ঢাকা, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সিজদায়ে সাহু কখন ওয়াজিব? কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ০৪ ২০:১৫:২০
সিজদায়ে সাহু কখন ওয়াজিব? কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

নামাজ আদায়ের সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো ভুল হয়ে গেলে অনেক মুসল্লিই বুঝতে পারেন না—নামাজ কি আবার পড়তে হবে, নাকি সিজদায়ে সাহু করলেই হবে। বিশেষ করে কোনো ওয়াজিব কাজ ভুলে যাওয়া, রাকাত নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়া কিংবা নামাজের কোনো অংশ আগে-পরে হয়ে গেলে সিজদায়ে সাহুর বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সহিহ হাদিসে এমন ভুলের ক্ষেত্রে দুইটি অতিরিক্ত সিজদা করার দৃষ্টান্ত রয়েছে।

কোরআনে নামাজ যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও আদায়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নামাজসমূহের প্রতি যত্নবান হও’ এবং তাঁর সামনে বিনীতভাবে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন। আর নামাজে ভুল হলে কীভাবে তা সংশোধন করতে হবে, তার বিস্তারিত বাস্তব নির্দেশনা পাওয়া যায় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহতে।

সিজদায়ে সাহু কী?

‘সাহু’ অর্থ ভুলে যাওয়া বা অসতর্কতা। নামাজের মধ্যে অনিচ্ছাকৃত ভুল-ত্রুটি হলে তা পূরণের জন্য যে দুটি সিজদা করা হয়, তাকে সিজদায়ে সাহু বলা হয়।

এটি নামাজের স্বাভাবিক দুই সিজদার অতিরিক্ত দুই সিজদা। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে নামাজে ভুল হওয়ার পর সিজদায়ে সাহু করেছেন—সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমের একাধিক হাদিসে এর প্রমাণ রয়েছে।

নামাজে কখন সিজদায়ে সাহু দিতে হয়?

সিজদায়ে সাহুর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নামাজের সব ধরনের ভুলের জন্য এটি করতে হয় না। ভুলের ধরন অনুযায়ী বিধান আলাদা।

হানাফি ফিকহ অনুযায়ী, নামাজের কোনো ওয়াজিব আমল ভুলে বাদ পড়ে গেলে, অথবা কোনো ওয়াজিব কাজ নির্ধারিত স্থান থেকে বিলম্বিত বা আগে-পরে হয়ে গেলে সাধারণত সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয়।

যেমন—

প্রথম বৈঠক অর্থাৎ দুই রাকাতের পরের কায়দায়ে উলা ভুলে ছেড়ে দেওয়া;

নামাজের কোনো ওয়াজিব কাজ ভুলে বাদ দেওয়া;

কোনো ওয়াজিব আমল অযথা বিলম্বিত করা;

নামাজের রাকাতসংখ্যা নিয়ে এমন সন্দেহ হওয়া যার সমাধান নিশ্চিতভাবে করা যাচ্ছে না;

কিরাআতের ক্ষেত্রে এমন ভুল হওয়া, যার কারণে নামাজের কোনো ওয়াজিব আমল যথাস্থানে আদায় না হয়।

তবে শুধু কোরআন তিলাওয়াতে ছোটখাটো ভুল হওয়া বা কোনো সুন্নত বাদ পড়লেই প্রতিবার সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয়ে যায় না।

দুই রাকাতের পর বসতে ভুলে দাঁড়িয়ে গেলে

সিজদায়ে সাহুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আমলেই পাওয়া যায়।

একবার তিনি জোহরের নামাজে দুই রাকাত শেষে যে বৈঠক করার কথা, সেটি না করে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে যান। সাহাবিরাও তাঁর সঙ্গে দাঁড়িয়ে যান। নামাজ শেষ করার পর তিনি দুইটি সিজদা করেন। সহিহ বুখারির বর্ণনায় এসেছে, তিনি সালাম ফেরানোর আগে দুটি সিজদা করেছিলেন।

সহিহ মুসলিমেও একই ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, তিনি দুই রাকাতের পর না বসে দাঁড়িয়ে যাওয়ার পর নামাজ সম্পন্ন করে সালামের আগে দুই সিজদা করেন।

