MD. Razib Ali
Senior Reporter
আয় বৃদ্ধি সত্ত্বেও ডিভিডেন্ড অপরিবর্তিত: বিনিয়োগকারীরা হতাশ
প্রত্যাশিত ডিভিডেন্ড ঘোষণা না আসায় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) এর বিনিয়োগকারীরা গভীর হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছেন। গত অর্থবছরে কোম্পানিটির আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও ডিভিডেন্ডের পরিমাণ অপরিবর্তিত রাখায় এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে শেয়ার দরে। ডিভিডেন্ড ঘোষণার পরদিনই কোম্পানিটির শেয়ার মূল্যে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে।
আয় বৃদ্ধি সত্ত্বেও ডিভিডেন্ড অপরিবর্তিত: বিনিয়োগকারীদের অসন্তোষ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিএসসিসিএল ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য বিনিয়োগকারীদেরকে ৪০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার ঘোষণা করেছে। অবাক করার বিষয় হলো, এর আগের অর্থবছরেও ডিভিডেন্ডের পরিমাণ একই ছিল।
অথচ, একই সময়ে কোম্পানিটির আর্থিক পারফরম্যান্স ছিল বেশ শক্তিশালী। ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরে বিএসসিসিএল এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ১ পয়সা, যা পূর্ববর্তী বছর একই সময়ে ছিল ৯ টাকা ২ পয়সা। অর্থাৎ, কোম্পানিটির ইপিএস ১ টাকা ৯৯ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। আয় বৃদ্ধি সত্ত্বেও ডিভিডেন্ডের পরিমাণ স্থিতিশীল রাখায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, যা বাজারের প্রতিক্রিয়ায় সুস্পষ্ট।
শেয়ার দরের নিম্নমুখী যাত্রা: হতাশায় বিনিয়োগকারীরা
আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিএসসিসিএল এর শেয়ার দর ৯০ পয়সা বা ০.৬৫ শতাংশ কমে ১৩৬ টাকা ৭০ পয়সায় নেমে এসেছে। দিনের লেনদেনে শেয়ারটি ১৩৬ টাকা ১০ পয়সা থেকে ১৪০ টাকা ৬০ পয়সায় ওঠানামা করলেও, শেষ পর্যন্ত দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকে। এদিন মোট ৪ কোটি ৮ লাখ ৮২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এই দরপতন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে নেয়নি এবং এটি তাদের প্রত্যাশার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
কোম্পানির সংক্ষিপ্ত চিত্র:
টেলিকমিউনিকেশন খাতের 'এ' ক্যাটাগরির এই কোম্পানিটি ২০১৩ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১৮৭ কোটি ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। বর্তমানে কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ বিশাল অঙ্কের, ১ হাজার ২৭৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এত বিশাল রিজার্ভ থাকা সত্ত্বেও ডিভিডেন্ড অপরিবর্তিত রাখা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
বাজারের সম্ভাব্য প্রভাব:
বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএসসিসিএল-এর এই পদক্ষেপ শেয়ারবাজারে অনুরূপ অন্যান্য কোম্পানির ডিভিডেন্ড নীতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীরা শুধু কোম্পানির আয় নয়, ডিভিডেন্ড ঘোষণার ক্ষেত্রেও আরও সতর্ক হবেন। এই ঘটনা দীর্ঘমেয়াদে কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও বাজারের সামগ্রিক গতিপ্রকৃতিতে পরিবর্তন আনতে পারে।
আল-মামুন
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ডিএসইতে একসঙ্গে ৭ অনুমোদিত প্রতিনিধি প্রত্যাহার
- মেঘনা কনডেন্সডের শেয়ার নিয়ে ডিএসইর ‘বাই-ইন’ ঘোষণা
- তাপস পালের নেতৃত্বে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ১২০০ কোটি টাকা আত্মসাত
- স্বর্ণ কিনতে যাওয়ার আগে দেখে নিন আজকের বাজারদর
- ঢাকাসহ ৮ বিভাগে যে পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর
- পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে বড় খবর, যে কারণে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
- কোল্ড ড্রিংকস খেলে অ্যাসিডিটি কমে, নাকি বাড়ে? জানুন সত্য
- ওবায়দুল কাদেরের সেই ‘মাসুদ’ বদলি
- বিনা সুদে ১০ হাজার টাকা ঋণ! কারা পাবেন, কীভাবে নিতে হবে
- সংযোগ নেই, মিটারও নেই—তবুও হাতে বিদ্যুৎ বিল!
- বদলে গেল পরিস্থিতি, বাংলাদেশিদের জন্য নতুন ব্যবস্থা ভারতে
- আবারও বাড়ল সোনার দাম, আজকের বাজারদর জেনে নিন
- এক ক্লিকেই কি বাড়বে ওয়াই-ফাই স্পিড? জেনে নিন বাস্তবতা
- স্বর্ণ কিনতে যাওয়ার আগে দেখে নিন আজকের বাজারদর
- মূল আমানত ফেরত দেবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক, জেনে নিন নিয়ম