MD. Razib Ali
Senior Reporter
বাংলাদেশ বনাম আজারবাইজান: ৮০ মিনিটের খেলা শেষ, জানুন ফলাফল
ঢাকা শহরের জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলো বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সিনিয়র পর্যায়ে প্রথমবারের মতো কোনো ইউরোপীয় দলের মুখোমুখি হলো লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। ত্রি-জাতি নারী ফুটবল সিরিজের এই গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে আজারবাইজানের বিপক্ষে খেলার ৮০ মিনিট শেষেও স্কোর ১-১ সমতায় রয়েছে।
আজকের খেলা নারী ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা পূরণ করেছে মাঠের লড়াইয়ে। ফিফা র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ৩০ ধাপ এগিয়ে থাকা (৭৪তম) আজারবাইজানকে খুব একটা কোণঠাসা হতে দেয়নি বাটলারের শিষ্যরা। আফিদা খাতুনদের রক্ষণভাগ বিগত ম্যাচের মতোই আক্রমণাত্মক 'হাই লাইন ডিফেন্স' কৌশল বজায় রাখে। যদিও প্রতিপক্ষ কয়েকবার বিপদ তৈরি করেছে, তবুও সঠিক সময়ে কাভার এবং দক্ষতার সাথে অফসাইড ফাঁদ তৈরি করে তা প্রতিহত করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধের নাটকীয়তা: গোল করে কেঁদেছেন আজারবাইজান অধিনায়ক
ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল হজম করে বাংলাদেশ। বানিয়া ইশরাকের সেন্টার থেকে আজারবাইজানের দলনেত্রী জাফরজেদা বল জালে জড়ান এবং দল লিড নেয়। তবে গোলের স্বাভাবিক উল্লাসের বদলে দেখা যায় এক হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য। গোল করার পরপরই জাফরজেদাকে আবেগে আপ্লুত হয়ে কাঁদতে দেখা যায়, তিনি বেশ কিছুক্ষণ অশ্রুসিক্ত ছিলেন। সতীর্থরা তাকে ঘিরে ধরে সান্ত্বনা দেওয়ার আগে, সবাই মিলে একটি সাদা কাপড়ের ওপর আঁকা একটি প্রতিকৃতির সঙ্গে পোজ দেন।
স্বপ্না-মারিয়া যুগলবন্দীতে সমতা ফেরালো স্বাগতিকরা
তবে সমতায় ফিরতে বেশি সময় লাগায়নি স্বাগতিকরা। মাত্র চৌদ্দ মিনিট পরেই মাঝমাঠের স্তম্ভ মারিয়া মান্ডার অসাধারণ নৈপুণ্যে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। স্বপ্না রানীর কর্নার কিকটি বক্সে এসে পৌঁছানোর পর মারিয়া তা নিয়ন্ত্রণে নেন। সেখান থেকে বাঁ পায়ের একটি অবিশ্বাস্য সাইড ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। গোলরেখায় থাকা আজারবাইজান ডিফেন্ডার উপরে ঝাঁপ দিলেও বলটি গোলরক্ষক এবং তার ফাঁক গলে জালে প্রবেশ করে। মারিয়ার গোলে সমতায় বাংলাদেশ।
সমতাসূচক গোলের পরও আজারবাইজানের আক্রমণের ধার কমেনি। বিরতির ঠিক আগে (৪৫ মিনিট) বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপ্না চাকমার সামনে একাকী বল পেয়েও প্রতিপক্ষ গোল করতে ব্যর্থ হয়। ১-১ গোলের সমতা বজায় রেখেই উভয় দল সাজঘরের পথে হাঁটে।
দ্বিতীয়ার্ধে অবিরত লড়াই, স্কোরবোর্ড স্থির
বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় গতি বাড়ালেও, উভয় দলের রক্ষণভাগই ছিল অনমনীয়। আক্রমণের পাল্টা আক্রমণ চললেও, ৮০ মিনিটের খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত কোনো দলই দ্বিতীয় গোলটি করতে পারেনি। রক্ষণাত্মক দৃঢ়তা বজায় রেখে আফিদারা এবং আজারবাইজান ডিফেন্ডাররা গোল করার সকল প্রচেষ্টাকে রুখে দিয়েছেন। খেলার শেষ দশ মিনিট ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচের উত্তেজনা এখন চরমে।
নারী দলের ম্যাচেও উষ্ণ দর্শক সমর্থন
সাধারণত হামজা-জামালদের পুরুষ দলের খেলার সময় স্টেডিয়ামে উপচে পড়া দর্শক থাকে। আজকের খেলা নারী ফুটবল এই ঐতিহাসিক ম্যাচের সাক্ষী হতেও স্টেডিয়ামে বেশ ভালো সংখ্যক দর্শক সমাগম ঘটে। বাফুফে এই ম্যাচের জন্য শুধুমাত্র পূর্ব দিকের গ্যালারিটি খুলে রেখেছিল। প্রায় সাত হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে, দর্শকরা নানা বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে গোটা স্টেডিয়ামে উৎসবের আমেজ বজায় রেখেছিলেন।
এম,আর,এ/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- সাহাবুদ্দিনের পর বঙ্গভবনে কে, আলোচনায় যে ৬ নাম
- পদত্যাগের পরে যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন
- বিশ্বকাপ ফাইনাল পুনরায় চেয়ে পিটিশন, যা বললেন তাপিয়া
- ইনজুরিতে ছিটকে গিয়ে বিয়ে সারলেন নাহিদ রানা
- ম্যানইউর ১৫ বছরের বিস্ময়বালক গ্যাব্রিয়েলকে নিয়ে বড় ইঙ্গিত এমবেউমোর
- বালেবাকে নিয়ে ম্যানইউর সাথে ফের যোগাযোগ, দাবি রোমানোর
- আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: এক নজরে সব দেশের রেট
- স্পিকার জানালো রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবে কে
- রাষ্ট্রপতির শেষ চিঠিতে উঠে এলো যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
- আন্দোলনের মাঝেই মোদির মন্ত্রীর পদত্যাগ
- ৫ স্বাস্থ্য সমস্যার কথা উল্লেখ রাষ্ট্রপতি
- বঙ্গভবন ছাড়ছেন চুপ্পু, নতুন যাত্রার সময় জানা গেল
- বাংলাদেশের পোশাক খাতে আসছে বড় পরিবর্তন
- হামলার পর সৌদিতে ‘সম্ভাব্য বিপদের’ সতর্কতা
- টানা দুই দফা বাড়ার পর কমল স্বর্ণের দাম