ঢাকা, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ক্ষমতা কি শেষ? সামনে ৩ বড় সংকট

বিশ্ব ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৬ ২১:৪৫:৪০
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ক্ষমতা কি শেষ? সামনে ৩ বড় সংকট

বছরে প্রায় ৮৩ বিলিয়ন ডলার সামরিক ব্যয়, তেলের বিকল্প অর্থনীতি গড়তে বিশাল বিনিয়োগ এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক—সৌদি আরবের শক্তির পেছনে রয়েছে বড় অঙ্কের অর্থ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। কিন্তু এত আয়োজনের পরও ইয়েমেনে হুথিদের পরাজিত করা যায়নি, ব্যয়বহুল নগর উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে দেখা দিয়েছে আর্থিক প্রশ্ন, আর আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিও রয়ে গেছে অনিশ্চিত।

এই পরিস্থিতিতে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে এসব সংকট থেকে তাঁর ক্ষমতার অবসান আসন্ন—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। বরং বড় প্রশ্ন হলো, সামরিক ব্যয়, অর্থনৈতিক উচ্চাভিলাষ এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার চাপ সামলে তিনি সৌদি আরবকে কতটা স্থিতিশীল রাখতে পারবেন।

১. বিপুল সামরিক ব্যয়, তবু ইয়েমেন যুদ্ধের লক্ষ্য অধরা

সৌদি আরবের সামরিক শক্তি ও প্রতিরক্ষা ব্যয়ের পরিমাণ বড় হলেও ইয়েমেন সংঘাত দেশটির কৌশলগত সীমাবদ্ধতা সামনে এনেছে। ২০১৫ সালে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বাধীন সৌদি জোট হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। লক্ষ্য ছিল হুথিদের পরাজিত করে ইয়েমেনে সৌদি আরবের অনুকূল সরকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু দীর্ঘ সংঘাতের পরও সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।

সৌদি আরব বছরে প্রায় ৮৩ বিলিয়ন ডলার প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করে, যা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৬ শতাংশ। এত বড় ব্যয়ের পরও হুথিদের মোকাবিলা করতে গিয়ে সৌদি আরবকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে থাকতে হচ্ছে।

এর একটি কারণ আধুনিক যুদ্ধের পরিবর্তিত ধরন। প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে সব সময় বিপুল অর্থে কেনা উন্নত অস্ত্রের প্রয়োজন হয় না; তুলনামূলক কম খরচের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েও শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করা সম্ভব। ফলে প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ালেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

ইয়েমেন যুদ্ধের মূল্যও শুধু সামরিক ব্যয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘ সংঘাতে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে। একই সঙ্গে এত বছর যুদ্ধ চালিয়ে সৌদি আরব তার মূল লক্ষ্য কতটা অর্জন করতে পেরেছে, সেই প্রশ্নও থেকে গেছে। এই অভিজ্ঞতা দেশটির সামরিক কৌশল ও আঞ্চলিক নীতির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন সামনে এনেছে।

২. ভিশন ২০৩০: তেলের বিকল্প অর্থনীতি গড়ার কঠিন পথ

মোহাম্মদ বিন সালমানের সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাগুলোর একটি হলো ভিশন ২০৩০। এর লক্ষ্য তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌদি আরবের অর্থনীতিকে নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো। পর্যটন, প্রযুক্তি, বিনোদন ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে আয়ের বিকল্প উৎস তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বের জ্বালানি চাহিদা ও তেলের ওপর নির্ভরতা ভবিষ্যতে বদলে গেলে সৌদি আরবের প্রচলিত আয়ের উৎসেও পরিবর্তন আসতে পারে। সে কারণে অর্থনীতিকে বহুমুখী করার উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই রূপান্তরের জন্য বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন, আর সেই ব্যয়ের বাস্তবতা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।

দ্য লাইন প্রকল্প নিয়ে কেন আলোচনা?