অর্থাৎ, নামাজের প্রথম বৈঠক ভুলে বাদ পড়লে সিজদায়ে সাহুর বিধানটি বিশেষভাবে প্রমাণিত।

তবে কখন দাঁড়িয়ে যাওয়ার পর আবার বসতে হবে আর কখন আর বসা যাবে না—এ বিষয়ে ফিকহের বিস্তারিত বিধান রয়েছে। হানাফি মতে, কেউ পুরোপুরি দাঁড়িয়ে যাওয়ার আগে ভুলটি বুঝতে পারলে ফিরে বসার বিধান রয়েছে; আর পুরোপুরি দাঁড়িয়ে গেলে ফিরে না এসে নামাজ শেষ করে সিজদায়ে সাহু করা হয়।

তিন না চার রাকাত—কত রাকাত পড়েছেন বুঝতে না পারলে

নামাজে অনেকেরই এমন হয়—হঠাৎ মনে হলো, তিন রাকাত পড়েছেন নাকি চার রাকাত, তা নিশ্চিত মনে পড়ছে না।

এ ক্ষেত্রেও রাসুলুল্লাহ (সা.) সিজদায়ে সাহুর নির্দেশ দিয়েছেন। সহিহ মুসলিমে আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, কোনো ব্যক্তি নামাজে সন্দেহে পড়ে গেলে এবং তিন না চার রাকাত পড়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানতে না পারলে, সে যেন নিশ্চিত সংখ্যার ভিত্তিতে নামাজ সম্পন্ন করে এবং সালামের আগে দুইটি সিজদা করে।

সহিহ বুখারিতেও রাকাতসংখ্যা নিয়ে সন্দেহের ক্ষেত্রে দুই সিজদায়ে সাহুর কথা এসেছে।

এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সন্দেহ হলেই ইচ্ছেমতো রাকাত নির্ধারণ করা যাবে না; হাদিসে নিশ্চিত সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নামাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ এসেছে।

নামাজে বেশি রাকাত পড়ে ফেললেও সিজদায়ে সাহু হতে পারে

ভুল করে নির্ধারিত রাকাতের চেয়ে বেশি রাকাত পড়ে ফেললেও সিজদায়ে সাহুর দৃষ্টান্ত রয়েছে।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বর্ণনা করেন, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) পাঁচ রাকাত নামাজ পড়েছিলেন। সাহাবিরা বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, তিনি মানুষের মতোই স্মরণ করেন এবং ভুলেও যান। এরপর তিনি দুইটি সিজদা করেন।

এ ঘটনা থেকে বোঝা যায়, নামাজে অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়ে গেলে সেটি সংশোধনের জন্য সিজদায়ে সাহু শরিয়তে স্বীকৃত পদ্ধতি।

নামাজের কোনো অংশ ভুলে বাদ গেলে কী হবে?

এখানে একটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ। নামাজের ফরজ এবং ওয়াজিব এক বিষয় নয়। কোনো ফরজ কাজ বাদ পড়ে গেলে শুধু সিজদায়ে সাহু করে সাধারণত সেই ঘাটতি পূরণ হয় না। ফরজের ঘাটতি হলে নামাজের বৈধতা নিয়ে আলাদা বিধান প্রযোজ্য হয়।

অন্যদিকে হানাফি ফিকহে নামাজের কোনো ওয়াজিব ভুলে বাদ পড়লে সিজদায়ে সাহু সেই ভুলের প্রতিকার হিসেবে ওয়াজিব হয়।

তাই ‘নামাজে ভুল হয়েছে মানেই সিজদায়ে সাহু’—এমন ধারণা সঠিক নয়। কোন ভুল হয়েছে, সেটিই মূল বিষয়।

সিজদায়ে সাহু কীভাবে করতে হয়?

