Alamin Islam
Senior Reporter
ফেব্রুয়ারিতে টানা ৪ দিনের বড় ছুটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আবহে ফেব্রুয়ারি মাসে দীর্ঘ ছুটির কবলে পড়ছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সরকারের নির্বাহী আদেশে আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে টানা চার দিনের এই ছুটি উপভোগ করতে পারবেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সরকারি-বেসরকারি চাকুরিজীবীরা।
ছুটির বিস্তারিত সূচি
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) সারা দেশে সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে। এই দুই দিন নির্বাহী আদেশের ছুটির সাথে পরবর্তী দুই দিনের (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হচ্ছে। ফলে সব মিলিয়ে টানা ৯৬ ঘণ্টার বা চার দিনের একটি বড় অবকাশ মিলছে শিক্ষা অঙ্গনে।
কেন এই দীর্ঘ ছুটি?
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এবং ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া যেন বাধাহীন হয়, সেজন্যই ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষক ও কর্মচারীরা যাতে কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই নির্বাচনী দায়িত্ব পালন ও ভোট উৎসবে অংশ নিতে পারেন, সেটিই এই আদেশের মূল লক্ষ্য।
শিল্পাঞ্চলে থাকছে বাড়তি সুবিধা
সাধারণ ছুটির বাইরেও শিল্প এলাকার শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ সুখবর রয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শিল্পাঞ্চলগুলোতে ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) অতিরিক্ত বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে শিল্প এলাকার বাসিন্দারা সাধারণ ও সাপ্তাহিক ছুটির সাথে আরও একদিন বেশি সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।
ভোটের টানে বাড়ি ফেরার সুযোগ
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই দীর্ঘ বিরতির ফলে সাধারণ ভোটারদের জন্য নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াত করা অনেক সহজ হবে। যাতায়াত ব্যবস্থার ওপর চাপ কমিয়ে নির্বিঘ্নে বাড়ি পৌঁছে সবাই যেন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই ছুটির ক্যালেন্ডার সাজানো হয়েছে।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ):
প্রশ্ন ১: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৪ দিনের ছুটি কেন দেওয়া হয়েছে?
উত্তর: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে সরকার এই টানা ছুটির ঘোষণা দিয়েছে।
প্রশ্ন ২: ছুটির তারিখগুলো কী কী?
উত্তর: ছুটির তারিখগুলো হলো ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার), ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার), ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার)।
প্রশ্ন ৩: এই ছুটি কি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্যও কার্যকর?
উত্তর: হ্যাঁ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই ছুটি কার্যকর হবে।
প্রশ্ন ৪: শিল্পাঞ্চলের জন্য বিশেষ ছুটি কবে?
উত্তর: শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে তারা সহজেই নিজ নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াত করতে পারেন।
প্রশ্ন ৫: এই ছুটির মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: মূলত সাধারণ ভোটারদের যাতায়াত সহজ করা এবং শিক্ষক-কর্মচারীরা যাতে নির্বিঘ্নে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন ও ভোট প্রদান করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই এই ছুটির মূল উদ্দেশ্য।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ‘জেড’ থেকে 'বি' ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিরছে বাংলাদেশ ইঙ্গিত দিল আইসিসি
- শবে বরাতের নামাজের নিয়ম, দোয়া ও ২০২৬ সালের গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক তারিখ
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিরছে বাংলাদেশ!
- আইসিসির বৈঠকে চিৎকার বিসিবি সভাপতির বুলবুলের
- আজ বার্সেলোনা বনাম ওভিয়েদো ম্যাচ: কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: পাকিস্তানের সামনে তিন পথ
- আজ ৮ কোম্পানির বোর্ড সভা: আসছে ইপিএস
- আজকের স্বর্ণের দাম: (সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬)
- আর্সেনাল বনাম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড: প্রিভিউ, ইনজুরি আপডেট ও সম্ভাব্য একাদশ
- আর্জেন্টিনার ম্যাচ কবে কখন? জানুন ম্যাচের সময়সূচি
- সাবধান! আপনার এই ৮টি ভুলেই কি দ্রুত টাক পড়ে যাচ্ছে? আজই জানুন
- টানা ৪ দিনের লম্বা ছুটির ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি
- আজকের সকল দেশের টাকার রেট ও সোনার দাম (২৬ জানুয়ারি)
- আজকের খেলার সময়সূচি:বাংলাদেশ বনাম ইংল্যান্ড