সৌদি আরবের তাবুক অঞ্চলে ভবিষ্যতের বিশাল নগরাঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ নিওম। এর সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগ দ্য লাইন—১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ সরলরেখার মতো একটি শহর নির্মাণের পরিকল্পনা। প্রচলিত নগরজীবনের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুনভাবে শহর গড়ে তোলার ধারণা থেকেই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান এবং নির্মাণ ব্যয় সামলানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। ট্রান্সক্রিপ্টে উল্লেখিত দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনে নিওমের আর্থিক সংকট ও প্রকল্পের পরিসর কমানোর বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অন্য বড় অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার কথাও প্রতিবেদনে এসেছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, দ্য লাইন পুরোপুরি বন্ধ করতে হলে সর্বোচ্চ ১৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে। ফলে যে প্রকল্পকে ভবিষ্যতের অর্থনীতির প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, সেটির আর্থিক বাস্তবতা এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।

এখানেই ভিশন ২০৩০-এর বড় পরীক্ষা। তেলের বিকল্প অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য পূরণ করতে হলে বিনিয়োগের পাশাপাশি প্রকল্পগুলোর ব্যয়, অগ্রাধিকার ও বাস্তবায়নযোগ্যতার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে।

৩. যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারবে?

সৌদি আরবের নিরাপত্তা কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আধুনিক অস্ত্র, সামরিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের ভূমিকা রিয়াদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে দেশগুলোর সম্পর্ক সব সময় একই রকম থাকে না; অনেক সময় জাতীয় স্বার্থই সিদ্ধান্তের প্রধান নিয়ামক হয়ে ওঠে।

ইরানকে ঘিরে সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৌদি আরবের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। এই পথে চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি, সরকারি আয় এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব পড়তে পারে।

একই ধরনের উদ্বেগ রয়েছে বাব আল-মান্দেব প্রণালি ও লোহিত সাগরপথ ঘিরেও। এসব পথে ঝুঁকি বাড়লে তার প্রভাব শুধু নিরাপত্তায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; বাণিজ্য, অর্থনীতি ও বিনিয়োগও চাপের মুখে পড়তে পারে।

অর্থাৎ সৌদি আরবের নিরাপত্তার হিসাব এখন শুধু দেশের সীমান্ত রক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ সচল রাখা, জ্বালানি রপ্তানি বজায় রাখা এবং আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাব সামলানোও দেশটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও এসব ঝুঁকি পুরোপুরি দূর হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

রাজপরিবারের ভেতরে ক্ষমতার সমীকরণও গুরুত্বপূর্ণ

মোহাম্মদ বিন সালমানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে গেলে সৌদি রাজপরিবারের ক্ষমতার কাঠামোও বিবেচনায় নিতে হয়। ঐতিহ্যগতভাবে প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আব্দুল আজিজ ইবনে সৌদের ছেলেদের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তরের রীতি ছিল। কিন্তু ২০১৭ সালে সেই ধারার বাইরে গিয়ে মোহাম্মদ বিন সালমান যুবরাজ হন।

তাঁর বাবা বাদশাহ সালমানের সমর্থনে তিনি ক্ষমতার কেন্দ্রে উঠে আসেন। এর আগে মনোনীত উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন নায়েফকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনের ফলে সৌদি আরবের নেতৃত্বে ক্ষমতা আরও কেন্দ্রীভূত হয়।

ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হতে পারে। তবে রাজপরিবারের ভেতরে ক্ষমতার ভারসাম্য ও অসন্তোষের প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অল্প কয়েকজনের হাতে থাকলে অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের পরিণতি বড় হতে পারে।

২০১৮ সালে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসগির হত্যাকাণ্ড যুবরাজের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা দেয়। সৌদি সরকারের সমালোচক খাসগির হত্যাকাণ্ড পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রিয়াদের সম্পর্কেও চাপ তৈরি করেছিল। ঘটনাটি দেখিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে ক্ষমতা সুসংহত করার রাজনীতির আন্তর্জাতিক মূল্যও থাকতে পারে।

সংকটের পাশাপাশি কূটনৈতিক পথও খোলা রয়েছে

মোহাম্মদ বিন সালমানের শাসনামলকে কেবল ব্যর্থতার গল্প হিসেবে দেখলে পুরো পরিস্থিতি বোঝা যাবে না। কাতারের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ দেখিয়েছে, প্রয়োজন হলে সৌদি নেতৃত্ব নীতিতে পরিবর্তন আনতে পারে।

ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আলোচনাও একসময় গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তবে গাজা যুদ্ধ এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাত সেই সমীকরণকে আরও জটিল করে তোলে।

এসব ঘটনা সৌদি আরবের সামনে থাকা কূটনৈতিক সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা—দুটিই তুলে ধরে। আঞ্চলিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমঝোতার সুযোগ থাকলেও সংঘাতের বিস্তার সেই সুযোগকে সংকুচিত করতে পারে।

সৌদি যুবরাজের সামনে এখন কোন পথ?

মোহাম্মদ বিন সালমানের সামনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো সামরিক ব্যয়, বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং আঞ্চলিক সংঘাতের চাপ একসঙ্গে সামলানো। আগের নীতিতে অটল থাকলে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। অন্যদিকে, প্রকল্প ও ব্যয়ের অগ্রাধিকার পুনর্বিবেচনা করলে সীমিত সম্পদকে আরও বাস্তবসম্মতভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

কোন প্রকল্পে বিনিয়োগ চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন, কোথায় ব্যয় কমানো যায়, তেলের বাইরে কীভাবে নতুন আয়ের উৎস তৈরি করা সম্ভব এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে সংঘাত কীভাবে কমানো যায়—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে সৌদি নেতৃত্বকে।

চতুর্দশ শতকের ইতিহাসবিদ ইবনে খালদুন তাঁর আল-মুকাদ্দিমা গ্রন্থে রাজবংশের উত্থান-পতন নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তাঁর পর্যবেক্ষণে, যোগ্য উত্তরসূরি তৈরি করতে ব্যর্থ হলে শক্তিশালী রাজবংশও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। রাজবংশের স্থায়িত্ব শুধু শাসকের ব্যক্তিগত ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে না; অর্থনীতি, প্রতিষ্ঠান, উত্তরসূরি এবং জনগণের আস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।

মোহাম্মদ বিন সালমানের ক্ষমতার অবসান আসন্ন কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলার মতো তথ্য নেই। তবে সামরিক কৌশল, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও আঞ্চলিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর সামনে কঠিন পরীক্ষা রয়েছে। শেষ পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে শুধু ক্ষমতা কতটা কেন্দ্রীভূত, তার ওপর নয়; সেই ক্ষমতা ব্যবহার করে সৌদি আরবকে কতটা নিরাপদ, স্থিতিশীল ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা যায়, তার ওপরও।

FAQ

১. সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ কী?

ইয়েমেন যুদ্ধে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন না হওয়া, বড় উন্নয়ন প্রকল্পের আর্থিক চাপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অনিশ্চয়তা তাঁর সামনে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

২. সৌদি আরবের বার্ষিক প্রতিরক্ষা ব্যয় কত?

প্রদত্ত ট্রান্সক্রিপ্ট অনুযায়ী, দেশটির বার্ষিক প্রতিরক্ষা ব্যয় প্রায় ৮৩ বিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির প্রায় ৬ শতাংশ।

৩. ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য কী?

তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পর্যটন, প্রযুক্তি, বিনোদন ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে সৌদি আরবের অর্থনীতিতে নতুন আয়ের উৎস তৈরি করা।

৪. দ্য লাইন প্রকল্প নিয়ে কী প্রশ্ন উঠেছে?

প্রদত্ত ট্রান্সক্রিপ্টে উল্লেখিত প্রতিবেদনে নিওমের আর্থিক সংকট ও প্রকল্পের পরিসর কমানোর বিষয় এসেছে। দ্য লাইন পুরোপুরি বন্ধ করতে সর্বোচ্চ ১৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে।

৫. মোহাম্মদ বিন সালমানের ক্ষমতার অবসান কি আসন্ন?

এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো নিশ্চিত তথ্য দেওয়া ট্রান্সক্রিপ্টে নেই। সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ তাঁর নেতৃত্বের সামনে চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, তবে ক্ষমতার অবসান আসন্ন—এমন দাবি নিশ্চিতভাবে করা যায় না।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: