জেনেনিন লাইলাতুল কদরে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর বিশেষ দোয়া
এ রাতের মর্যাদা এত অধিক যে, তা বর্ণনা করে আল্লাহ তাআলা একটি স্বতন্ত্র সূরা নাজিল করলেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-
إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْر
وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ
لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ
تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ
سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ
অর্থ: ‘নিশ্চয়ই আমি একে নাজিল করেছি শবে কদরে। (হে রাসূল!) শবে কদর সম্পর্কে আপনি জানেন কি? শবে কদর হলো এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এতে (এ রাতে) প্রত্যেক কাজের জন্য ফেরেশতাগণ ও রূহ (জিবরিল আমিন) তার পালনকর্তার নির্দেশে অবতীর্ণ হয়। এটা নিরাপদ, শান্তি। যা ফজর হওয়ার সময় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।’ (সূরা: কদর)
পবিত্র এ রাতে ক্ষমা প্রার্থনার বিশেষ এক দোয়া পড়েছেন বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
লাইলাতুল কদরে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর বিশেষ দোয়া
রমজান মাসের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোর যেকোনো একটি রাতে ‘লাইলাতুল কদর’ সংঘটিত হয়। রোজাদার মুমিন মুসলমান এ রাত পাওয়ার জন্য শেষ দশক ইতেকাফে অতিবাহিত করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও আমৃত্যু ইতেকাফ করেছেন। এ রাতে বিশেষ একটি দোয়া পড়ার কথা বলেছেন। তাহলো-
হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, একবার আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম- হে আল্লাহর রাসূল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি বলে দিন, আমি যদি লাইলাতুল কদর কোন রাতে হবে তা জানতে পারি, তাতে আমি কী (দোয়া) পড়বো?
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি বলবে-
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عُفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيউচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুয়্যুন; তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন। (মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মিশকাত)
সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, রমজানের শেষ দশকের প্রতিটি রাতে ক্ষমা প্রার্থনার বিশেষ এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়া।