরমিল থাকলে যাচাইয়ের সময় ব্যাখ্যা বা অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হতে পারে।

- আবেদন বাতিল হলে কারণ দেখুন: পোর্টালে আবেদনের সিদ্ধান্ত ও বাতিলের কারণ দেখে প্রয়োজনীয় সংশোধন করুন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি বা অসংগতি থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা বা অতিরিক্ত নথি দেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।

ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি: যে বিষয়টি মনে রাখা জরুরি

উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমি নামজারি করার আগে ঠিক করুন, সব ওয়ারিশের নামে যৌথ খতিয়ান করবেন, নাকি প্রত্যেকে নিজের অংশের জন্য আলাদা খতিয়ান চান। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাগজপত্র প্রস্তুত করলে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট:

- ই-নামজারি পোর্টাল

- ভূমি তথ্য বাতায়ন

- প্রত্যয়ন—নাগরিক সনদসংক্রান্ত প্ল্যাটফর্ম

পাঠকের সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

১. শুধু ওয়ারিশ সনদ দিয়ে কি জমি নামজারি করা যায়?

ওয়ারিশ সনদ উত্তরাধিকার প্রমাণের গুরুত্বপূর্ণ নথি। তবে শুধু এই সনদ দিলেই নামজারি নিশ্চিত হয় না। জমির খতিয়ান, পরিচয়সংক্রান্ত নথি এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্যও যাচাই করা হয়।

২. সব ওয়ারিশের সম্মতি ছাড়া কি যৌথ নামজারি করা যায়?

যৌথ নামজারির আবেদনে সব ওয়ারিশকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাঁদের প্রাপ্য হিস্যা সঠিকভাবে উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ওয়ারিশের অধিকার বাদ দেওয়া উচিত নয়। বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস বা আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া ভালো।

৩. বণ্টননামা ছাড়া কি ওয়ারিশদের জমি নামজারি করা সম্ভব?

হ্যাঁ, সব ওয়ারিশের নামে যৌথ খতিয়ান করতে শুধু ওয়ারিশ সনদের ভিত্তিতে আবেদন করা যায়; এ ক্ষেত্রে বণ্টননামা বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু প্রত্যেকের নামে পৃথক খতিয়ান করতে নিবন্ধিত বণ্টননামা প্রয়োজন।

৪. ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করতে কত টাকা লাগে?

ই-নামজারি পোর্টালে প্রকাশিত ফি অনুযায়ী আবেদন ও নোটিশ জারিতে ৭০ টাকা এবং অনুমোদনের পর ডিসিআর ফি ১,১০০ টাকা—মোট ১,১৭০ টাকা। বণ্টননামা নিবন্ধন বা অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় আলাদা হতে পারে।

৫. জমি নামজারি করতে কত দিন সময় লাগে?

সরকারি পোর্টালের ধাপভিত্তিক সময়সূচি যোগ করলে আনুমানিক ২৯ কার্যদিবস পাওয়া যায়। তবে এটি নিশ্চিত নিষ্পত্তির সময় নয়; আবেদন ও তদন্তের পরিস্থিতি অনুযায়ী সময় কম-বেশি হতে পারে।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: