পদ্মা ব্যাংক কেন বন্ধের পথে, সামনে যে সিদ্ধান্ত
প্রায় ৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ, সঞ্চিত লোকসান, মূলধন ঘাটতি এবং দীর্ঘদিনের তারল্য সংকটে কার্যত অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে পদ্মা ব্যাংক পিএলসি। পরিস্থিতি সামাল দিতে নতুন করে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা সহায়তা চাইলেও তাতে সাড়া দেয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন ব্যাংকটিকে স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে অবসায়নের মাধ্যমে গুটিয়ে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চলতি অক্টোবরেই এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নেওয়ার বিষয়টি সভায় তোলা হতে পারে।
পর্ষদের অনুমোদন পাওয়া গেলে শুরু হবে পদ্মা ব্যাংক বন্ধের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। তবে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব শুধু ব্যাংকটির ওপর সীমাবদ্ধ থাকবে না। কারণ, এর ৬০টি শাখা, ১৪টি উপশাখা ও ৬টি এজেন্ট আউটলেটের পাশাপাশি প্রায় ১ হাজার ৬০০ কর্মী রয়েছেন। একই সঙ্গে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় সংস্থার প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা আমানতও ব্যাংকটিতে রয়েছে।
সংকটের কেন্দ্রে খেলাপি ঋণ
পদ্মা ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা উঠে এসেছে ঋণের হিসাবে। গত জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা।
এই খেলাপি ঋণের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ৯৩৩ কোটি টাকা শ্রেণিবদ্ধ খেলাপি। মোট ঋণের প্রায় ৯০ শতাংশই খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। এক বছর আগেও পরিস্থিতি খুব একটা আলাদা ছিল না। আগের বছরের জুনে খেলাপি ঋণ ছিল প্রায় ৫ হাজার ১৩১ কোটি টাকা, যা তখন ব্যাংকটির মোট ঋণের ৯১ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
ঋণ পুনঃতফসিল ও এক্সিট কর্মসূচির আওতায় কিছু টাকা আদায় হওয়ায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ সামান্য কমেছে। কিন্তু এই আদায় ব্যাংকটির সামগ্রিক আর্থিক দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট হয়নি।
আমানত ফেরত দেওয়ার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন
পদ্মা ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নিয়ে সর্বশেষ আলোচনায় শুধু তারল্য নয়, আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার সক্ষমতাও গুরুত্ব পেয়েছে। গত বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে ব্যাংকের বর্তমান তারল্য পরিস্থিতি, খেলাপি ঋণ, আমানত ফেরতের সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় পর্যালোচনা করা হয়। কিন্তু সেখান থেকে সংকট উত্তরণের জন্য কার্যকর ও নির্দিষ্ট কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।
এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে ব্যাংকটিকে আগের মতো পরিচালনা করে যাওয়ার বিষয়টি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
কেন ৫ হাজার কোটি টাকাও দেওয়া হলো না
সংকট কাটাতে পদ্মা ব্যাংক প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা সহায়তার আবেদন করেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, নতুন করে তারল্য সরবরাহ করলেই পদ্মা ব্যাংকের মূল সংকট দূর হবে না। বিপুল খেলাপি ঋণ, জমে থাকা লোকসান এবং মূলধনের ঘাটতি—এই তিনটি বড় সমস্যা একসঙ্গে রয়ে গেছে।
এর আগে ব্যাংকটিকে টিকিয়ে রাখতে পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। পাশাপাশি দেওয়া হয়েছিল বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা। কিন্তু এত কিছুর পরও তারল্য সংকট থেকে বের হতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।
সরকারি খাতের অর্থও রয়েছে ব্যাংকটিতে
পদ্মা ব্যাংক অবসায়নের পথে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হবে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অর্থ ফেরত পাওয়া। ব্যাংকটির হিসাবে প্রায় ৪৩টি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা সেখানে জমা রয়েছে।
এই তালিকায় সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, তিতাস গ্যাস, বিটিআরসি, মোংলা বন্দর এবং চট্টগ্রাম বন্দরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড ও সংশ্লিষ্ট ট্রাস্টের প্রায় ৭৬০ কোটি টাকাও পদ্মা ব্যাংকে রয়েছে। ব্যাংকটি গুটিয়ে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হলে এসব অর্থ কীভাবে ফেরত দেওয়া হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
একীভূত করার বিকল্পও সহজ নয়
পদ্মা ব্যাংককে অন্য কোনো ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করে সংকট সামাল দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে জটিলতার মধ্যে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিপুল খেলাপি ঋণ এবং দীর্ঘদিনের লোকসানের দায় নিতে অন্য ব্যাংকগুলো আগ্রহী নয়।
এর আগে এক্সিম ব্যাংককে সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই উদ্যোগ সফল হয়নি। ফলে পদ্মা ব্যাংকের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা কঠিন হতে পারে।
এই বাস্তবতায় ব্যাংকটির প্রকৃত সম্পদ ও দায় কত, ঋণপোর্টফোলিওর প্রকৃত অবস্থা কী এবং কোন সম্পদ থেকে অর্থ আদায় করা সম্ভব—এসব নির্ধারণকে এখন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে বড় খেলাপিদের কাছ থেকে পাওনা আদায়ের উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হচ্ছে।
যে ব্যাংকটি একসময় ফারমার্স ব্যাংক ছিল
পদ্মা ব্যাংকের বর্তমান সংকটের ইতিহাস কয়েক বছর আগেই শুরু হয়েছিল। ২০১৩ সালে ‘দ্য ফারমার্স ব্যাংক’ নামে কার্যক্রম শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। এরপর অনিয়ম, দুর্নীতি ও আর্থিক সংকটে ব্যাংকটির কার্যক্রম বড় ধরনের সমস্যায় পড়ে।
সংকট মোকাবিলায় তখন পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়। নাম পরিবর্তনের পাশাপাশি মূলধন জোগান এবং অন্যান্য নীতিগত পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি ‘ফারমার্স ব্যাংক’ নাম বদলে ‘পদ্মা ব্যাংক’ করা হয়।
তবে নাম ও পরিচালনা কাঠামো পরিবর্তনের পরও আর্থিক সংকট দূর হয়নি। সময়ের সঙ্গে খেলাপি ঋণ ও লোকসানের চাপ বরং আরও বেড়েছে।
৭১৫ কোটি টাকা মূলধন জোগান দিয়েছিল রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো
২০১৯ সালে ব্যাংকটিকে নতুন করে মূলধন দিতে এগিয়ে এসেছিল রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো। সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক এবং রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ সংস্থা আইসিবি মিলিয়ে পদ্মা ব্যাংকে ৭১৫ কোটি টাকা মূলধন জোগান দেওয়া হয়েছিল।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ওই বিনিয়োগের অর্থ এখনো ফেরত পাওয়া যায়নি। ফলে অবসায়ন হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের পাশাপাশি তাদের আমানতের অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়টিও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান জানিয়েছেন, ব্যাংকটির আমানত ও মূলধন প্রায় শেষ হয়ে গেছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সঞ্চিত লোকসানের পরিমাণ ব্যাংকের সম্পদ ও দায়ের পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গেছে।
তিনি জানান, এই মুহূর্তে কর্মকর্তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ঋণ আদায়। ব্যয় কমানোর নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাতে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি।
শুধু নাম বদলালেই সংকট কাটে না
ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, পদ্মা ব্যাংকের মতো দুর্বল আর্থিক অবস্থায় থাকা প্রতিষ্ঠানে নতুন করে তারল্য ঢাললেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। প্রথমেই ব্যাংকটির প্রকৃত আর্থিক অবস্থার পরিষ্কার চিত্র বের করা প্রয়োজন।
এরপর ঋণপোর্টফোলিওর মান যাচাই, বড় খেলাপিদের সম্পদ শনাক্ত করা, দ্রুত আদায়যোগ্য অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ এবং মূলধনের প্রকৃত ঘাটতি কত—এসব বিষয় নিরূপণ করা দরকার বলে তারা মনে করেন।
তাদের মতে, শুধু পরিচালনা পর্ষদ পরিবর্তন বা প্রতিষ্ঠানের নাম বদলে দুর্বল ব্যাংকের আর্থিক ভিত শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। খেলাপি ঋণ আদায়, মূলধন পুনর্গঠন এবং আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার কার্যকর ব্যবস্থা না থাকলে সংকট থেকেই যেতে পারে।
এখন সামনে অবসায়নের প্রক্রিয়া
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের জন্য স্বেচ্ছায় পদ্মা ব্যাংকের দায়িত্ব নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, মন্দ ঋণ, পুঞ্জীভূত লোকসান ও মূলধন ঘাটতির কারণে ব্যাংকটিকে স্বাভাবিক ব্যবস্থায় পুনরুদ্ধার করা কঠিন। একই কারণে ব্যাংকটি চালু রাখা কিংবা অন্য ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার পথও অত্যন্ত কঠিন।
সবকিছু বিবেচনায় পদ্মা ব্যাংককে গুটিয়ে ফেলা বা লিকুইডেশনের পথই সামনে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এখন সেই উদ্যোগ বাস্তব রূপ পাবে কি না, তার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন। চলতি অক্টোবরেই বিষয়টি সভায় উঠলে সেখানকার সিদ্ধান্তের ওপরই পরবর্তী কার্যক্রম নির্ভর করবে।
FAQ
প্রশ্ন: পদ্মা ব্যাংক কেন বন্ধ বা অবসায়নের পথে?
উত্তর: দীর্ঘদিনের তারল্য সংকট, বিপুল খেলাপি ঋণ, পুঞ্জীভূত লোকসান ও মূলধন ঘাটতির কারণে ব্যাংকটির আর্থিক সংকট গভীর হয়েছে। সংকট কাটাতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় অবসায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
প্রশ্ন: পদ্মা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কত?
উত্তর: গত জুন পর্যন্ত পদ্মা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ৯৩৩ কোটি টাকা শ্রেণিবদ্ধ খেলাপি ঋণ।
প্রশ্ন: পদ্মা ব্যাংকে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কত টাকা আছে?
উত্তর: প্রায় ৪৩টি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যাংকটিতে জমা রয়েছে। এর বাইরে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড ও সংশ্লিষ্ট ট্রাস্টের প্রায় ৭৬০ কোটি টাকা রয়েছে।
প্রশ্ন: পদ্মা ব্যাংকের কতগুলো শাখা রয়েছে?
উত্তর: বর্তমানে ব্যাংকটির ৬০টি শাখা, ১৪টি উপশাখা এবং ৬টি এজেন্ট আউটলেট রয়েছে। কর্মরত জনবল প্রায় ১ হাজার ৬০০।
প্রশ্ন: পদ্মা ব্যাংকের আগের নাম কী ছিল?
উত্তর: ব্যাংকটি ২০১৩ সালে ‘দ্য ফারমার্স ব্যাংক’ নামে যাত্রা শুরু করে। ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি এর নাম পরিবর্তন করে ‘পদ্মা ব্যাংক’ করা হয়।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আর্জেন্টিনা-বুরকিনা ফাসো ম্যাচ ৪ তারিখ সকালে, দেখবেন যেভাবে লাইভ
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ৫টি দেশের টাকার মান
- আর্জেন্টিনা বনাম বুরকিনা ফাসো ম্যাচ কখন, কোথায়, কীভাবে দেখবেন লাইভ
- ব্রাজিল বনাম ভারত: কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ
- ভারত বনাম ব্রাজিল ম্যাচ আজ: লাইভ দেখার উপায় ও সময়সূচি
- ভারত বনাম ব্রাজিল ম্যাচ আজ: লাইভ দেখার সহজ উপায়
- ব্রাজিল বনাম ভারত: শেষ পর্যন্ত কী হলো ম্যাচে, জানুন ফলাফল
- চলছে ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল: সরাসরি দেখুন Live
- আজ ১০/০৩/২০২৬ তারিখ: ১৮ ক্যারেট, ২১ ক্যারেট, ২২ ক্যারেট সোনার দাম
- আজকের টাকার রেট কত: বাড়লো ২০টি দেশের টাকার মান
- বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা: তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে কে জিতল?