Alamin Islam
Senior Reporter
রোজাদারদের সুখবর: এই ১০টি কাজ করলেও রোজা হবে
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান। মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ এই সিয়াম সাধনা। তবে রোজা পালন অবস্থায় অনেক রোজাদারই দৈনন্দিন কিছু কাজ নিয়ে সংশয়ে ভোগেন। সঠিক মাসয়ালা বা নিয়ম জানা না থাকায় অনেক সময় বৈধ কাজকেও রোজা ভঙ্গের কারণ মনে করে দুশ্চিন্তা করেন অনেকে।
শরীয়তের বিধান অনুযায়ী এমন কিছু কাজ আছে, যা রোজা রাখা অবস্থায় করলেও আপনার রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। পাঠকদের জন্য এমন ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিচে তুলে ধরা হলো:
১. অসতর্কতায় কিছু খেয়ে ফেলা
যদি কোনো ব্যক্তি রোজা থাকার কথা একদম ভুলে গিয়ে কিছু পান করেন বা খেয়ে ফেলেন, তবে তার রোজা নষ্ট হবে না। তবে রোজা থাকার কথা মনে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৎক্ষণাৎ পানাহার বন্ধ করে দিতে হবে।
২. সুবাস গ্রহণ ও আতর মাখা
রোজা রেখে সুগন্ধি দ্রব্য যেমন— আতর ব্যবহার করা কিংবা ফুল বা অন্য কোনো পবিত্র জিনিসের ঘ্রাণ নেওয়ায় কোনো বাধা নেই। এটি রোজার ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না।
৩. লালা বা থুতু গেলা
মুখের ভেতর স্বাভাবিকভাবে তৈরি হওয়া থুতু বা কফ (যদি তা জমা করে না রাখা হয়) গিলে ফেললে রোজা নষ্ট হয় না। এটি একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া।
৪. তেল মর্দন করা
চুলে বা শরীরে তেল মালিশ করা যাবে। এটি রোজা ভঙ্গের কোনো কারণ নয় এবং এতে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না।
৫. শীতল হওয়ার জন্য গোসল
তীব্র গরমে শরীর ঠান্ডা করতে বা প্রশান্তি পেতে গোসল করা সম্পূর্ণ জায়েজ। স্বাভাবিকভাবে গোসল করলে রোজা বজায় থাকে।
৬. ঘুমের মধ্যে স্বপ্নদোষ
নিদ্রাবস্থায় যদি কারও অনিচ্ছাকৃতভাবে স্বপ্নদোষ হয়, তবে তার রোজা ভাঙবে না। এক্ষেত্রে দ্রুত পবিত্র হয়ে নেওয়া জরুরি।
৭. মেসওয়াক করা
দাঁত পরিষ্কারের জন্য মেসওয়াক করা সুন্নাত। রোজা রেখে মেসওয়াক করলে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না।
৮. আকস্মিক বমি হওয়া
যদি কোনো কারণে রোজাদারের অনিচ্ছাকৃতভাবে বা হঠাৎ বমি হয়, তবে তাতে রোজা ভাঙবে না।
৯. চোখের যত্ন ও সুরমা
প্রয়োজনে চোখে সুরমা ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া চোখের চিকিৎসায় ড্রপ বা অন্য কোনো ওষুধ ব্যবহার করলেও রোজা অটুট থাকে।
১০. ইনজেকশন গ্রহণ
চিকিৎসার প্রয়োজনে শরীর বা মাংসপেশিতে সাধারণ ইনজেকশন নিলে রোজা নষ্ট হয় না। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যদি ইনজেকশনটি শক্তিবর্ধক বা পুষ্টিদায়ক হয়, তবে রোজা ভেঙে যাবে।
রমজান মাস আমাদের জন্য এক মহিমান্বিত উপহার। সঠিক নিয়ম জেনে রোজা পালনের মাধ্যমে আমরা যেমন আধ্যাত্মিক শান্তি পেতে পারি, তেমনি অপ্রয়োজনীয় দ্বিধা থেকেও মুক্ত থাকতে পারি।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- টানা দ্বিতীয় বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে আর্জেন্টিনা: হুঙ্কার আলভারেজের
- ব্রাজিল বনাম পানামা: মুখোমুখি দুই দলে দেখুন সময়সূচি
- হন্ডুরাস বনাম আর্জেন্টিনা: মাঠে নামছে দুই দল দেখেনিন সময় সূচী
- ভূমিকম্পে কাঁপলে বাংলাদেশ, উৎপত্তিস্থল কোথায়?
- পর্তুগালের পরবর্তী ম্যাচ কবে কখন, কার সাথে জানুন সময়সূচি
- জার্মানির পরবর্তী ম্যাচ কবে কখন, কার সাথে জানুন সময়সূচি
- আজকের খেলার সময়সূচি:ক্রিস্টাল প্যালেস বনাম রায়ো ভায়েকানো