শেয়ারবাজারে প্রতারণার ঝুঁকি, বিনিয়োগকারীদের পাশে কে?
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের অর্থ আত্মসাৎ বা প্রতারণার শিকার হওয়ার ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও সেই অর্থে পুরো ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে, ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান ও সম্পদ ব্যবস্থাপকদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর কার্যকর নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তামহা সিকিউরিটিজ ও মশিহর সিকিউরিটিজসহ কয়েকটি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সমিতিগুলোর ভূমিকা, অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা এবং ক্ষতিপূরণব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ দেখার মধ্যে সমিতির দায়িত্ব সীমাবদ্ধ থাকলে স্বনিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্য পূরণ হবে না। নীতিমালা লঙ্ঘন, অসদাচরণ ও প্রতারণার অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতাও থাকতে হবে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থকে সদস্যদের স্বার্থের ওপরে স্থান দিতে হবে।
ক্ষতির পুরো অর্থ ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই
প্রতারণা কিংবা অর্থ ও সিকিউরিটিজ আত্মসাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের সহায়তার জন্য দেশে ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ড বা বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল রয়েছে। ২০০০ সালের আগস্টে গঠিত এই তহবিল থেকে নির্দিষ্ট শর্তে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে এর সীমিত আকার বড় অঙ্কের ক্ষতির ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত পাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
তহবিলে অর্থ জমার জন্য ব্রোকারদের প্রতি প্রান্তিকে ৫ হাজার টাকা করে দিতে হয়। পাশাপাশি কনসলিডেটেড কাস্টমারস অ্যাকাউন্টে (সিসিএ) রাখা আমানতের সুদ থেকে অর্জিত অর্থের ২৫ শতাংশ এই তহবিলে স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত একজন বিনিয়োগকারী এখান থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন।
ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তার ব্যবস্থা থাকলেও বড় অঙ্কের অর্থ হারালে পুরো ক্ষতি পূরণের সুযোগ সীমিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শুধু ক্ষতিপূরণ তহবিল থাকাই যথেষ্ট নয়; অনিয়ম প্রতিরোধের ব্যবস্থাও কার্যকর হওয়া প্রয়োজন।
সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই ডিবিএর
ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) থাকলেও সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে সংগঠনটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তামহা সিকিউরিটিজ ও মশিহর সিকিউরিটিজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সংগঠনটির কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে সরাসরি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই। তাঁর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোনো ব্রোকারের লাইসেন্স স্থগিত হলে সেই প্রতিষ্ঠানের ডিবিএ সদস্যপদও স্থগিত থাকে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা লাইসেন্স বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি জটিল হতে পারে।
বিএসইসির এক কর্মকর্তার বক্তব্যেও ডিবিএর কার্যক্রমের সীমাবদ্ধতার বিষয়টি উঠে এসেছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে ব্রোকার ও সম্পদ ব্যবস্থাপকদের সংগঠন প্রাথমিক পর্যায়ে তদারকির দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু বাংলাদেশে ডিবিএর মূল মনোযোগ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায়। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি লেনদেনের ক্ষেত্রে উচ্চতর ফ্রি-লিমিটের সুযোগ বাড়ানোর দাবির কথা উল্লেখ করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি অভিযোগ যাচাই ও অনিয়ম প্রতিরোধে সমিতিগুলোর কার্যকর ভূমিকা থাকা জরুরি। অন্যথায় সংগঠন থাকার পরও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় তার প্রত্যাশিত প্রভাব নাও পড়তে পারে।
সম্পদ ব্যবস্থাপকদের সংগঠনেও কার্যকর সমন্বয়ের অভাব
ব্রোকারদের পাশাপাশি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের কার্যকারিতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। বাংলাদেশে অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ডস থাকলেও সংগঠনটি প্রায় নিষ্ক্রিয়। সম্পদ ব্যবস্থাপকদের বড় একটি অংশও এর সদস্য হতে আগ্রহী নয়।
এর পেছনে সংগঠনটির ভোট দেওয়ার কাঠামোকে একটি কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সেখানে প্রতিটি মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য একটি ভোট নির্ধারিত রয়েছে। ফলে বেশি সম্পদ পরিচালনা করা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রভাব তুলনামূলক বেশি হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এ ধরনের কাঠামোয় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পেতে পারে এবং তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম যথাযথ গুরুত্ব না পাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
বিদ্যমান সংগঠনের সীমাবদ্ধতা কাটাতে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন একটি সমিতি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সেই উদ্যোগে সম্মতি দেয়নি। এ অবস্থায় বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান জানিয়েছেন, সম্পদ ব্যবস্থাপকদের জন্য কার্যকর ও প্রাণবন্ত একটি সমিতি গঠনের সুযোগ তৈরিতে কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন জানাবে।
মাসুদ খানের মতে, স্বনিয়ন্ত্রণব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে সংগঠনগুলোকে সদস্যদের স্বার্থের পরিবর্তে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শুধু ভালো চর্চায় উৎসাহ দেওয়া নয়, নীতিমালা ভঙ্গ বা অসদাচরণের ঘটনায় সদস্যপদ বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও স্বনিয়ন্ত্রণের অংশ।
মিউচুয়াল ফান্ডে সম্পদের বড় অংশ ওপেন-এন্ড ব্যবস্থায়
