ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

খতিয়ান, পর্চা নাকি দাগ নম্বর—কোনটি কেন দরকার?

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ০৮ ১১:৪৯:৫৮
খতিয়ান, পর্চা নাকি দাগ নম্বর—কোনটি কেন দরকার?

জমি কেনাবেচা, নামজারি, উত্তরাধিকার কিংবা জমির মালিকানা যাচাই—প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই সামনে আসে খতিয়ান, পর্চা ও দাগ নম্বর। কিন্তু এই তিনটি আসলে কী এবং কোন তথ্যের জন্য কোনটি প্রয়োজন, তা নিয়ে অনেকেরই পরিষ্কার ধারণা নেই। সহজ করে বললে, খতিয়ান হলো জমির স্বত্ব ও সংশ্লিষ্ট তথ্যের রেকর্ড, পর্চা হলো খতিয়ানের অনুরূপ বা নির্যাস কপি, আর দাগ নম্বর হলো মৌজা নকশায় নির্দিষ্ট জমিখণ্ড শনাক্ত করার নম্বর।

জমির কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় এই তিনটি তথ্যকে আলাদা করে বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শুধু একটি নম্বর বা একটি কাগজ দেখেই জমির পুরো অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া ঠিক নয়। সরকারি ভূমি রেকর্ডে মালিকের নাম, জমির অংশ, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণসহ বিভিন্ন তথ্য পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিতভাবে সংরক্ষিত থাকে।

খতিয়ান কী?

খতিয়ান হলো জরিপের মাধ্যমে প্রস্তুত করা ভূমির স্বত্বলিপি বা Record of Rights। এতে নির্দিষ্ট জমির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মালিক বা মালিকদের নাম, তাদের অংশ, মৌজা, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণসহ বিভিন্ন তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে। সরকারি ভূমি রেকর্ডের তথ্য অনুযায়ী, খতিয়ানে মালিকের নাম, মৌজার নাম ও নম্বর, দাগ নম্বর, সংশ্লিষ্ট দাগে জমির পরিমাণ এবং মালিকের প্রাপ্য অংশের মতো তথ্য থাকতে পারে।

অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি কোনো জমির রেকর্ডে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত আছেন এবং ওই রেকর্ডে তার কত অংশ দেখানো হয়েছে—এসব তথ্য বোঝার ক্ষেত্রে খতিয়ান গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন:

মোবাইলেই দেখুন জমির খতিয়ানে নিজের নাম আছে কি না

মালিক মারা গেলে জমি কার নামে হবে? জানুন নামজারির নিয়ম

নামজারি করতে কী কী লাগে? আবেদন থেকে খতিয়ান পাওয়ার নিয়ম

তবে খতিয়ান এক ধরনের নয়। জমির জরিপের সময় ও ধরন অনুযায়ী সিএস, এসএ, আরএস, বিএসসহ বিভিন্ন জরিপের খতিয়ান পাওয়া যেতে পারে। ফলে কোনো জমির কাগজ যাচাইয়ের সময় শুধু ‘খতিয়ান আছে’ বললেই যথেষ্ট নয়; সেটি কোন জরিপের খতিয়ান, সেটিও দেখা প্রয়োজন।

পর্চা আসলে কী?

খতিয়ান ও পর্চা নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি এখানেই। অনেকেই মনে করেন, পর্চা খতিয়ান থেকে সম্পূর্ণ আলাদা কোনো রেকর্ড। বাস্তবে সরকারি ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, খতিয়ানের অনুরূপ বা নির্যাস কপিকে পর্চা বলা হয়। জরিপের রেকর্ড তৈরির বিভিন্ন পর্যায়ে এই কপি ব্যবহার করা হয়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, চূড়ান্ত রেকর্ড প্রকাশের পর জেলা প্রশাসকের রেকর্ড রুমে সংরক্ষিত খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপিকেও পর্চা হিসেবে সংগ্রহ করা যায়। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এ বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে চূড়ান্ত প্রকাশনার পর রেকর্ড জেলা প্রশাসকের দপ্তরে হস্তান্তর করা হয় এবং সেখান থেকে খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি বা পর্চা সংগ্রহ করা যায়।

তাই সহজ ভাষায় বলা যায়—খতিয়ান হলো মূল রেকর্ডের ধারণা, আর পর্চা হলো সেই খতিয়ানের কপি বা নির্যাস কপি হিসেবে ব্যবহৃত নথি।

দাগ নম্বর কী?

