ঢাকা মেট্রোরেল নির্মাণে নতুন চুক্তি, ১০০ কোটি ডলার পাচ্ছে এলঅ্যান্ডটি
ঢাকার প্রথম পাতাল মেট্রোরেল প্রকল্পে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে ভারতের অবকাঠামো খাতের প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্যাকেজের নকশা ও নির্মাণের জন্য প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি হয়েছে। এই কাজের মধ্যে রয়েছে রেললাইন থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ, সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ ও স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে স্ক্রিন ডোর স্থাপন।
চুক্তিটির ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫-এর উত্তর রুটের আটটি নির্মাণ প্যাকেজে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন মিলেছে। প্যাকেজগুলোর সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
এলঅ্যান্ডটির শেয়ারবাজারে দেওয়া ঘোষণায় চুক্তির বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের নির্ধারিত প্রতিবেদন কাঠামো অনুযায়ী সম্মিলিত চুক্তিগুলোকে ‘বড়’ আদেশ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে।
শুধু রেললাইন নয়, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাও গড়বে এলঅ্যান্ডটি
মেট্রোরেল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় একাধিক ব্যবস্থা একই চুক্তির আওতায় রয়েছে। রেললাইন নির্মাণের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক অবকাঠামো, ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিগন্যালিং ব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্মে স্ক্রিন ডোর স্থাপনের কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।
এলঅ্যান্ডটির সংজ্ঞা অনুযায়ী, ৫ হাজার কোটি থেকে ১০ হাজার কোটি রুপি মূল্যের চুক্তিকে ‘বড়’ আদেশ বলা হয়। নতুন চুক্তিগুলোকে এই শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রকৌশল, ক্রয় ও নির্মাণ (ইপিসি) কার্যক্রমের পাশাপাশি উচ্চপ্রযুক্তির উৎপাদনশিল্পে কাজ করে এলঅ্যান্ডটি। বাংলাদেশে মেট্রোরেল প্রকল্পে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাদের।
বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর, পূর্বাচলের জন্য আলাদা পথ
ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর পরিকল্পিত দৈর্ঘ্য প্রায় ৩১ কিলোমিটার। তবে পুরো পথ একই ধরনের হবে না। প্রকল্পটিতে পাতাল ও উড়াল—দুই ধরনের রেলপথ রাখা হয়েছে।
পাতাল অংশটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু হয়ে রামপুরা, মালিবাগ ও রাজারবাগ হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত যাওয়ার কথা। অন্যদিকে, নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত রেলপথ নির্মিত হবে উড়ালপথে।
প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, লাইনটিতে ১৯টি স্টেশন থাকবে। ট্রেন পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পিতলগঞ্জে নির্মাণ করা হবে একটি ডিপো।
এই রুটে বিমানবন্দর, রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও কমলাপুরকে যুক্ত করার পাশাপাশি পূর্বাচলের সঙ্গে মেট্রোরেল যোগাযোগ স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
লাইন-৫-এর উত্তর রুট কোথা থেকে কোথায়
রাজধানীর মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় রয়েছে লাইন-৫-এর উত্তর রুটও। এই রুটের দৈর্ঘ্য হবে ২০ কিলোমিটার।
সাভারের হেমায়েতপুর থেকে যাত্রা শুরু করে লাইনটি গাবতলী, মিরপুর-১৪ ও নতুন বাজার হয়ে ভাটারা পর্যন্ত যাওয়ার কথা। লাইন-১-এর পাশাপাশি এই রুটের নির্মাণ প্যাকেজগুলোর অনুমোদনও সামগ্রিক প্রকল্প কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পাওয়া আটটি প্যাকেজ লাইন-১ ও লাইন-৫-এর উত্তর রুটের নির্মাণকাজের সঙ্গে সম্পর্কিত। এগুলোর মোট মূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
লাইন-৬-এ কাজ শেষ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির
ঢাকার মেট্রোরেলে ১০০ কোটি ডলারের কাজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি
