Alamin Islam
Senior Reporter
বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ফাইনাল: ম্যাচ সেরা ও টুর্ণামেন্ট সেরা হলেন যে ক্রিকেটার
দোহায় ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস-এর ফাইনালে এক শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে বাংলাদেশ 'এ' দলকে সুপার ওভারে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান শাহীনস। নির্ধারিত ২০ ওভারে দুই দলের স্কোর সমান (১২৫) হওয়ার পর ম্যাচটি টাই হয়, যার ফলে শিরোপার ফয়সালা হয় সুপার ওভার নামক ক্রিকেটের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ফরম্যাটে।
শাহীনস ইনিংস: সাদ মাসুদ ও মিনহাসের লড়াই
পাকিস্তান শাহীনস টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। দলীয় ১২৫ রানে অলআউট হওয়ার পথে, মিডল অর্ডারে দৃঢ়তা দেখান সাদ মাসুদ। তিনি ২৬ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৩৮ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন। এছাড়া, আরাফাত মিনহাস ২৩ বলে ২৫ রান করে দলের স্কোরকে সম্মানজনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেন।
বাংলাদেশ 'এ'-এর বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিপন মন্ডল, যিনি ৪ ওভার বল করে মাত্র ২৫ রানের বিনিময়ে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া, রাকিবুল হাসান ১৬ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট এবং এসএম মেহেরব ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন একটি করে উইকেট পান।
বাংলাদেশ 'এ'-এর রোমাঞ্চকর চেজ ও বোলারদের দাপট
জয়ের জন্য ১২৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা কিছুটা দ্রুতগতির ছিল। ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান মাত্র ১৭ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৬ রান করে দলের ভিত গড়ার চেষ্টা করেন। তবে, মিডল অর্ডারে পাকিস্তানি বোলারদের দাপটে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।
কিন্তু শেষদিকে রাকিবুল হাসান (২১ বলে ২৪) এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন (১২ বলে ১৬*) ও রিপন মন্ডলের (৯ বলে ১১*) দৃঢ়তায় বাংলাদেশ জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছালেও, নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে তাদের স্কোর দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ১২৫ রান, ফলে ম্যাচটি টাই হয়।
পাকিস্তান শাহীনসের পক্ষে সুফিয়ান মুকিম মাত্র ১১ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নিয়ে সেরা বোলার হিসেবে আবির্ভূত হন। এছাড়া, আরাফাত মিনহাস মাত্র ৫ রান খরচ করে নেন ২ উইকেট। ম্যাচের মোড় ঘোরানো পারফরম্যান্স আসে আহমেদ দানিয়ালের কাছ থেকে, যিনি ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন।
সুপার ওভারের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি
ম্যাচ টাই হওয়ার পর শিরোপার ফয়সালা হয় সুপার ওভারে। বাংলাদেশ 'এ' দল সুপার ওভারে আহমেদ দানিয়ালের নিয়ন্ত্রিত ও আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের মুখে পড়ে মাত্র ৬ রান তুলতে সক্ষম হয়। তিনি এই ওভারে মাত্র ০.৩ ওভার বল করে ২ উইকেট নেন এবং মাত্র ৬ রান দেন (যার মধ্যে ৫টিই ছিল ওয়াইড)।
জবাবে পাকিস্তান শাহীনসকে জয়ের জন্য ৭ রানের লক্ষ্য দেওয়া হয়। সাদ মাসুদ ও মাআজ সাদাকাত ব্যাট করতে নামেন। সাদ মাসুদের ৫ রানের সৌজন্যে পাকিস্তান শাহীনস কোনো উইকেট না হারিয়ে সহজেই ৭ রান তুলে শিরোপা নিশ্চিত করে।
সেরা খেলোয়াড়েরা
ফাইনালে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ উইকেট এবং নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের জন্য পাকিস্তান শাহীনসের আহমেদ দানিয়েলকে (২/১১) 'প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ' ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে, টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য পাকিস্তান শাহীনসের মাআজ সাদাকাত (২৩ রান ও ১ উইকেট) 'প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ'-এর পুরস্কার জিতেছেন।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ১৫ জুলাইয়ের নির্দেশনায় নতুন ব্যাখ্যা, স্পষ্ট করল বিএসইসি
- ব্যাংক-বিমা খাতে সুখবর, তিন প্রতিষ্ঠানের মুনাফায় বড় উল্লম্ফন
- পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য নতুন সুবিধা
- চার্টার্ড লাইফের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ছয় বিমা কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ, এগিয়ে পাঁচটি
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে নতুন জল্পনা, সম্ভাব্যদের তালিকায় ড. ইউনূস
- বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের নতুন বার্তা
- নতুন পে স্কেল নিয়ে বড় আপডেট, যা জানালেন অর্থমন্ত্রী
- সৌরজগতের কাছেই মিলল লুকিয়ে থাকা ৪ নতুন নক্ষত্র
- ফান্ডের সম্পদ নিয়ে বিতর্কের অবসান, যা বলছে ব্র্যাক ব্যাংক
- সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- আদালতের নির্দেশ না মানায় ইউএনওর কাছে ব্যাখ্যা চাইলেন বিচারক