দাগ নম্বরকে বলা যায় জমির পরিচয় শনাক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ নম্বর। ভূমি জরিপের সময় একটি মৌজার জমিকে বিভিন্ন প্লটে ভাগ করে নকশা তৈরি করা হয় এবং প্রতিটি প্লটের জন্য দাগ নম্বর দেওয়া হয়।

ধরুন, একটি মৌজার নকশায় আপনার জমিটি ৫২০ নম্বর দাগ হিসেবে চিহ্নিত। ওই ৫২০ নম্বর দাগটি নকশায় জমিটির নির্দিষ্ট অবস্থান ও পরিচয় শনাক্ত করতে সাহায্য করবে।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—দাগ নম্বর নিজে মালিকানার সম্পূর্ণ প্রমাণ নয়। কোনো দাগে কার কত জমি আছে, কোন খতিয়ানে সেই দাগ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অংশ কত—এসব তথ্য খতিয়ানের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হয়।

সরকারি ভূমি মন্ত্রণালয়ের মিউটেশন ব্যবস্থাতেও খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট দাগে জমির পরিমাণ আলাদাভাবে উল্লেখ করার ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনটির পার্থক্য এক নজরে

বিষয়খতিয়ানপর্চাদাগ নম্বর
কী ভূমির স্বত্ব ও সংশ্লিষ্ট তথ্যের রেকর্ড খতিয়ানের অনুরূপ বা নির্যাস কপি নির্দিষ্ট জমিখণ্ড শনাক্ত করার নম্বর
কোথায় বেশি কাজে লাগে মালিকানা-সংক্রান্ত রেকর্ড ও জমির তথ্য যাচাই খতিয়ানের তথ্যের কপি হিসেবে নকশায় নির্দিষ্ট জমি শনাক্ত করতে
এতে কী পাওয়া যায় মালিকের নাম, অংশ, দাগ, জমির পরিমাণসহ তথ্য খতিয়ানের সংশ্লিষ্ট তথ্য জমির নির্দিষ্ট প্লটের নম্বর
নকশার সঙ্গে সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট দাগের তথ্য থাকে খতিয়ানের তথ্য বহন করে মৌজা নকশায় জমির অবস্থান শনাক্ত করে
একা যথেষ্ট? সব ক্ষেত্রে নয় সব ক্ষেত্রে নয় নয়

জমি যাচাইয়ের সময় তিনটি তথ্যই কেন গুরুত্বপূর্ণ?

জমির পরিচয় বোঝার ক্ষেত্রে খতিয়ান, পর্চা ও দাগ নম্বর একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌজা নকশায় প্রতিটি ভূমিখণ্ডকে আলাদা প্লটে বিভক্ত করে দাগ নম্বর দেওয়া হয় এবং নকশা ও পর্চা বা খতিয়ানের সমন্বয়ে ভূমিস্বত্ব শনাক্ত করা হয়।

এ কারণে জমির কাগজ যাচাই করার সময় শুধু বিক্রেতার দেওয়া একটি কাগজ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বরং—

খতিয়ান নম্বর → দাগ নম্বর → জমির পরিমাণ → মালিকের নাম/অংশ → মৌজা ও নকশা

এই তথ্যগুলো পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা উচিত।

খতিয়ানে কী ধরনের তথ্য থাকে?