সম্পদ ব্যবস্থাপকদের একাংশের মতে, প্রতারণার ঘটনা প্রধানত মেয়াদি বা ক্লোজড-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে বেশি ঘটেছে। বর্তমানে এ ধরনের ফান্ডের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাও নতুন ক্লোজড-এন্ড ফান্ডের অনুমোদন দেওয়া বন্ধ করেছে।
এর বিপরীতে বর্তমানে উন্মুক্ত বা ওপেন-এন্ড ফান্ডের আধিক্য রয়েছে। এসব ফান্ডে বিনিয়োগকারীরা নিট সম্পদমূল্য বা এনএভির ভিত্তিতে যেকোনো সময় ইউনিট বিক্রি করে অর্থ তুলে নিতে পারেন। ফান্ড ব্যবস্থাপকদের দাবি, বিনিয়োগ প্রত্যাহারের এই সুযোগ থাকায় ওপেন-এন্ড ফান্ডে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ তুলনামূলক কম।
চলতি বছরের জুন পর্যন্ত দেশের মিউচুয়াল ফান্ড খাতে মোট ১৩ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ছিল। এর মধ্যে ওপেন-এন্ড ফান্ডের আওতায় ছিল ৯ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা।
এদিকে বিএসইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মিউচুয়াল ফান্ডের বিদ্যমান বিধিমালায় কাস্টডিয়ান বা সম্পদ সংরক্ষণকারীদের দায়িত্বের পরিধি বাড়ানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফিনরা কীভাবে ব্যবস্থা নেয়
ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ফিন্যান্সিয়াল ইন্ডাস্ট্রি রেগুলেটরি অথরিটি (ফিনরা) একটি উদাহরণ। ব্রোকারদের অর্থায়নে পরিচালিত হলেও সংস্থাটির প্রধান উদ্দেশ্য বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা দেওয়া এবং সিকিউরিটিজ খাতে ন্যায়সংগত ও সৎ কার্যক্রম নিশ্চিত করা।
প্রতারণা, অনৈতিক আচরণ কিংবা গ্রাহকের সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগে বিভিন্ন ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ বাতিল করেছে ফিনরা। ২০২৩ সালে এসডব্লিউ ফাইন্যান্সিয়ালকে বহিষ্কারের ঘটনাও এর মধ্যে রয়েছে।
প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের আগে শেয়ারসংক্রান্ত বিনিয়োগে পারিশ্রমিকের বিষয়ে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করা, অতিরিক্ত লেনদেন এবং প্রতিনিধিদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে ব্যর্থতার কারণে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় এ ধরনের উদাহরণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কারণ কার্যকর স্বনিয়ন্ত্রণের জন্য অভিযোগ শনাক্ত করার পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতাও প্রয়োজন।
বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে কী প্রয়োজন
বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান সমিতিগুলোর সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, ব্রোকার ও সম্পদ ব্যবস্থাপকদের সংগঠনকে কার্যকর করতে হলে নীতিমালা তৈরি, তা বাস্তবায়ন, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিলের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় ক্ষতিপূরণব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ বড় অঙ্কের ক্ষতির ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়।
সব মিলিয়ে, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার চ্যালেঞ্জ শুধু প্রতারণার ঘটনা ঘটার পর ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সমিতিগুলোর জবাবদিহি, কার্যকর তদারকি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আরও শক্তিশালী ক্ষতিপূরণব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
FAQ: সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
১. বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল থেকে সর্বোচ্চ কত টাকা পাওয়া যায়?
ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা এই তহবিল থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন।
২. ব্রোকারদের তহবিলে কত টাকা জমা দিতে হয়?
প্রতি প্রান্তিকে ৫ হাজার টাকা জমা দিতে হয়। পাশাপাশি সিসিএতে রাখা আমানতের সুদ থেকে অর্জিত অর্থের ২৫ শতাংশ তহবিলে স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।
৩. জুন পর্যন্ত দেশের মিউচুয়াল ফান্ড খাতে কত সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ছিল?
চলতি বছরের জুন পর্যন্ত মোট ১৩ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ছিল। এর মধ্যে ওপেন-এন্ড ফান্ডের আওতায় ছিল ৯ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা।
৪. ওপেন-এন্ড ফান্ড থেকে বিনিয়োগকারীরা কীভাবে অর্থ ফেরত পান?
তারা নিট সম্পদমূল্য বা এনএভির ভিত্তিতে যেকোনো সময় ইউনিট বিক্রি করে অর্থ তুলে নিতে পারেন।
৫. ডিবিএ কেন সদস্যদের বিরুদ্ধে সরাসরি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে না?
ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলামের বক্তব্য অনুযায়ী, সংগঠনটির এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই। ব্রোকারের লাইসেন্স স্থগিত হলে সদস্যপদও স্থগিত হয়; তবে লাইসেন্স বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি জটিল হতে পারে।
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আপনার নামে কত জমি আছে, কোথায় কোথায় আছে—অনলাইনে জানবেন যেভাবে
- জমির নামজারি করতে কী কী লাগে, খরচ কত ও সময় কত দিন?
- ৬ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- Honor Magic9 Pro Max: ৮৮০০mAh ব্যাটারি ও ডুয়াল ২০০MP ক্যামেরা
- আজকের সোনার দাম: ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের নতুন দর
- ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করবেন যেভাবে, জানুন নিয়ম
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ৩টি দেশের টাকার মান
- আজ ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট সোনার দাম কত? দেখুন তালিকা
- বর্তমানে vivo-এর সেরা ৫ ফোন: কোনটার দাম কত, কেন সেরা?
- আজকের সোনার দাম: প্রতি ভরি ১৮, ২১, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কত
- iQOO Neo 12: ১৮৫Hz ডিসপ্লে ও ৯০০০mAh ব্যাটারির চমক
- আজকের সোনার দাম কত? ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের নতুন দর
- অনলাইনে জমির নামজারি করবেন যেভাবে, খরচ ১১৭০ টাকা
- জিকিউ বলপেনের ১২.৫০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা
- জমির নামজারি করতে কত টাকা লাগে? জানুন পুরো নিয়ম