ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

জন্মনিবন্ধনে জন্মতারিখ ভুল? সংশোধনে লাগবে যেসব কাগজ

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৭ ১৫:২০:২৬
জন্মনিবন্ধনে জন্মতারিখ ভুল? সংশোধনে লাগবে যেসব কাগজ

জন্মনিবন্ধন সনদে জন্মতারিখ ভুল থাকলে সংশোধনের জন্য আবেদন করার আগে সঠিক তারিখের পক্ষে প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখা জরুরি। বয়স অনুযায়ী স্কুলের সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, পুরোনো জন্মনিবন্ধনের নথি কিংবা শিশুর ক্ষেত্রে টিকাদান কার্ডের মতো দলিল প্রয়োজন হতে পারে। তবে সব আবেদনকারীর জন্য একই কাগজপত্র প্রযোজ্য নয়। কোন নথি গ্রহণ করা হবে, তা নির্ভর করে আবেদনকারীর পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট নিবন্ধকের দপ্তরের যাচাইয়ের ওপর।

জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন করা যায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের সরকারি ওয়েবসাইটে। আবেদন করার সময় সঠিক তথ্যের পক্ষে প্রমাণপত্র দিতে হয় এবং আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপিসহ প্রয়োজনীয় নথি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধকের কার্যালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশনা অনুসরণ করতে হয়। তাই আবেদন করার আগে কোন কাগজ লাগবে, কোন নথি গ্রহণযোগ্য এবং কীভাবে আবেদন করবেন—এসব বিষয় জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

জন্মনিবন্ধনে জন্মতারিখ সংশোধনে যেসব কাগজ লাগতে পারে

জন্মতারিখের ভুল সংশোধনের ক্ষেত্রে সাধারণত নিচের নথিগুলোর মধ্যে প্রাসঙ্গিক ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র প্রয়োজন হতে পারে।

বর্তমান জন্মনিবন্ধন সনদ: যে সনদে জন্মতারিখ ভুল রয়েছে, সেটির তথ্য ও কপি প্রস্তুত রাখতে হবে।

শিক্ষাগত সনদ: প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) বা মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সনদসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষাগত নথি প্রয়োজন হতে পারে।

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি): আবেদনকারীর এনআইডিতে জন্মতারিখ সঠিক থাকলে সেটি প্রমাণ হিসেবে চাওয়া হতে পারে। তবে নথিটি জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যুর আগে তৈরি হয়েছিল কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

পাসপোর্ট: জন্মনিবন্ধনের আগেই ইস্যু করা পাসপোর্টে সঠিক জন্মতারিখ থাকলে সেটি প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হতে পারে।

টিকাদান কার্ড বা জন্মসংক্রান্ত চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানের নথি: অল্পবয়সী শিশুর ক্ষেত্রে বয়স ও পরিস্থিতি অনুযায়ী এসব নথি প্রয়োজন হতে পারে।

পুরোনো হাতে লেখা জন্মনিবন্ধনের নথি: আগের ম্যানুয়াল জন্মনিবন্ধনে সঠিক জন্মতারিখ থাকলে মূল রেজিস্টারের প্রাসঙ্গিক কপি বা সংশ্লিষ্ট নথি প্রয়োজন হতে পারে।

এগুলো সম্ভাব্য প্রমাণপত্রের উদাহরণ, সবার জন্য বাধ্যতামূলক পূর্ণাঙ্গ তালিকা নয়। সংশোধনের আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের জন্মনিবন্ধন শাখা থেকে নিজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কাগজপত্রের তালিকা নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত।

বয়স অনুযায়ী জন্মতারিখ সংশোধনের প্রমাণপত্র

জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সরকারি দপ্তরে প্রকাশিত নির্দেশনায় বয়স ও নথির ধরন অনুযায়ী আলাদা প্রমাণপত্রের কথা উল্লেখ রয়েছে।

পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে

শিশুর জন্মতারিখ ভুল থাকলে টিকাদান কার্ড, চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানের জন্মসংক্রান্ত নথি এবং আগে জমা দেওয়া তথ্যের মতো প্রমাণ প্রাসঙ্গিক হতে পারে। তবে শুধু টিকাদান কার্ড থাকলেই সংশোধন অনুমোদিত হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। আগের জন্মনিবন্ধনের সময় কোন তথ্যের ভিত্তিতে নিবন্ধন করা হয়েছিল, সেটিও যাচাই করা হতে পারে।