ঢাকার প্রথম পাতাল মেট্রোরেল প্রকল্পে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে ভারতের অবকাঠামো খাতের প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্যাকেজের নকশা ও নির্মাণের জন্য প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি হয়েছে। এই কাজের মধ্যে রয়েছে রেললাইন থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ, সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ ও স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে স্ক্রিন ডোর স্থাপন।
চুক্তিটির ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫-এর উত্তর রুটের আটটি নির্মাণ প্যাকেজে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন মিলেছে। প্যাকেজগুলোর সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
এলঅ্যান্ডটির শেয়ারবাজারে দেওয়া ঘোষণায় চুক্তির বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের নির্ধারিত প্রতিবেদন কাঠামো অনুযায়ী সম্মিলিত চুক্তিগুলোকে ‘বড়’ আদেশ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে।
শুধু রেললাইন নয়, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাও গড়বে এলঅ্যান্ডটি
মেট্রোরেল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় একাধিক ব্যবস্থা একই চুক্তির আওতায় রয়েছে। রেললাইন নির্মাণের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক অবকাঠামো, ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিগন্যালিং ব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্মে স্ক্রিন ডোর স্থাপনের কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।
এলঅ্যান্ডটির সংজ্ঞা অনুযায়ী, ৫ হাজার কোটি থেকে ১০ হাজার কোটি রুপি মূল্যের চুক্তিকে ‘বড়’ আদেশ বলা হয়। নতুন চুক্তিগুলোকে এই শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রকৌশল, ক্রয় ও নির্মাণ (ইপিসি) কার্যক্রমের পাশাপাশি উচ্চপ্রযুক্তির উৎপাদনশিল্পে কাজ করে এলঅ্যান্ডটি। বাংলাদেশে মেট্রোরেল প্রকল্পে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাদের।
বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর, পূর্বাচলের জন্য আলাদা পথ
ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর পরিকল্পিত দৈর্ঘ্য প্রায় ৩১ কিলোমিটার। তবে পুরো পথ একই ধরনের হবে না। প্রকল্পটিতে পাতাল ও উড়াল—দুই ধরনের রেলপথ রাখা হয়েছে।
পাতাল অংশটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু হয়ে রামপুরা, মালিবাগ ও রাজারবাগ হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত যাওয়ার কথা। অন্যদিকে, নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত রেলপথ নির্মিত হবে উড়ালপথে।
প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, লাইনটিতে ১৯টি স্টেশন থাকবে। ট্রেন পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পিতলগঞ্জে নির্মাণ করা হবে একটি ডিপো।
এই রুটে বিমানবন্দর, রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও কমলাপুরকে যুক্ত করার পাশাপাশি পূর্বাচলের সঙ্গে মেট্রোরেল যোগাযোগ স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
লাইন-৫-এর উত্তর রুট কোথা থেকে কোথায়
রাজধানীর মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় রয়েছে লাইন-৫-এর উত্তর রুটও। এই রুটের দৈর্ঘ্য হবে ২০ কিলোমিটার।
সাভারের হেমায়েতপুর থেকে যাত্রা শুরু করে লাইনটি গাবতলী, মিরপুর-১৪ ও নতুন বাজার হয়ে ভাটারা পর্যন্ত যাওয়ার কথা। লাইন-১-এর পাশাপাশি এই রুটের নির্মাণ প্যাকেজগুলোর অনুমোদনও সামগ্রিক প্রকল্প কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পাওয়া আটটি প্যাকেজ লাইন-১ ও লাইন-৫-এর উত্তর রুটের নির্মাণকাজের সঙ্গে সম্পর্কিত। এগুলোর মোট মূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
লাইন-৬-এ কাজ শেষ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির
বাংলাদেশের মেট্রোরেল খাতে এলঅ্যান্ডটির সম্পৃক্ততা নতুন নয়। এর আগে ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলওয়ে সিস্টেম প্যাকেজের কাজ পেয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। দেশের প্রথম মেট্রোরেল করিডর হিসেবে পরিচিত এই লাইনের ওই কাজ তারা সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে আগের প্রকল্পে কাজ করার ধারাবাহিকতায় নতুন চুক্তিগুলো পেয়েছে তারা।
