পাসপোর্টের আবেদন করার সময় যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন
পাসপোর্টের আবেদন করার সময় সামান্য ভুলও যাচাইপ্রক্রিয়ায় বাড়তি সময় লাগার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে নাম, জন্মতারিখ ও বাবা-মায়ের নামের অমিল, ভুল অফিস নির্বাচন, অসম্পূর্ণ তথ্য এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে না নেওয়ার কারণে আবেদনকারীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের আবেদন অনলাইনে পূরণ করতে হয়। আবেদনপত্রের তথ্য নির্ধারিত পরিচয়পত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া, সঠিক আবেদন অফিস নির্বাচন করা এবং জমা দেওয়ার আগে প্রতিটি ঘর যাচাই করা জরুরি। আবেদন জমা দেওয়ার পর ভুল ধরা পড়লেও সংশোধনের সুযোগ থাকতে পারে, তবে সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করতে হয়। তাই শুরুতেই সতর্ক থাকলে সময় ও ঝামেলা দুটোই কমানো সম্ভব।
১. এনআইডি ও জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে অমিল রাখা
পাসপোর্টের আবেদন করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া। নামের বানান, জন্মতারিখ, জন্মস্থান এবং বাবা-মায়ের নাম লেখার সময় এনআইডি বা প্রযোজ্য জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে মিল রাখতে হবে।
ইচ্ছামতো ইংরেজি বানান লেখা কিংবা পরিচয়পত্রে থাকা তথ্যের পরিবর্তে অন্য তথ্য ব্যবহার করলে যাচাইয়ের সময় সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে বাংলা নামের ইংরেজি বানানে পার্থক্য থাকলেও তা আবেদন যাচাইয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।
ই-পাসপোর্টের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য ইংরেজি সংস্করণের অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ প্রয়োজন। ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে এনআইডি অথবা ইংরেজি সংস্করণের অনলাইন জন্মনিবন্ধন গ্রহণযোগ্য। ২০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য দেশে আবেদন করার ক্ষেত্রে এনআইডি আবশ্যক। তাই আবেদন করার আগে নিজের বয়স অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য পরিচয়পত্র নিশ্চিত করুন।
২. নাম ও জন্মতারিখের ভুল যাচাই না করে আবেদন জমা দেওয়া
অনলাইনে ফরম পূরণের সময় নামের একটি অক্ষর, জন্মতারিখের একটি সংখ্যা কিংবা জন্মস্থানের তথ্য ভুল হলে পরবর্তী ধাপে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই ফরম পূরণ শেষ করেই সরাসরি আবেদন জমা না দিয়ে পুরো আবেদনপত্র আবার পড়ে দেখা উচিত।
বিশেষ করে নিচের তথ্যগুলো ভালোভাবে মিলিয়ে নিন—
নিজের পূর্ণ নাম ও ইংরেজি বানান
জন্মতারিখ ও জন্মস্থান
বাবা ও মায়ের নাম
জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন নম্বর
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা
পেশা এবং জরুরি যোগাযোগের তথ্য
আগের পাসপোর্ট থাকলে সেটির তথ্যের সঙ্গেও নতুন আবেদনের তথ্য মিলিয়ে দেখা দরকার। নাম, জন্মতারিখ বা বাবা-মায়ের নামের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিবর্তিত হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে।
৩. বয়স অনুযায়ী ভুল পরিচয়পত্র ব্যবহার করা
সব বয়সের আবেদনকারীর জন্য একই পরিচয়পত্রের নিয়ম প্রযোজ্য নয়। বয়স অনুযায়ী কোন নথি গ্রহণযোগ্য, তা না জেনে আবেদন করলে পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে সময় নষ্ট হতে পারে।
সরকারি ই-পাসপোর্ট নির্দেশনায় বলা হয়েছে—
১৮ বছরের কম বয়সী: ইংরেজি সংস্করণের অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ প্রয়োজন। আবেদনকারীর এনআইডি না থাকলে বাবা অথবা মায়ের এনআইডি নম্বরও উল্লেখ করতে হয়।
১৮ থেকে ২০ বছর বয়সী: এনআইডি অথবা ইংরেজি সংস্করণের অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহার করা যায়।
২০ বছরের বেশি বয়সী: দেশের ভেতরে আবেদনের ক্ষেত্রে এনআইডি আবশ্যক।
আবেদন করার আগে জন্মনিবন্ধনটি অনলাইন কি না এবং ইংরেজি সংস্করণে তথ্য ঠিক আছে কি না, তা যাচাই করে নিন।
৪. বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী সঠিক পাসপোর্ট অফিস নির্বাচন না করা
অনলাইনে আবেদন করার সময় কোন অফিসে আবেদন জমা দেবেন, সেটি সতর্কতার সঙ্গে নির্বাচন করতে হবে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের ভেতরে আবেদন সংশ্লিষ্ট বর্তমান ঠিকানার আওতাধীন বিভাগীয় বা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হয়।
ভুল অফিস নির্বাচন করলে আবেদন জমা দেওয়া বা পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সমস্যা হতে পারে। তাই ফরম পূরণের সময় বর্তমান ঠিকানা সঠিকভাবে লিখুন এবং সেই ঠিকানার জন্য কোন পাসপোর্ট অফিস প্রযোজ্য, তা নিশ্চিত হয়ে নিন।
বিদেশে অবস্থানরত আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস বা মিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করা প্রয়োজন।
৫. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে না নেওয়া
অনলাইনে আবেদন করলেই পাসপোর্টের সব কাজ শেষ হয়ে যায় না। নির্ধারিত দিনে পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হয়ে পরিচয় যাচাই ও বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে হতে পারে।
সরকারি ই-পাসপোর্ট নির্দেশনা ও নথিপত্রের চেকলিস্ট অনুযায়ী, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিচের কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা উচিত—
অনলাইনে পূরণ করা আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি
আবেদন জমার পর পাওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা এনরোলমেন্ট স্লিপ
মূল এনআইডি এবং ফটোকপি, যদি প্রযোজ্য হয়
ইংরেজি সংস্করণের অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ
আগের পাসপোর্ট, যদি থাকে
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পেশাগত সনদ বা শিক্ষার্থী পরিচয়পত্র
সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি আদেশ (GO), অনাপত্তিপত্র (NOC) বা সংশ্লিষ্ট নথি
বৈবাহিক অবস্থার পরিবর্তন হলে প্রযোজ্য বিবাহ সনদ বা কাবিননামা
ছয় বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে নির্দেশনা অনুযায়ী ছবি
সব আবেদনকারীর জন্য সব নথি বাধ্যতামূলক নয়। আবেদনকারীর বয়স, পেশা, আগের পাসপোর্ট এবং ব্যক্তিগত তথ্যের পরিবর্তনের ওপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ভর করবে। তাই সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসের সর্বশেষ চেকলিস্ট দেখে নিন।
৬. ফরমে ছবি বা কাগজপত্র সত্যায়ন নিয়ে ভুল ধারণা রাখা
ই-পাসপোর্টের অনলাইন আবেদন ফরমে সাধারণভাবে ছবি সংযুক্ত করা বা নথি সত্যায়ন করানোর প্রয়োজন নেই বলে সরকারি নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে আলাদা নথি বা ছবি চাওয়া হতে পারে।
উদাহরণ হিসেবে, ছয় বছরের কম বয়সী আবেদনকারীর জন্য নির্দিষ্ট মাপের ছবি জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তাই সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম ধরে না নিয়ে নিজের বয়স ও আবেদনের ধরন অনুযায়ী নির্দেশনা যাচাই করুন।
৭. আবেদন জমা দেওয়ার আগে তথ্যের সারাংশ না দেখা
অনলাইন ফরম পূরণের সময় একাধিক ধাপে তথ্য দিতে হয়। কোনো ঘরে ভুল তথ্য লেখা হয়েছে কি না, তা যাচাই না করে আবেদন জমা দিলে পরে সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।
আবেদন জমা দেওয়ার আগে নাম, জন্মতারিখ, পরিচয়পত্রের নম্বর, ঠিকানা, পেশা এবং পাসপোর্টের ধরন আবার পরীক্ষা করুন। আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি বা অ্যাপ্লিকেশন সামারি সংরক্ষণ করুন। এতে অফিসে যাওয়ার আগে নিজের দেওয়া তথ্য মিলিয়ে নেওয়া সহজ হবে।
৮. ভুল তথ্য দিয়ে ফি পরিশোধ করা
আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্য ঠিক আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন। ভুল নাম বা ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন জমা দেওয়ার পর ফি দিয়ে ফেললে সংশোধনের জন্য বাড়তি যাচাই প্রয়োজন হতে পারে।
ই-পাসপোর্টের সরকারি পোর্টালে অনুমোদিত পেমেন্ট পদ্ধতি উল্লেখ রয়েছে। ফি দেওয়ার সময় কেবল সেখানকার অনুমোদিত মাধ্যম ব্যবহার করুন এবং পেমেন্টের রসিদ বা প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে টাকা দিয়ে আবেদন সংশোধন বা সমস্যা সমাধানের প্রস্তাবে রাজি হবেন না। সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, আবেদনপত্রের তথ্য সংশোধনের জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আলাদা অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
৯. আবেদন জমা দেওয়ার পর ভুল ধরা পড়লে কী করবেন?
আবেদন জমা দেওয়ার পর কোনো তথ্য ভুল হয়েছে বুঝতে পারলে আতঙ্কিত না হয়ে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করুন। সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালের FAQ অনুযায়ী, আবেদনপত্রের প্রিন্ট করা ‘Application Summary’ নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গেলে এনরোলমেন্ট কর্মকর্তা ভুল তথ্য সংশোধনের ব্যবস্থা করতে পারেন।
এ ক্ষেত্রে সঠিক তথ্যের প্রমাণ হিসেবে এনআইডি, জন্মনিবন্ধন সনদ, আগের পাসপোর্ট বা অন্য প্রয়োজনীয় সরকারি নথি সঙ্গে নিতে হবে। ভুল তথ্যের ধরন অনুযায়ী অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে নামের মতো তথ্য ভুল দিয়ে ফি পরিশোধ করা হয়ে থাকলে সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বাড়তি সময় লাগতে পারে।
১০. দালাল বা অননুমোদিত লিংকের মাধ্যমে আবেদন করবেন না
পাসপোর্টের আবেদন দ্রুত করে দেওয়ার কথা বলে কেউ অতিরিক্ত টাকা চাইলে সতর্ক থাকুন। সরকারি পোর্টালে নির্ধারিত পদ্ধতি ছাড়া অন্য কারও মাধ্যমে ফি পরিশোধ করবেন না।
ই-পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, পাসপোর্টসংক্রান্ত অফিসিয়াল এসএমএস ‘EPASSPORTBD’ নাম থেকে পাঠানো হয় এবং কর্তৃপক্ষ এসএমএসে লিংক পাঠায় না। অন্য নাম বা নম্বর থেকে আসা সন্দেহজনক বার্তার লিংকে ক্লিক না করাই নিরাপদ।
পাসপোর্টের আবেদন করার আগে শেষবার যা যাচাই করবেন
আবেদন জমা দেওয়ার আগে কয়েক মিনিট সময় নিয়ে এই বিষয়গুলো মিলিয়ে নিন—
এনআইডি বা জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে আবেদনপত্রের তথ্য মিলে কি না
বয়স অনুযায়ী সঠিক পরিচয়পত্র ব্যবহার করা হয়েছে কি না
বর্তমান ঠিকানা ও পাসপোর্ট অফিস সঠিক কি না
প্রয়োজনীয় নথি ও আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি প্রস্তুত আছে কি না
ফি অনুমোদিত মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে কি না
আবেদনপত্রের সারাংশ ও পেমেন্টের প্রমাণ সংরক্ষণ করা হয়েছে কি না
পাসপোর্ট আবেদনের সরকারি ওয়েবসাইট
বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের আবেদন, নির্দেশনা, ফি এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য সরকারি পোর্টাল ব্যবহার করুন।
ই-পাসপোর্টের সরকারি ওয়েবসাইট: https://www.epassport.gov.bd/
আবেদনের আগে পোর্টালের নির্দেশনা ও নথিপত্রের চেকলিস্ট দেখে নিলে নিজের পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হবে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. পাসপোর্টের আবেদন করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী?
এনআইডি বা জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে আবেদনপত্রের তথ্য মিলিয়ে দেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নাম, জন্মতারিখ ও বাবা-মায়ের নামের মতো তথ্য জমা দেওয়ার আগে যাচাই করুন।
২. পাসপোর্টের আবেদন জমা দেওয়ার পর ভুল ধরা পড়লে কী করবেন?
আবেদনপত্রের প্রিন্ট করা Application Summary এবং সঠিক তথ্যের প্রমাণপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করুন। সংশোধনের পদ্ধতি ভুলের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
৩. পাসপোর্টের আবেদন ফরমে ছবি লাগাতে হয় কি?
সাধারণভাবে অনলাইন ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরমে ছবি সংযুক্ত বা সত্যায়ন করতে হয় না। তবে ছয় বছরের কম বয়সী শিশুসহ কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ছবি জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
৪. পাসপোর্টের আবেদন করতে কি এনআইডি বাধ্যতামূলক?
বয়স অনুযায়ী নিয়ম আলাদা। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য ইংরেজি সংস্করণের অনলাইন জন্মনিবন্ধন প্রয়োজন; ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে এনআইডি অথবা জন্মনিবন্ধন গ্রহণযোগ্য। ২০ বছরের বেশি বয়সীদের দেশে আবেদনের ক্ষেত্রে এনআইডি আবশ্যক।
৫. পাসপোর্টের তথ্য সংশোধনের জন্য কি কাউকে টাকা দিতে হয়?
না। ই-পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, আবেদনপত্রের তথ্য সংশোধনের জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আলাদা অর্থ দিতে হয় না। সংশোধনের প্রয়োজন হলে সরাসরি সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করুন।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আজকের সোনার দাম: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট সোনার দাম কত
- আজ ব্যালন ডি’অর ২০২৬, কার হাতে উঠবে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার?
- মালয়েশিয়া মেডিকেল কবে শুরু হবে ২০২৬, সর্বশেষ খবর
- Ballon d’Or 2026 Rankings: শীর্ষে ইয়ামাল, সেরা ১০ কারা?
- OPPO Find X10 Ultra: ২০০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরায় কী থাকছে?
- এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬: রোল নম্বর দিয়ে ফল দেখবেন যেভাবে