বাংলাদেশে প্রচলিত হানাফি পদ্ধতি অনুযায়ী, নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ অর্থাৎ ‘আত্তাহিয়্যাতু’ পড়ার পর একদিকে সালাম ফিরিয়ে দুইটি সিজদায়ে সাহু করা হয়। এরপর আবার বসে তাশাহহুদ, দরুদ শরিফ ও দোয়া পড়ে উভয় দিকে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করা হয়।

অর্থাৎ সংক্ষেপে ধাপগুলো হলো—

শেষ বৈঠক → তাশাহহুদ → এক সালাম → দুই সিজদা → আবার বৈঠক → তাশাহহুদ, দরুদ ও দোয়া → দুই সালাম।

তবে বিভিন্ন মাজহাবে সিজদায়ে সাহুর সময় ও পদ্ধতিতে কিছু পার্থক্য রয়েছে। সহিহ হাদিসে কখনো সালামের আগে এবং কখনো সালামের পর সিজদায়ে সাহুর দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।

এ কারণে কোনো একটি পদ্ধতিকেই সব মাজহাবের জন্য একমাত্র পদ্ধতি হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়।

সালামের আগে না পরে—সিজদায়ে সাহু কোথায়?

সিজদায়ে সাহু সালামের আগে এবং সালামের পর—উভয়ভাবেই রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসে প্রমাণিত।

যেমন, দুই রাকাতের পর বসা ভুলে যাওয়ার ঘটনায় তিনি সালামের আগে দুই সিজদা করেছেন।

আবার তিনি দুই রাকাত পড়ে ভুল করে সালাম দেওয়ার পর বাকি নামাজ পূর্ণ করে সালামের পরও দুই সিজদা করেছেন—সহিহ বুখারিতে এ ঘটনার বর্ণনা রয়েছে।

সহিহ মুসলিমেও এমন ঘটনার বর্ণনা পাওয়া যায়, যেখানে নামাজের ঘাটতি পূরণ করার পর সিজদায়ে সাহু করা হয়েছে।

তাই সিজদায়ে সাহুর স্থান নিয়ে হাদিসে একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। মাজহাবভেদে প্রয়োগের পদ্ধতিতে পার্থক্য থাকলেও মূল ভিত্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ।

সিজদায়ে সাহুতে কী পড়তে হয়?

সিজদায়ে সাহুর দুই সিজদায় সাধারণ নামাজের সিজদার মতোই তাকবির বলে সিজদায় যেতে হয় এবং সিজদা করতে হয়। সহিহ বুখারির বর্ণনায় প্রত্যেক সিজদায় তাকবির বলার কথা উল্লেখ রয়েছে।

সিজদায়ে সাহুর জন্য আলাদা কোনো নির্দিষ্ট কোরআনের আয়াত বা বিশেষ দীর্ঘ দোয়া বাধ্যতামূলক—এমন প্রমাণ সহিহ হাদিসে পাওয়া যায় না। সাধারণ সিজদার তাসবিহ পড়া যায়।

ভুলে সিজদায়ে সাহু না করলে কী হবে?

এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। হানাফি ফিকহে কোনো ওয়াজিব ভুলে বাদ পড়ার কারণে সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হওয়ার পর সেটিও যদি ভুলে ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে বিষয়টি গুরুতর। এ অবস্থায় নামাজের হুকুম সম্পর্কে স্থানীয় নির্ভরযোগ্য আলেম বা মুফতির কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিস্থিতি অনুযায়ী মাসআলা জেনে নেওয়া উত্তম। দারুল ইফতা দেওবন্দের একটি ফতোয়ায় এমন নামাজকে পুনরায় আদায়ের কথা বলা হয়েছে, যদি নামাজের সময় অবশিষ্ট থাকে।

কারণ একই ভুলের ক্ষেত্রে কখনো নামাজের ভেতরের অবস্থান, কখন ভুলটি ধরা পড়েছে এবং কী পরিমাণ অংশ সম্পন্ন হয়েছে—এসবের ওপর বিধান পরিবর্তিত হতে পারে।

সিজদায়ে সাহু কি শুধু ভুলে যাওয়ার জন্য?