স্কুলে পড়ুয়া বা শিক্ষাগত সনদধারীর ক্ষেত্রে

আবেদনকারীর শিক্ষাগত সনদে জন্মতারিখ উল্লেখ থাকলে সংশ্লিষ্ট সনদ গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, জেএসসি বা এসএসসি সনদ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক শিক্ষাগত নথি চাওয়া হতে পারে।

তবে সব ক্ষেত্রে একটি সনদ দিলেই হবে—এমন নয়। কোনো কোনো পরিস্থিতিতে একাধিক শিক্ষাগত সনদ জমা দিতে হতে পারে। নথিগুলোতে জন্মতারিখের মধ্যে অমিল থাকলে আবেদন করার আগে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধকের সঙ্গে আলোচনা করা ভালো।

প্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে

প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য এনআইডি, পাসপোর্ট, শিক্ষাগত সনদ বা আগের জন্মনিবন্ধনের নথি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। কোন নথি গ্রহণযোগ্য হবে, তা নির্ভর করবে সেটির ইস্যুর তারিখ, তথ্যের সামঞ্জস্য এবং সংশোধনের কারণের ওপর।

বিশেষ করে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যুর পর তৈরি করা কোনো নথিতে সঠিক জন্মতারিখ থাকলেই সেটি সংশোধনের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হবে—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

জন্মনিবন্ধনের আগের নথি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে শুধু নতুন কোনো পরিচয়পত্রে লেখা তারিখ দেখানো যথেষ্ট নাও হতে পারে। জন্মনিবন্ধনের আগে তৈরি হওয়া নির্ভরযোগ্য নথি সঠিক জন্মতারিখ যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চট্টগ্রাম জেলার সরকারি পোর্টালে প্রকাশিত জন্মতারিখ সংশোধনসংক্রান্ত নির্দেশনায় নিবন্ধনের আগের প্রমাণপত্রের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে শিক্ষাগত সনদ, আগে ইস্যু করা এনআইডি বা পাসপোর্ট এবং পুরোনো ম্যানুয়াল জন্মনিবন্ধনের নথির কথা বলা হয়েছে। একই নির্দেশনায় বয়স পাঁচ বছরের বেশি হলে শুধু স্কুলের প্রত্যয়ন, হলফনামা, চিকিৎসকের সনদ বা টিকাদান কার্ড দিয়ে জন্মতারিখ সংশোধনযোগ্য নয় বলে উল্লেখ রয়েছে।

তবে এই নির্দেশনার প্রয়োগ আপনার নিবন্ধন কার্যালয়ের ক্ষেত্রে কীভাবে হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যাচাই করা জরুরি। আবেদনকারীর বয়স, নিবন্ধনের ইতিহাস এবং জমা দেওয়া প্রমাণপত্র অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

জন্মনিবন্ধনের জন্মতারিখ অনলাইনে সংশোধনের নিয়ম

জন্মনিবন্ধনের জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন সরকারি অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে করা যায়। এ জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

প্রথম ধাপ: সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের সরকারি ওয়েবসাইটের জন্মতথ্য সংশোধন পৃষ্ঠায় যান:

bdris.gov.bd/br/correction

দ্বিতীয় ধাপ: জন্মনিবন্ধনের তথ্য দিয়ে আবেদন শুরু করুন।

নির্দেশনা অনুযায়ী জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মতারিখ এবং প্রয়োজনীয় যাচাইসংক্রান্ত তথ্য দিন। সিস্টেমে নিবন্ধনের তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যান।

তৃতীয় ধাপ: সংশোধনের বিষয় নির্বাচন করুন।

সংশোধিত তথ্যের তালিকা থেকে জন্মতারিখ নির্বাচন করুন। এরপর সঠিক জন্মতারিখ এবং সংশোধনের কারণ উল্লেখ করুন। অন্য কোনো তথ্য পরিবর্তনের প্রয়োজন না থাকলে অপ্রয়োজনীয় সংশোধন যুক্ত করবেন না।

চতুর্থ ধাপ: প্রমাণপত্র সংযুক্ত করুন।

সঠিক জন্মতারিখের পক্ষে প্রাসঙ্গিক নথি প্রস্তুত করুন। অনলাইনে যে নথি চাওয়া হয়, সেগুলোর স্পষ্ট ও পাঠযোগ্য কপি আপলোড করুন। নথির তথ্য যেন আবেদনে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তা যাচাই করুন।

পঞ্চম ধাপ: আবেদন জমা দিয়ে প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করুন।

আবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদনপত্রের নম্বর সংরক্ষণ করুন এবং নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি নিন। প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জন্মনিবন্ধক কার্যালয়ে জমা দিন।