প্রকল্পে যুক্ত ভারত, জাপান, চীন ও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান
ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫-এর কাজে বিভিন্ন দেশের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এলঅ্যান্ডটির পাশাপাশি জাপান, চীন ও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানও এই দুই লাইনের কাজ পেয়েছে।
প্রকল্প দুটির অর্থায়ন করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)।
প্রায় ১০০ কোটি ডলারের নতুন চুক্তির ফলে লাইন-১-এর রেলপথ ও পরিচালনাসংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার নকশা এবং নির্মাণে এলঅ্যান্ডটির দায়িত্ব আরও বিস্তৃত হলো। অন্যদিকে, দুই রুটের নির্মাণ প্যাকেজে সরকারি অনুমোদন রাজধানীর মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের চলমান পরিকল্পনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
বাংলাদেশের মেট্রোরেল খাতে এলঅ্যান্ডটির সম্পৃক্ততা নতুন নয়। এর আগে ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলওয়ে সিস্টেম প্যাকেজের কাজ পেয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। দেশের প্রথম মেট্রোরেল করিডর হিসেবে পরিচিত এই লাইনের ওই কাজ তারা সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে আগের প্রকল্পে কাজ করার ধারাবাহিকতায় নতুন চুক্তিগুলো পেয়েছে তারা।
প্রকল্পে যুক্ত ভারত, জাপান, চীন ও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান
ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫-এর কাজে বিভিন্ন দেশের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এলঅ্যান্ডটির পাশাপাশি জাপান, চীন ও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানও এই দুই লাইনের কাজ পেয়েছে।
প্রকল্প দুটির অর্থায়ন করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)।
প্রায় ১০০ কোটি ডলারের নতুন চুক্তির ফলে লাইন-১-এর রেলপথ ও পরিচালনাসংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার নকশা এবং নির্মাণে এলঅ্যান্ডটির দায়িত্ব আরও বিস্তৃত হলো। অন্যদিকে, দুই রুটের নির্মাণ প্যাকেজে সরকারি অনুমোদন রাজধানীর মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের চলমান পরিকল্পনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
FAQ
১. ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর জন্য এলঅ্যান্ডটি কত ডলারের চুক্তি পেয়েছে?
প্রতিষ্ঠানটি দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম প্যাকেজের নকশা ও নির্মাণের জন্য প্রায় ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি পেয়েছে।
২. চুক্তির আওতায় কী কী কাজ রয়েছে?
রেললাইন নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্মে স্ক্রিন ডোর স্থাপনের কাজ রয়েছে।
৩. ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর দৈর্ঘ্য কত?
লাইনটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৩১ কিলোমিটার। এতে ১৯টি স্টেশন ও পিতলগঞ্জে একটি ডিপো থাকবে।
৪. মেট্রোরেল লাইন-৫-এর উত্তর রুটের দৈর্ঘ্য কত?
রুটটির দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার। এটি সাভারের হেমায়েতপুর থেকে গাবতলী, মিরপুর-১৪ ও নতুন বাজার হয়ে ভাটারা পর্যন্ত যাওয়ার কথা।
৫. মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫-এর আটটি নির্মাণ প্যাকেজের মূল্য কত?
প্যাকেজগুলোর সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এগুলোর অনুমোদন দিয়েছে।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আজকের স্বর্ণের দাম: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত
- মালয়েশিয়া মেডিকেল কবে শুরু হবে ২০২৬, সর্বশেষ খবর
- Ballon d’Or 2026 Rankings: শীর্ষে ইয়ামাল, সেরা ১০ কারা?
- OPPO Find X10 Ultra: ২০০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরায় কী থাকছে?
- এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬: রোল নম্বর দিয়ে ফল দেখবেন যেভাবে
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম