ঢাকা, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

৩০০ কোটি টাকার নেতিবাচক ইক্যুইটি, এবার লেনদেনও স্থগিত

শেয়ারনিউজ ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১১:৫৯:৫৬
৩০০ কোটি টাকার নেতিবাচক ইক্যুইটি, এবার লেনদেনও স্থগিত

স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলার নিবন্ধন সনদ (রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট) নবায়ন না করায় ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ট্রেডিং কার্যক্রম স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। এর আগে একই কারণে প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন কার্যক্রম স্থগিত করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। পাশাপাশি সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ পিএলসি (সিডিবিএল) প্রতিষ্ঠানটির ডিপোজিটরি পার্টিসিপ্যান্ট (ডিপি) কার্যক্রমও স্থগিত করেছে।

গত রোববার প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে (সিইও) এ বিষয়ে চিঠি দেয় সিএসই। একই সঙ্গে বিষয়টি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং সিডিবিএলকে জানানো হয়েছে।

সিএসই জানিয়েছে, সিডিবিএলের ৫ জুলাই এবং ডিএসইর ২ জুলাইয়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিএসইসি ও সিডিবিএল থেকে নতুন নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন স্থগিত থাকবে।

তথ্য অনুযায়ী, বারবার তাগিদ দেওয়া হলেও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলার নিবন্ধন সনদ নবায়ন করতে পারেনি। প্রচলিত আইন অনুযায়ী বৈধ নিবন্ধন ছাড়া কোনো ট্রেকহোল্ডার শেয়ার লেনদেন পরিচালনা করতে পারে না। এ কারণে ২ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির ট্রেডিং কার্যক্রম স্থগিত করে ডিএসই।

ডিএসইর সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর ৫ জুলাই সিডিবিএলও প্রতিষ্ঠানটির ডিপি কার্যক্রম স্থগিত করে। ফলে গ্রাহকদের বিও হিসাবসংক্রান্ত বিভিন্ন ডিপোজিটরি সেবাও আপাতত বন্ধ রয়েছে।

বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ বর্তমানে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা নেতিবাচক ইক্যুইটির বোঝা বহন করছে।

পি কে হালদার-সংশ্লিষ্ট আর্থিক জালিয়াতির ঘটনার পর মূল প্রতিষ্ঠান এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মূলধনভিত্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য অবনতি হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কোনো ব্রোকারেজ হাউসের ট্রেডিং ও ডিপি—উভয় কার্যক্রম একসঙ্গে স্থগিত হলে প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে হলে প্রথমে নিবন্ধনসংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে হবে। এরপর বিএসইসি, ডিএসই, সিএসই এবং সিডিবিএলের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নির্দেশনা পাওয়ার পরই কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে।

ডিএসই ও সিএসইর বিধিমালা অনুযায়ী, সব ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেটধারী (ট্রেকহোল্ডার) প্রতিষ্ঠানকে ইতিবাচক নিট সম্পদ বজায় রাখতে হয়। এর উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ

এলপিজির দামে বড় স্বস্তি, জানুন নতুন মূল্য তালিকা

এলপিজির দামে বড় স্বস্তি, জানুন নতুন মূল্য তালিকা

দেশের এলপিজি ব্যবহারকারীদের জন্য এলো স্বস্তির খবর। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি... বিস্তারিত