ষষ্ঠ ধাপ: আবেদনের অগ্রগতি অনুসরণ করুন।

আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ করুন। কোনো নথি ঘাটতি থাকলে বা অতিরিক্ত যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।

জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন করার আগে যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন

জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন করার আগে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

প্রথমত, শুধু নিজের সুবিধামতো একটি তারিখ নির্বাচন না করে নির্ভরযোগ্য নথির ভিত্তিতে সঠিক জন্মতারিখ নির্ধারণ করুন। দ্বিতীয়ত, জন্মনিবন্ধন, এনআইডি, পাসপোর্ট ও শিক্ষাগত সনদে ভিন্ন ভিন্ন তারিখ থাকলে কোন নথিতে কী তথ্য রয়েছে, তা আগে যাচাই করুন। তৃতীয়ত, অস্পষ্ট ছবি, অপাঠযোগ্য স্ক্যান বা অসম্পূর্ণ নথি আপলোড করবেন না।

ভুয়া সনদ বা পরিবর্তিত নথি ব্যবহার করাও এড়িয়ে চলুন। ভুল বা জাল তথ্য দিয়ে আবেদন করলে আবেদন বাতিল হওয়ার পাশাপাশি আইনগত জটিলতা তৈরি হতে পারে।

জন্মনিবন্ধনে জন্মতারিখ সংশোধনে কতবার আবেদন করা যায়?

সরকারি জন্মতথ্য সংশোধন পোর্টালে সর্বোচ্চ চারবার সংশোধনের আবেদন করা যাবে বলে উল্লেখ রয়েছে। তাই আবেদন জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য ও প্রমাণপত্র ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি। ভুল তথ্য দিয়ে বারবার আবেদন না করে প্রথমবারেই সঠিক তথ্য ও উপযুক্ত নথি জমা দেওয়ার চেষ্টা করুন।

কোথায় যোগাযোগ করবেন?

জন্মনিবন্ধনের সংশোধনসংক্রান্ত আবেদন ও নথিপত্র নিয়ে প্রথমে সেই ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন বা সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন, যেখানে জন্মনিবন্ধনটি নিবন্ধিত হয়েছে। প্রয়োজন হলে সরকারি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

জন্মনিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের সরকারি পোর্টাল: bdris.gov.bd/br/correction

জন্মনিবন্ধনে জন্মতারিখ ভুল হলে সংশোধনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক তারিখের পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংগ্রহ করা। বয়স ও পরিস্থিতি অনুযায়ী শিক্ষাগত সনদ, এনআইডি, পাসপোর্ট, টিকাদান কার্ড বা পুরোনো জন্মনিবন্ধনের নথি প্রয়োজন হতে পারে। তবে সব নথি সবার ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়। তাই অনলাইনে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয় থেকে নিজের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিশ্চিত করে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো উপায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. জন্মনিবন্ধনে জন্মতারিখ ভুল হলে কোন কাগজ লাগে?

পরিস্থিতি অনুযায়ী শিক্ষাগত সনদ, এনআইডি, পাসপোর্ট, শিশুর টিকাদান কার্ড বা পুরোনো জন্মনিবন্ধনের নথি প্রয়োজন হতে পারে। সবার জন্য একই তালিকা প্রযোজ্য নয়।

২. জন্মনিবন্ধনের জন্মতারিখ কি অনলাইনে সংশোধন করা যায়?

হ্যাঁ। সরকারি BDRIS পোর্টালে জন্মতথ্য সংশোধনের আবেদন করা যায়। আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রিন্ট কপি ও প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র সংশ্লিষ্ট নিবন্ধকের কার্যালয়ে জমা দিতে হতে পারে।

৩. জন্মতারিখ সংশোধনে কি হলফনামা দিলেই হবে?

না। শুধু হলফনামা দিলেই জন্মতারিখ সংশোধন অনুমোদিত হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র প্রয়োজন।

৪. জন্মনিবন্ধনের পর তৈরি করা এনআইডি বা পাসপোর্ট দিয়ে জন্মতারিখ সংশোধন করা যাবে?

এটি সব ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়। নথির ইস্যুর তারিখ ও অন্যান্য তথ্য বিবেচনা করা হতে পারে। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ে যাচাই করুন।

৫. জন্মনিবন্ধন সংশোধনের আবেদন কতবার করা যায়?

সরকারি BDRIS সংশোধন পোর্টালে সর্বোচ্চ চারবার সংশোধনের আবেদন করার কথা উল্লেখ রয়েছে। তাই আবেদন জমা দেওয়ার আগে তথ্য ও প্রমাণপত্র ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত: