ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

নতুন বেতন কাঠামোয় বেশি গ্রেডেও কম বেতন, কোথায় সমস্যা?

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৭ ১৬:৫১:৪১
নতুন বেতন কাঠামোয় বেশি গ্রেডেও কম বেতন, কোথায় সমস্যা?

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর করে বকেয়াসহ বেতন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু নতুন কাঠামো অনুযায়ী অনেক কর্মচারীর বেতন নির্ধারণের কাজই এখনো শেষ হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে নতুন হারে বেতন পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন গ্রেডের বেতন হিসাব, বাড়িভাড়া ভাতা এবং উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সময় নিয়েও একাধিক অসংগতি সামনে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, যেসব কর্মচারীর বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ হবে না, তাঁদের আপাতত আগের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন দেওয়া হতে পারে। পরে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ সম্পন্ন হলে প্রাপ্য বকেয়া পরিশোধের ব্যবস্থা করা হবে। অর্থাৎ নতুন বেতন কাঠামো চালুর পরিকল্পনা থাকলেও সব কর্মচারীর ক্ষেত্রে একই সময়ে নতুন হারে বেতন দেওয়া সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

বেতন নির্ধারণ শেষ না হওয়ায় তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা

নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশ করা হয় ১৭ সেপ্টেম্বর। এরপর ৫ অক্টোবর থেকে কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের কাজ শুরু হয়। তবে অর্থ বিভাগের পাশাপাশি কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনেক কর্মচারীর বেতন নির্ধারণের জটিলতা এখনো কাটেনি।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে এ ধরনের সমস্যা রয়েছে। ১ নভেম্বরের আগে সব ক্ষেত্রে জটিলতা নিরসন করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী, ৮ লাখ পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত ৬ লাখ শিক্ষক রয়েছেন। এত বিপুলসংখ্যক মানুষের বেতন-ভাতা ও আর্থিক সুবিধা নির্ধারণের ক্ষেত্রে হিসাবের অসংগতি এবং প্রশাসনিক জটিলতা দ্রুত সমাধান করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, নতুন কাঠামো তৈরি ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। সমস্যাগুলোর সমাধানে কাজ চলছে এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শও নেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বেশি প্রারম্ভিক বেতন পেয়েও পিছিয়ে পড়ছেন উচ্চতর গ্রেডের কর্মচারী

নতুন বেতন কাঠামোয় গ্রেডভেদে প্রারম্ভিক মূল বেতনের পার্থক্য থাকলেও বেতন নির্ধারণের হিসাব করতে গিয়ে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। একাদশ গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২৫ হাজার টাকা এবং দ্বাদশ গ্রেডের ক্ষেত্রে তা ২৪ হাজার ৩০০ টাকা। অর্থাৎ শুরুতে একাদশ গ্রেডের কর্মচারীর মূল বেতন ৭০০ টাকা বেশি।

কিন্তু আগের বেতন কাঠামো থেকে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণের হিসাব করলে দ্বাদশ গ্রেডের কর্মচারী তুলনামূলক বেশি বেতন পেতে পারেন।

এর কারণ বুঝতে হলে দুই গ্রেডের কর্মচারীদের আগের বেতন ও নতুন কাঠামোয় নির্ধারিত বেতনের হিসাব দেখতে হয়।

২০১৫ সালে একাদশ গ্রেডে চাকরি শুরু করা একজন কর্মচারীর মূল বেতন ২০২৬ সালের ৩০ জুন ছিল ২৩ হাজার ৬৬০ টাকা। নতুন কাঠামোয় তাঁর প্রারম্ভিক মূল বেতন ২৫ হাজার টাকা থেকে আগের বেতনের সঙ্গে প্রযোজ্য বৃদ্ধি ১১ হাজার ১৬০ টাকা যোগ করলে দাঁড়ায় ৩৬ হাজার ১৬০ টাকা। কিন্তু নতুন কাঠামোয় এই অঙ্কের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ধাপ না থাকায় পরবর্তী ধাপ ধরে তাঁর বেতন নির্ধারণ করতে হচ্ছে ৩৭ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, ২০১৫ সালে দ্বাদশ গ্রেডে চাকরি শুরু করা কর্মচারীর মূল বেতন ২০২৬ সালের ৩০ জুন ছিল ২৩ হাজার ৫৮০ টাকা। তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বৃদ্ধির পরিমাণ ১২ হাজার ২৮০ টাকা। নতুন গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২৪ হাজার ৩০০ টাকার সঙ্গে এই বৃদ্ধি যোগ করলে মোট অঙ্ক হয় ৩৬ হাজার ৫৮০ টাকা। পরবর্তী ধাপে তাঁর বেতন দাঁড়ায় ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা।

