MD. Razib Ali
Senior Reporter
ঈদের পরেই ১৩৫৯৯ পদে বড় নিয়োগ পরীক্ষা শুরু
দেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘প্রতিষ্ঠান প্রধান’ নিয়োগের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে। ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষ হওয়ার পরপরই অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সুপারসহ মোট ১৩ হাজার ৫৯৯টি শূন্য পদে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন
পূর্বে এনটিআরসিএ আগামী ১৭ ও ১৮ এপ্রিল এই নিয়োগ পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করেছিল। তবে গত রবিবার (১ মার্চ) রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডে এনটিআরসিএ কর্মকর্তাদের সাথে এক জরুরি বৈঠকে মন্ত্রী এই পরিকল্পনা পরিবর্তনের নির্দেশ দেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। বরং বর্তমান সময়সূচি থেকে অন্তত ১৫-২০ দিন এগিয়ে এনে ঈদের পরপরই দ্রুততম সময়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে।"
নিয়োগের পরিসংখ্যান ও প্রতিযোগিতা
এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জানুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন জমা নেয়া হয়। মোট ১৩ হাজার ৫৯৯টি পদের জন্য সারা দেশ থেকে ৮০ হাজারেরও বেশি শিক্ষক আবেদন করেছেন।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে। এই পদের ৩ হাজার ৮৭২টি শূন্য আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ২৬ হাজার ৮২৬টি। এছাড়া ৩ হাজার ৯২৩টি প্রধান শিক্ষক পদের জন্য ১৯ হাজার ৮৩৮ জন শিক্ষক লড়ছেন।
অন্যান্য পদের আবেদনের চিত্র:
কলেজ পর্যায়: ডিগ্রি পাস কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে ৬২৭টি সিটের বিপরীতে ৬,০৮২ জন এবং উচ্চমাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ পদের ৫১১টি আসনের বিপরীতে ৫,৬৩০ জন প্রার্থী রয়েছেন। ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ পদে ৫৮৪টি শূন্য পদের বিপরীতে ৫৫০ জন আবেদন করেছেন।
মাদ্রাসা পর্যায়: ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ (২০২ পদ) পদে ১,২৩৩ জন ও উপাধ্যক্ষ (৩৪৩ পদ) পদে ৯৯৫ জন আবেদন করেছেন। কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ পদে ৫৩৩ জন এবং আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ পদে ১,৫১৮ জন প্রার্থী লড়ছেন। দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও সহকারী সুপার পদের জন্য মোট আবেদন জমা পড়েছে যথাক্রমে ২,৬৪৫ ও ২,৯৮৭টি।
মূল্যায়নের মানদণ্ড ও সিলেবাস
নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের ১০০ নম্বরের একটি সমন্বিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এর বিভাজন নিম্নরূপ:
১. লিখিত পরীক্ষা (MCQ): ৮০ নম্বর। (প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে)।
২. শিক্ষাগত সনদ: ১২ নম্বর।
৩. মৌখিক পরীক্ষা: ৮ নম্বর।
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য প্রতিটি অংশে আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পাওয়া বাধ্যতামূলক। এক ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা এবং সাধারণ জ্ঞানের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার ওপর প্রশ্ন থাকবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মৌলিক জ্ঞান যাচাই করা হবে।
পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সর্বশেষ জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে এনটিআরসিএ।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা কে? আলোচনায় যে ৫ নাম
- আজকের খেলার সময়সূচি:ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
- মার্চে তেলের নতুন দাম: ডিজেল ও অকটেন কত টাকা?
- বিপদে ক্যাপ্টেন কুল! ধোনিকে সরকারি কড়া আইনি নোটিশ
- ভারতের বিপক্ষে গেইলের বাজি, ফিরল ২০১৬-র মধুর স্মৃতি
- বিসিএলে জিসানের সেঞ্চুরি ও হাসানের অবিশ্বাস্য জয়
- নারী এশিয়ান কাপ-বাংলাদেশ বনাম চীন ম্যাচ কবে, কখন জানুন সময়সূচি
- স্বর্ণের দাম ফের বাড়ল: এক সপ্তাহেই ৯,৮৫৬ টাকা বৃদ্ধি!
- নারী এশিয়ান কাপ ২০২৬- মুখোমুখি বাংলাদেশ বনাম চীন, জানুন সময়সূচি
- বিসিবিতে সবাই ভালো না! বোর্ড নিয়ে সুজনের বড় মন্তব্য
- নবম পে স্কেল সর্বশেষ যা জানা গেল
- কেন সরলেন জয়সুরিয়া? শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটে বড় সিদ্ধান্ত
- পাকিস্তান সিরিজে কি খেলবেন তানজিম সাকিব? মিলল বড় সুখবর!
- সাকিবের দেশ থেকে বিদায় হবে বড় গর্বের: মোসাদ্দেক
- বিসিএলে জিসান-আকবরের সেঞ্চুরি, নির্বাচকদের নিয়ে যা বললেন আশরাফুল