হুহু করে কমল সোনা-রুপার দাম: ২২ ক্যারেট মিলছে ১ লক্ষ ২৮ হাজার টাকায়
কলকাতায়বছরের শেষে হুহু করে কমল সোনা-রুপোর দাম, এক দিনেই পকেটে বাঁচবে হাজার হাজার টাকা
Gold-Silver Price Drop: উৎসবের মরসুম বা বছরের শেষ লগ্নে গয়না কেনার পরিকল্পনা থাকলে আপনার জন্য রয়েছে দারুণ খবর। মঙ্গলবার কলকাতার বাজারে বড়সড় পতন ঘটল সোনা ও রুপোর দামে। সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) হলুদ ধাতুর দাম অনেকটা হ্রাস পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন সাধারণ ক্রেতারা।
কলকাতা, ৩০ ডিসেম্বর: ২০২৫ সাল জুড়ে সোনা ও রুপোর বাজারদর সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকলেও, বছরের অন্তিম মুহূর্তে এসে দেখা গেল উল্টো ছবি। ডিসেম্বরের শুরু থেকে দামের পারদ যেভাবে চড়ছিল, তাতে মঙ্গলবার বড়সড় ছেদ পড়ল। এক ধাক্কায় ৩ হাজার টাকারও বেশি কমল সোনার দর। পিছিয়ে নেই রুপোও, সেখানেও লক্ষ্য করা গেছে উল্লেখযোগ্য পতন।
কলকাতার বাজারে আজকের (৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার) দরদাম:
বাজারে আজ সোনা ও রুপো ঠিক কী দামে বিকোচ্ছে? দেখে নিন এক নজরে:
২২ ক্যারাট হলমার্ক সোনা: ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৬০০ টাকা (প্রতি ১০ গ্রাম)।
২৪ ক্যারাট খুচরো সোনা: ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৩০০ টাকা (প্রতি ১০ গ্রাম)।
২৪ ক্যারাট সোনার বার: ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬৫০ টাকা (প্রতি ১০ গ্রাম)।
রুপো (খুচরো): ২ লক্ষ ৩৫ হাজার ১৫০ টাকা (প্রতি কেজি)।
এক দিনে কতটা সাশ্রয় হচ্ছে?
২৯ ডিসেম্বরের (সোমবার) আকাশছোঁয়া দামের তুলনায় আজ সোনার বাজারে বড় পতন এসেছে।
২৪ ক্যারাট খুচরো সোনার ক্ষেত্রে দাম কমেছে প্রতি ১০ গ্রামে প্রায় ৩,৩৫০ টাকা।
২২ ক্যারাট হলমার্ক সোনার দাম হ্রাস পেয়েছে ৩,২০০ টাকা।
রুপোর ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে দাম কমেছে ৩,৪০০ টাকা।
সোমবারের বাজারের চিত্র কেমন ছিল?
গতকালের অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বরের রেট কার্ডের দিকে তাকালে বোঝা যাবে ঠিক কতটা সস্তা হয়েছে এই মূল্যবান ধাতু:
সোমবার ২৪ ক্যারাট খুচরো সোনা বিকিয়েছিল ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৬৫০ টাকায় এবং ২২ ক্যারাট হলমার্ক সোনা ছিল ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৮০০ টাকা। অন্যদিকে, সোমবার প্রতি কেজি খুচরো রুপোর দাম ছিল ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫৫০ টাকা। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানেই মধ্যবিত্তের পকেটে সাশ্রয় হচ্ছে কয়েক হাজার টাকা।
বাজারের গতিপ্রকৃতি:
সারা বছর ধরে সোনা ও রুপোর দাম ধাপে ধাপে বেড়ে সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল। বিশেষ করে রুপোর দামের লাফ ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে মঙ্গলবারের এই দামের পতন বছরের শেষে গয়না প্রেমীদের জন্য বড়সড় 'উপহার' হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
আল-মামুন/