MD. Razib Ali
Senior Reporter
টাকা দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়: শিক্ষার্থীরা আবেদন করবেন যেভাবে জানুন
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষ অনুদান প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের এই কর্মসূচির আওতায় সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা এই অনুদানের জন্য মনোনীত হবেন।
মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে আবেদনের দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৭ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ডিজিটাল পদ্ধতিতে তাদের দরখাস্ত জমা দিতে পারবেন।
নিবন্ধনের প্রক্রিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
অনুদানের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে অনলাইনে। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান বা রেজিস্টারকে www.mygov.bd পোর্টালে গিয়ে প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ব্যানবেইস-এর ‘বার্ষিক শিক্ষা জরিপ-২০২৫’-এ ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। এরপর প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর দিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করলেই আবেদনের যোগ্য হওয়া যাবে।
তিনটি ক্যাটাগরিতে মিলবে অনুদান
১. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়:
বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কাঠামোগত উন্নয়নের জন্য এই তহবিল ব্যবহার করতে পারবে। মেরামত, আসবাবপত্র কেনা, আধুনিক পাঠাগার নির্মাণ কিংবা ক্রীড়া সামগ্রী সংগ্রহের জন্য এই অনুদান প্রযোজ্য। তবে প্রতিবন্ধীবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং দুর্গম এলাকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
২. শিক্ষক ও কর্মচারী পর্যায়:
বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের জটিল ব্যাধি বা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার চিকিৎসার জন্য সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইতে পারবেন। আবেদনের সাথে চিকিৎসক ও সরকারি হাসপাতালের প্রত্যয়নপত্র এবং জাতীয় পরিচয়পত্র সংযুক্ত করা আবশ্যক।
৩. শিক্ষার্থী পর্যায়:
স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ব্যয় নির্বাহ ও চিকিৎসার জন্য অনুদান পাবে। এ ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া, মেধাবী, প্রতিবন্ধী এবং তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীরা বিশেষ গুরুত্ব পাবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিকের জন্য জন্মনিবন্ধন ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশপত্র এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক।
অর্থ প্রাপ্তি ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অনুদানের অর্থ সরাসরি সুবিধাভোগীর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দেওয়া হবে। এ জন্য আবেদনের সময় এমআইসিআর (MICR) চেকের পিডিএফ কপি আপলোড করতে হবে।
মনে রাখার মতো কিছু শর্তাবলী
মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে যে, অসম্পূর্ণ আবেদন বা হাতে লেখা কোনো কপি গ্রহণ করা হবে না। এছাড়া:
প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারীরা এই সুবিধা জীবনে মাত্র একবারই গ্রহণ করতে পারবেন।
শিক্ষার্থীরা তাদের পুরো শিক্ষাজীবনে প্রতি ৩ বছর অন্তর একবার আবেদনের সুযোগ পাবেন।
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সনদ থাকা বাধ্যতামূলক।
আবেদনের শর্তাবলী ও বিস্তারিত গাইডলাইন জানতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.shed.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের ভুল তথ্য প্রদান করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- শেয়ারবাজারে চীনের বিশাল বিনিয়োগ: ডিএসইর বড় খবর
- ১৮ কোটি টাকার শেয়ার পেলেন মন্ত্রী আফরোজা খানম
- বিএসইসির বড় অ্যাকশন: নিষিদ্ধ ফারইস্ট লাইফের অডিটর
- শেয়ারবাজারে কারসাজি রুখতে আসছে বিশেষ কমিশন
- আর্জেন্টিনার পরবর্তী দুই ম্যাচের সময়সূচি ঘোষণা দেখুন প্রতিপক্ষ যারা
- মুন্নু গ্রুপের ৩ কোম্পানির মালিকানায় বড় পরিবর্তন
- আজকের স্বর্ণের দাম: (শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬)
- বার্জার পেইন্টসের রাইট শেয়ার তহবিলের সময় বাড়াল বিএসইসি
- সাকিবকে ফেরানো নিয়ে আসিফ আকবরের ‘গোপন খেলা’ ফাঁস!
- সিটি ব্যাংকের রেকর্ড মুনাফা: আয় ছাড়ালো ১৩০০ কোটি
- আজকের খেলার সময়সূচী:কোয়েটা বনাম রাওয়ালপিন্ডি
- স্কুল-কলেজে টানা ৫ দিনের বড় ছুটি
- আসছে ৪ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- শুক্র ও শনিবার ২০ ঘণ্টা সরবরাহ বন্ধ থাকবে দেশের যেসব এলাকায়
- বিনা খরচে মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ, খরচ দেবে মালিক পক্ষ!