খতিয়ানের তথ্য জমির রেকর্ড বুঝতে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি নির্দেশনায় খতিয়ানে মালিকদের নাম, তাদের অংশ, দাগের তথ্য, দাগের জমির পরিমাণ এবং জমির শ্রেণিসহ বিভিন্ন তথ্য লিপিবদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে।

ফলে কোনো জমি যাচাইয়ের সময় শুধু মালিকের নাম মিলিয়ে দেখলেই হবে না। সংশ্লিষ্ট দাগে মোট কত জমি রয়েছে এবং রেকর্ড অনুযায়ী ওই মালিকের অংশ কত—সেটিও যাচাই করা দরকার।

একই জমির একাধিক দাগ থাকতে পারে?

হ্যাঁ। একটি খতিয়ানে একাধিক দাগ থাকতে পারে। আবার সরকারি জরিপ-সংক্রান্ত নির্দেশনায় এমন পরিস্থিতির কথাও রয়েছে যেখানে একটি দাগ একাধিক খতিয়ানে রেকর্ড হতে পারে এবং সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট খতিয়ানে ওই দাগের অংশ ও জমির পরিমাণ উল্লেখ থাকে।

তাই শুধু দাগ নম্বর জানলেই কোনো জমির সম্পূর্ণ পরিমাণ বা মালিকানা সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। ওই দাগটি কোন খতিয়ানে কী পরিমাণ জমিসহ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, সেটিও দেখা প্রয়োজন।

পুরোনো ও নতুন দাগ বা খতিয়ান নম্বর কেন আলাদা হতে পারে?

জমির বিভিন্ন সময়ের জরিপে রেকর্ড ও দাগ নম্বরে পরিবর্তন হতে পারে। সরকারি জরিপ নির্দেশিকায় পুরোনো বা ‘সাবেক’ এবং বর্তমান বা ‘হাল’ খতিয়ান ও দাগ নম্বরের মধ্যে সম্পর্ক সংরক্ষণের বিষয়টি উল্লেখ আছে।

এ কারণে পুরোনো দলিলে থাকা দাগ নম্বরের সঙ্গে বর্তমান রেকর্ডের দাগ নম্বর সরাসরি না মিললে জমিটি ভুল—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। প্রয়োজন হলে হাল-সাবেক দাগের সম্পর্ক এবং সংশ্লিষ্ট নকশা ও রেকর্ড যাচাই করতে হবে।

জমি কেনার আগে কী কী মিলিয়ে দেখবেন?

জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে কাগজপত্র যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নিচের বিষয়গুলো মিলিয়ে দেখা যেতে পারে—

জমির মৌজা ও জেএল নম্বর সঠিক কি না

সংশ্লিষ্ট খতিয়ান নম্বর কোন জরিপের

খতিয়ানে মালিক বা মালিকদের নাম কী

সংশ্লিষ্ট দাগ নম্বর কী

ওই দাগে মোট জমির পরিমাণ কত

সংশ্লিষ্ট মালিকের অংশ কত

দলিলের তথ্যের সঙ্গে খতিয়ানের তথ্যের মিল আছে কি না

পুরোনো ও বর্তমান দাগের মধ্যে কোনো পরিবর্তন থাকলে তার কারণ কী

জমির নকশায় সংশ্লিষ্ট দাগের অবস্থান ঠিক আছে কি না

প্রয়োজনে নামজারি ও অন্যান্য ভূমি রেকর্ডও যাচাই করা হচ্ছে কি না

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল ব্যবস্থায় খতিয়ান ও দাগ নম্বর দিয়ে অনুসন্ধানের সুবিধাও রয়েছে। সরকারি DLRMS প্ল্যাটফর্মে খতিয়ান নম্বর দিয়ে অনুসন্ধানের পাশাপাশি দাগ নম্বর ও মালিকের নাম ব্যবহার করে অধিকতর অনুসন্ধানের ব্যবস্থাও দেখানো হয়েছে।

শুধু পর্চা দেখেই কি জমি কেনা নিরাপদ?

