১৪৭ বছরের টেস্ট ইতিহাস: ইংল্যান্ডের বিশ্বরেকর্ড ভেঙে বাংলাদেশের নতুন বিশ্বরেকর্ড
দেশের ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়। পাকিস্তানকে তাদেরই মাটিতে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারাল বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটে জেতার পর দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের জয় ৬ উইকেটে। দেশের বাইরে দ্বিতীয়বার প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাই করল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এর আগে দেশের বাইরে টেস্ট সিরিজ জিতেছে ২০০৯ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেই দলটি পূর্ণশক্তির ছিল না। যেকোনো দিক বিচারেই এই সিরিজ জয়ের মাহাত্ম্য বেশি। সঙ্গে সিরিজের প্রথম টেস্টে আছে ১০ উইকেটের জয়।
অন্যদিকে নিজেদের ইতিহাস দ্বিতীয়বার ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছে পাকিস্তান। ২০২২ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হারে পাকিস্তান।
১৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ সহজেই জিতেছে। দুই ওপেনার জাকির হোসেন ও সাদমান ইসলাম নিজেদের কাজটা করেছেন। গড়েছেন ৫৮ রানের জুটি। ৪০ রান করেছেন জাকির, ২৪ রান করেছেন সাদমান। এরপর নাজমুল হোসেন ও মুমিনুল হকও দলের চাহিদা মিটিয়েছেন। নাজমুল করেছেন ৩৮ রান, মুমিনুল ৩৪ রান। দলীয় ১৫৩ রানে মুমিনুল আউট হলে বাকি কাজটা শেষ করেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম।
২৪ বছরের টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশ এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুবার ও জিম্বাবুয়েকে একবার ধবলধোলাই করেছে। ২০২২ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩–০ ব্যবধানে সিরিজ হারে পাকিস্তান। দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজে ওই একবারই ধবলধোলাই হয়েছে তারা। দেশের বাইরে বাংলাদেশ এর আগে টেস্ট সিরিজ জিতেছে একবার। সেটিও ২০০৯ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে।
টেস্ট ক্রিকেট শুরু হয়েছিল ১৪৭ বছর আগে থেকে। তখন থেকে আজ পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে পাকিস্তানের মাটি একমাত্র ইংল্যান্ডই পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করতে পেরেছিল। তবে ২০২৪ সালে এসে সেই রেকর্ডে ভাগ বসালো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর-
পাকিস্তান (প্রথম ইনিংস)- ২৭৪/৮ (৮৫.১ ওভার) (আবদুল্লাহ ০, শান ৫৭, সাইম ৫৮, শাকিল ১৬, বাবর ৩১, রিজওয়ান ২৯, সালমান ৫৪; মিরাজ ৫/৬১, তাসকিন ৩/৫৭)
বাংলাদেশ (প্রথম ইনিংস)- ২৬২/১০ (৭৮.৪ ওভার) (সাদমান ১০, জাকির ১, শান্ত ৪, মুমিনুল ১, মুশফিক ৩, সাকিব ২, লিটন ১৩৮, মিরাজ ৭৮, তাসকিন ০, হাসান ১৩*; শেহজাদ ৬/৯০)
পাকিস্তান (দ্বিতীয় ইনিংস)- ১৭২ (৪৬.৪ ওভার) (সাইম ২০, মাসুদ ২৮, বাবর ১১, শাকিল ২, রিজওয়ান ৪৩, সালমান ৪৭*, আলী ১, আবরার ২, হামজা ৪; হাসান ৫/৪৩, নাহিদ ৪/৪৪)
বাংলাদেশ (দ্বিতীয় ইনিংস)- ১৮৫/৪ (৪৬.৪ ওভার) (লক্ষ্য ১৮৫) (জাকির ৪০, সাদমান ২৪, শান্ত ৩৮, মুমিনুল ৩৪, মুশফিক ২২*, সাকিব ২১*)
ম্যাচ সেরা: টাপ সিচুয়েশনে ১৩৮ রান করে ম্যাচ সেরা হয়েছে লিটন দাস। ৩ লক্ষ পাকিস্তানি রুপি পুরুস্কার পেয়েছেন তিনি।
সিরিজ সেরা: দুই টেস্টে ১০ উইকেট ১৫৫ রান করাতে সিরিজ সেরা হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫ লক্ষ পাকিস্তানি রুপি পুরুস্কার পেয়েছেন এই অলরাউন্ডার।
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ডিএসইতে একসঙ্গে ৭ অনুমোদিত প্রতিনিধি প্রত্যাহার
- মেঘনা কনডেন্সডের শেয়ার নিয়ে ডিএসইর ‘বাই-ইন’ ঘোষণা
- মাত্র ১ পয়সা ডিভিডেন্ড, বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ
- তাপস পালের নেতৃত্বে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ১২০০ কোটি টাকা আত্মসাত
- বিনা সুদে ১০ হাজার টাকা ঋণ! কারা পাবেন, কীভাবে নিতে হবে
- বদলে গেল পরিস্থিতি, বাংলাদেশিদের জন্য নতুন ব্যবস্থা ভারতে
- দেশের বাজারে আজকের সোনার দাম
- আপনার মাথায় কত টাকার সরকারি ঋণ? সংসদে মিলল সুনির্দিষ্ট হিসাব
- মূল আমানত ফেরত দেবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক, জেনে নিন নিয়ম
- আবারও বাড়ল সোনার দাম, আজকের বাজারদর জেনে নিন
- তাপমাত্রা নিয়ে যা বলছে আবহাওয়া অফিস
- গোসল ফরজ হলে দুধ পান করানো নিয়ে ইসলামের বিধান
- সোনা ও রুপার গহনার নতুন দাম নির্ধারণ