MD. Razib Ali
Senior Reporter
বিসিবি-সাংবাদিক দ্বন্দ্ব কি মিটছে? মুখ খুললেন ফারুক
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও শীতল সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দুই পক্ষের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব ঘুচিয়ে ক্রিকেটের উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ। তিনি বিশ্বাস করেন, বিসিবি, ক্রিকেটার এবং সাংবাদিক—সবার গন্তব্য আসলে একটাই, আর তা হলো দেশের ক্রিকেটের সমৃদ্ধি।
পেছনের কথা: কেন এই দূরত্ব?
গত কয়েক দিনে বিসিবির সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সম্পর্কের পারদ কিছুটা তিক্ততায় রূপ নিয়েছিল। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতভেদের জেরে এক পর্যায়ে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের যাতায়াতে কড়াকড়ি আরোপ করে বোর্ড। বিসিবির আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ ছাড়া মিডিয়া কর্মীদের প্রবেশাধিকার সীমিত করার ফলে তৈরি হয় এক ধরনের অস্বস্তিকর পরিবেশ।
ফারুক আহমেদের নতুন বার্তা
এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ইতিবাচক বার্তা নিয়ে হাজির হন ফারুক আহমেদ। গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তিনি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ওপর জোর দেন। তার মতে, মাঠের ক্রিকেট এবং মাঠের বাইরের ব্যবস্থাপনা—সবখানেই ইতিবাচক পরিবেশ থাকা জরুরি।
তিনি বলেন, "বোর্ড, খেলোয়াড় কিংবা সাংবাদিক—আমরা যারা ক্রিকেটের সাথে জড়িয়ে আছি, আমাদের মধ্যে একটি সুষম ও হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক থাকা একান্ত প্রয়োজন। আমাদের সবার চূড়ান্ত লক্ষ্য তো একটাই, আর তা হলো বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নতি। এই পথচলা আরও মসৃণ করতে হলে আমাদের মধ্যকার সম্পর্ক আরও আন্তরিক হওয়া উচিত।"
উন্নতির পথ খোলা
সম্পর্কের বর্তমান টানাপোড়েনকে চিরস্থায়ী কোনো সমস্যা হিসেবে দেখছেন না এই বিসিবি কর্তা। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বেশ কৌশলী ও ইতিবাচক উত্তর দেন। ফারুক আহমেদ মনে করেন, সব সময় সম্পর্ক সমান তালে চলে না, তবে আলোচনার মাধ্যমে সব ঠিক করা সম্ভব।
তিনি আরও যোগ করেন, "সম্পর্ক যে সবসময় একই ছন্দে থাকবে, তেমনটা ভাবা ঠিক নয়। তবে আমি বিশ্বাস করি, বর্তমানে যে পরিস্থিতি আছে তার উন্নতি ঘটানো সম্ভব। এখানে বড় কোনো জটিলতা আছে বলে আমার মনে হয় না। অবশ্যই আমাদের আরও ভালো বোঝাপড়ার দিকে হাঁটা উচিত।"
আধুনিক ক্রিকেটে গণমাধ্যমের শক্তি
বর্তমানে শুধু সংবাদপত্র নয়, বরং টেলিভিশন ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিপুল প্রসারের কথা উল্লেখ করে ফারুক আহমেদ সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তার মতে, আধুনিক এই মাধ্যমগুলো ক্রিকেটের খবর মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়ে খেলারই সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সামনের দিনগুলোতে সাংবাদিকরা তাদের পেশাদারিত্বের মাধ্যমে দেশের খেলাধুলাকে আরও উঁচুতে নিয়ে যেতে বোর্ডকে সহায়তা করবেন।
বিসিবির এই নীতি-নির্ধারকের এমন মন্তব্যের পর আশা করা হচ্ছে, দ্রুতই মিরপুর হোম অফ ক্রিকেটে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সংক্রান্ত জটিলতা কেটে যাবে এবং একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ৮ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার ধুম
- আপনার ফান্ডের কী হবে? বিএসইসির বড় সিদ্ধান্ত
- শেয়ারবাজারে আসছে বড় পরিবর্তন
- ৫ কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা: আসছে ডিভিডেন্ড ও ইপিএস
- বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিএসই সতর্কবার্তা
- ধেয়ে আসছে ‘সুপার এল নিনো’: ১৪০ বছরের রেকর্ড ভাঙার আশঙ্কা
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন
- সময় বাড়ানোর আগে ব্রোকারদের ‘আমলনামা’ চায় বিএসইসি
- আজকের স্বর্ণের দাম: (মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬)
- আবহাওয়ার খবর: তীব্র গরমে বড় সুখবর, ৪ বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস
- দলে ফিরলেন সাব্বির-সৌম্য
- আজকের মালয়েশিয়ান রিংগিত রেট (১৩এপ্রিল ২০২৬)
- আজকের খেলার সময়সূচি:পেশোয়ার বনাম মুলতান
- আর্জেন্টিনার কপালে চিন্তার ভাঁজ: ৩ তারকার চোট!
- আজকের খেলার সময়সূচি:অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ বনাম বার্সেলোনা