শুধু পর্চা দেখেই জমি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। পর্চা খতিয়ানের কপি বা নির্যাস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও জমির সামগ্রিক অবস্থা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট দলিল, খতিয়ান, দাগ, নকশা, নামজারি এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য রেকর্ড পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা দরকার।

কারণ খতিয়ানে কোনো ভুল থাকলেও সেটি শনাক্ত ও সংশোধনের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনা রয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় খতিয়ানে করণিক ভুল, দাগ নম্বরের ভুল বা অন্য ধরনের ভুল সংশোধনের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার কথাও বলা হয়েছে।

অনলাইনে খতিয়ান ও দাগের তথ্য খোঁজার সুযোগ

বর্তমানে ভূমি-সংক্রান্ত অনেক তথ্য ডিজিটাল ব্যবস্থায় অনুসন্ধান করা যায়। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে খতিয়ান ও ম্যাপ অনুসন্ধানের সেবা রয়েছে। একইভাবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল ভূমি রেকর্ড ব্যবস্থাতেও খতিয়ান অনুসন্ধান এবং দাগ নম্বর ও মালিকের নাম দিয়ে অধিকতর অনুসন্ধানের সুবিধা রয়েছে।

তবে অনলাইনে কোনো তথ্য পাওয়া গেলেই সেটিকে যাচাই না করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে জমি কেনাবেচা বা মালিকানা নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডের নির্ভরযোগ্য কপি এবং প্রয়োজনীয় আইনগত নথি যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

সহজভাবে মনে রাখুন

জমির এই তিনটি বিষয় মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো—

খতিয়ান = জমির স্বত্ব ও রেকর্ডের তথ্য

পর্চা = খতিয়ানের কপি বা নির্যাস

দাগ নম্বর = নকশায় জমির নির্দিষ্ট খণ্ড শনাক্ত করার নম্বর

অর্থাৎ, দাগ নম্বর দিয়ে জমিখণ্ডকে চেনা যায়, খতিয়ান দিয়ে সেই জমির রেকর্ডের বিভিন্ন তথ্য জানা যায় এবং পর্চা সেই খতিয়ানের কপি বা নির্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই জমির কাগজপত্র যাচাইয়ের ক্ষেত্রে তিনটির সম্পর্ক বোঝা যেমন জরুরি, তেমনি একটির তথ্য অন্যটির সঙ্গে মিলিয়ে দেখাও গুরুত্বপূর্ণ।

FAQ

প্রশ্ন: খতিয়ান ও পর্চা কি একই জিনিস?

উত্তর: পুরোপুরি একই শব্দের অর্থে ব্যবহার না হলেও দুটির সম্পর্ক খুব ঘনিষ্ঠ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী খতিয়ানের অনুরূপ বা নির্যাস কপিকে পর্চা বলা হয়। চূড়ান্ত রেকর্ডের খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপিও পর্চা হিসেবে সংগ্রহ করা যায়।

প্রশ্ন: দাগ নম্বর দিয়ে কী জানা যায়?

উত্তর: দাগ নম্বর মৌজা নকশায় নির্দিষ্ট জমিখণ্ড শনাক্ত করতে সাহায্য করে। তবে শুধু দাগ নম্বর দিয়ে সম্পূর্ণ মালিকানা বা জমির সব তথ্য জানা যায় না; খতিয়ানের তথ্যও মিলিয়ে দেখতে হয়।

প্রশ্ন: খতিয়ানে কি মালিকের নাম থাকে?

উত্তর: হ্যাঁ। খতিয়ানে মালিক বা মালিকদের নাম, অংশ, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণসহ বিভিন্ন তথ্য লিপিবদ্ধ থাকতে পারে।

প্রশ্ন: একটি খতিয়ানে কি একাধিক দাগ থাকতে পারে?

উত্তর: পারে। খতিয়ানে একাধিক দাগের তথ্য থাকতে পারে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে একই দাগ একাধিক খতিয়ানেও রেকর্ড হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট খতিয়ানে দাগের অংশ ও জমির পরিমাণ উল্লেখ থাকে।

প্রশ্ন: জমি কেনার আগে শুধু পর্চা দেখলেই কি হবে?

উত্তর: না। জমি কেনার আগে খতিয়ান, দাগ, নকশা, দলিল, নামজারি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য রেকর্ড পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা নিরাপদ পদ্ধতি। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস বা আইনজীবীর সহায়তায় নথি যাচাই করা উচিত।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