মূলত ‘সাহু’ অর্থ ভুলে যাওয়া। তবে ফিকহের আলোচনায় নামাজের নির্দিষ্ট ওয়াজিব আমল ভুলে বাদ পড়া, বিলম্বিত হওয়া বা নামাজের কাঠামোয় অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি তৈরি হওয়াও এর আওতায় আসে।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসগুলোতে দেখা যায়, তিনি কখনো বৈঠক বাদ পড়ার কারণে, কখনো রাকাত কম-বেশি হওয়ার কারণে সিজদায়ে সাহু করেছেন।

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজের কোনো ওয়াজিব ছেড়ে দিয়ে পরে সিজদায়ে সাহু করে দিলেই বিষয়টি শেষ হয়ে যায়—এমন ধারণা সঠিক নয়। সিজদায়ে সাহু মূলত অনিচ্ছাকৃত ভুলের প্রতিকার।

কোরআন ও হাদিস থেকে মূল শিক্ষা

কোরআন নামাজের প্রতি সর্বোচ্চ যত্নবান হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নামাজসমূহের প্রতি যত্নবান হও’ এবং তাঁর সামনে বিনীতভাবে দাঁড়াতে বলেছেন।

অন্যদিকে নামাজে মানুষের অনিচ্ছাকৃত ভুল হতে পারে—এ বিষয়টি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহতে বাস্তবভাবে দেখানো হয়েছে। তিনি নিজে ভুলের পর সিজদায়ে সাহু করেছেন এবং সাহাবিদেরও এর নিয়ম শিখিয়েছেন।

তাই নামাজে ভুল হয়ে গেলে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। আবার প্রতিটি ছোটখাটো ভুলকে সিজদায়ে সাহুর কারণ মনে করাও ঠিক নয়। কী ভুল হয়েছে এবং সেটি ফরজ, ওয়াজিব না সুন্নত—এই পার্থক্য বুঝে আমল করাই গুরুত্বপূর্ণ।

এক নজরে: কখন সিজদায়ে সাহু হতে পারে?

নামাজে ভুল হলে সিজদায়ে সাহু আল্লাহর দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী ব্যবস্থা। তবে এর বিধান ভুলের ধরনভেদে আলাদা। সহিহ হাদিসে সালামের আগে ও পরে—দুইভাবেই সিজদায়ে সাহুর প্রমাণ রয়েছে; আর হানাফি ফিকহে নামাজের নির্দিষ্ট ওয়াজিব ভুলে বাদ পড়লে সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হওয়ার বিস্তারিত বিধান রয়েছে।

FAQ

১. সিজদায়ে সাহু কী?

নামাজে নির্দিষ্ট ধরনের অনিচ্ছাকৃত ভুল-ত্রুটি সংশোধনের জন্য যে দুটি অতিরিক্ত সিজদা করা হয়, তাকে সিজদায়ে সাহু বলা হয়।

২. দুই রাকাতের পর বসতে ভুলে গেলে কি সিজদায়ে সাহু করতে হয়?

হানাফি ফিকহে প্রথম বৈঠক ভুলে বাদ পড়লে সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর এমন আমল সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।

৩. তিন না চার রাকাত পড়েছি বুঝতে না পারলে কী করব?

সন্দেহের ক্ষেত্রে নিশ্চিত সংখ্যার ভিত্তিতে নামাজ সম্পন্ন করে সিজদায়ে সাহু করার নির্দেশ সহিহ মুসলিমে এসেছে।

৪. সিজদায়ে সাহু কি সব ধরনের নামাজের ভুলের জন্য করতে হয়?

না। সব ভুলের জন্য সিজদায়ে সাহু প্রযোজ্য নয়। বিশেষ করে হানাফি ফিকহে নামাজের নির্দিষ্ট ওয়াজিব ভুলে বাদ পড়া বা বিলম্বিত হওয়ার মতো ক্ষেত্রে এর বিধান আসে।

৫. সিজদায়ে সাহু সালামের আগে নাকি পরে?

দুইভাবেই রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসে দৃষ্টান্ত রয়েছে। ভুলের ধরন ও মাজহাবের ফিকহি বিধান অনুযায়ী পদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে।

ধর্মীয় আমলের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত কোনো নির্দিষ্ট ভুলের হুকুম জানতে হলে স্থানীয় নির্ভরযোগ্য আলেম/মুফতির কাছে সেই ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে মাসআলা জেনে নেওয়াই নিরাপদ।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