ফলে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেশি থাকা সত্ত্বেও একাদশ গ্রেডের কর্মচারী দ্বাদশ গ্রেডের কর্মচারীর তুলনায় ৭০০ টাকা কম বেতন পাচ্ছেন। গ্রেডভিত্তিক বেতন নির্ধারণে এই পার্থক্যই নতুন কাঠামোর একটি উল্লেখযোগ্য অসংগতি হিসেবে সামনে এসেছে।

ধাপে ধাপে সুবিধা বাড়লেও দুই গ্রেডের ব্যবধান থাকছে

নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা একবারে পুরোপুরি কার্যকর না করে কয়েকটি ধাপে দেওয়ার কথা রয়েছে। কর্মচারীদের হিসাব অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রেও একাদশ ও দ্বাদশ গ্রেডের বেতনের ব্যবধান বজায় থাকছে।

২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন কাঠামোর ৫০ শতাংশ সুবিধা কার্যকর হলে একাদশ গ্রেডের বেতন দাঁড়াবে ৩১ হাজার ২৩০ টাকা এবং দ্বাদশ গ্রেডের বেতন হবে ৩১ হাজার ৫৯০ টাকা। এ পর্যায়ে দুই গ্রেডের পার্থক্য ৩৬০ টাকা।

এরপর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৭৫ শতাংশ সুবিধা কার্যকর হলে একাদশ গ্রেডে বেতন হবে ৩৫ হাজার ১৫ টাকা। দ্বাদশ গ্রেডে তা দাঁড়াবে ৩৫ হাজার ৫৯৫ টাকা। তখন ব্যবধান বেড়ে হবে ৫৮০ টাকা।

সবশেষে ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে ১০০ শতাংশ সুবিধা কার্যকর হলে একাদশ গ্রেডের বেতন হবে ৪০ হাজার ৮০০ টাকা এবং দ্বাদশ গ্রেডের বেতন দাঁড়াবে ৪১ হাজার ৬০০ টাকা। তখন দুই গ্রেডের ব্যবধান হবে ৮০০ টাকা।

গেজেটের ৫ ও ৯ নম্বর ধারায় ২০২৬ সালের ১ জুলাইয়ের ভিত্তিতে বেতন নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় নির্ধারিত বেতন ও বর্তমান বেতনের পার্থক্যের ভিত্তিতে যথাক্রমে ৫০, ৭৫ ও ১০০ শতাংশ সুবিধা কার্যকরের বিধান রয়েছে। কর্মচারীদের হিসাব অনুযায়ী, এই পদ্ধতিতেও গ্রেডভিত্তিক বেতনের অসংগতি পুরোপুরি দূর হচ্ছে না।

পদোন্নতিতে মূল বেতন বাড়লেও কমতে পারে বাড়িভাড়া

নতুন কাঠামোর আরেকটি জটিলতা দেখা যাচ্ছে বাড়িভাড়া ভাতা নির্ধারণে। কোনো কর্মচারী পদোন্নতি পেয়ে বা প্রথম উচ্চতর গ্রেড পেয়ে পরের গ্রেডে গেলে তাঁর মূল বেতন বাড়লেও বাড়িভাড়া ভাতার হার কমে যেতে পারে। ফলে মূল বেতন ও বাড়িভাড়া মিলিয়ে মোট প্রাপ্তি আগের তুলনায় কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

উদাহরণ হিসেবে, দশম গ্রেডের একজন কর্মচারী ১০ বছর চাকরি করার পর পদোন্নতি পেয়ে অথবা প্রথম উচ্চতর গ্রেড পেয়ে নবম গ্রেডে গেলে তাঁর মূল বেতন ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫১ হাজার টাকা হবে। অর্থাৎ মূল বেতন বাড়বে ১ হাজার ৩০০ টাকা।

কিন্তু দশম গ্রেডে বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হওয়ায় ভাতার পরিমাণ ছিল ২৪ হাজার ৮৫০ টাকা। নবম গ্রেডে এই হার ৪৫ শতাংশ হওয়ায় বাড়িভাড়া ভাতা কমে হবে ২২ হাজার ৯৫০ টাকা। অর্থাৎ ভাতা কমবে ১ হাজার ৯০০ টাকা।

মূল বেতনে ১ হাজার ৩০০ টাকা বৃদ্ধি এবং বাড়িভাড়া ভাতায় ১ হাজার ৯০০ টাকা হ্রাসের হিসাব করলে কর্মচারীর মূল বেতন ও বাড়িভাড়া মিলিয়ে মোট প্রাপ্তি ৬০০ টাকা কমে যায়। এতে পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পরও আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পরিবর্তে কেউ কেউ ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।

উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সময় নিয়েও প্রশ্ন

কর্মচারীদের অভিযোগ, উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যেখানে একই সময়ে সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা তৈরি হওয়ায় জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ কর্মচারী সমান বেতন পাবেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কনিষ্ঠ কর্মচারীর বেতন জ্যেষ্ঠ কর্মচারীর চেয়েও বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কর্মচারীদের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে যাঁদের চাকরির বয়স ৮ বছর বা ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁদের কেউ কেউ ১ জুলাই থেকে প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন। এর ফলে জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ কর্মচারীর উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সময় কাছাকাছি হয়ে যেতে পারে এবং বেতনের ব্যবধান কমে আসতে পারে।

এ ছাড়া দুইবার উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার ক্ষেত্রেও সময়ের পার্থক্য তৈরি হতে পারে। হিসাব অনুযায়ী, কোনো কনিষ্ঠ কর্মচারী ১৪ বছরেই দুইবার উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ পেলেও জ্যেষ্ঠ কর্মচারীর ক্ষেত্রে তা পেতে ১৬ বছর পর্যন্ত লাগতে পারে। এতে চাকরির জ্যেষ্ঠতা ও আর্থিক সুবিধার মধ্যে অসামঞ্জস্য তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বেতন নির্ধারণের সফটওয়্যারেও জটিলতা

বেতন নির্ধারণের কাজে ব্যবহৃত iBAS++ ব্যবস্থার জটিলতাও কর্মচারীদের ভোগান্তির একটি কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। তাঁদের অভিযোগ, নতুন কাঠামোর বিভিন্ন নিয়ম ও হিসাব যথাযথভাবে প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে বেতন নির্ধারণে সমস্যা দেখা দিচ্ছে এবং সব কর্মচারীর হিসাব সময়মতো সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

iBAS++ হলো সরকারের সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। বাজেট প্রণয়ন, বেতন, বিল ও অর্থ পরিশোধ এবং সরকারি আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণের মতো কাজে এই ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সময় এ ব্যবস্থায় সঠিকভাবে হিসাব নির্ধারণ করা তাই গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে, ১ নভেম্বর থেকে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও বেতন নির্ধারণের অসমাপ্ত কাজ, গ্রেডভিত্তিক পার্থক্য, বাড়িভাড়া ভাতার হিসাব এবং উচ্চতর গ্রেডসংক্রান্ত জটিলতা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে কঠিন করে তুলেছে। এসব সমস্যার সমাধান না হলে নতুন কাঠামোর সুবিধা কর্মচারীদের মধ্যে সমানভাবে পৌঁছানো এবং নির্ধারিত সময়ে বেতন পরিশোধ—দুই ক্ষেত্রেই অনিশ্চয়তা থেকে যেতে পারে।

পাঠকের সাধারণ প্রশ্ন

১. সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো কবে থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে?

নতুন কাঠামো অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে বেতন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর সঙ্গে চার মাসের বকেয়া পরিশোধের কথাও বলা হয়েছে।

২. যাঁদের বেতন নির্ধারণ ১ নভেম্বরের আগে শেষ হবে না, তাঁরা কীভাবে বেতন পাবেন?

এ ক্ষেত্রে আপাতত আগের কাঠামো অনুযায়ী বেতন দেওয়া হতে পারে। নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণ সম্পন্ন হলে প্রাপ্য বকেয়া পরে পরিশোধ করা হবে।

৩. একাদশ গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতন বেশি হলেও দ্বাদশ গ্রেডের কর্মচারী বেশি বেতন পেতে পারেন কেন?

বেতন নির্ধারণের হিসাব ও পরবর্তী ধাপে বেতন সমন্বয়ের কারণে এমন পার্থক্য তৈরি হচ্ছে। কর্মচারীদের হিসাব অনুযায়ী, একাদশ গ্রেডে বেতন ৩৭ হাজার টাকা এবং দ্বাদশ গ্রেডে ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা হতে পারে।

৪. পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পরও কি মোট বেতন-ভাতা কমতে পারে?

হ্যাঁ, দেওয়া উদাহরণ অনুযায়ী, মূল বেতন বাড়লেও বাড়িভাড়া ভাতার হার কমে গেলে মূল বেতন ও বাড়িভাড়া মিলিয়ে মোট প্রাপ্তি ৬০০ টাকা কমতে পারে।

৫. iBAS++ কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

iBAS++ সরকারের সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। বাজেট, বেতন, বিল, অর্থ পরিশোধ এবং সরকারি আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিচালনায় এটি ব্যবহৃত হয়।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: