ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২

Md Razib Ali

Senior Reporter

বার্জার পেইন্টসের রাইট শেয়ার তহবিলের সময় বাড়াল বিএসইসি

শেয়ারনিউজ ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৯ ২২:৪৩:৩৯
বার্জার পেইন্টসের রাইট শেয়ার তহবিলের সময় বাড়াল বিএসইসি

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক রং প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডকে তাদের রাইট শেয়ারের মাধ্যমে সংগৃহীত তহবিল ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত সময় দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সম্প্রতি বিএসইসির এক সভায় কোম্পানিটির আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

তহবিলের লক্ষ্য ও বর্তমান অবস্থা

২০২৫ সালের আগস্টে রাইট শেয়ার ইস্যু করে বিপুল পরিমাণ মূলধন সংগ্রহ করেছিল বার্জার পেইন্টস। মূলত ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ এবং আধুনিকায়নের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিকল্পনা অনুযায়ী সব অর্থ ব্যয় করা সম্ভব না হওয়ায় কোম্পানিটি বিএসইসির কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন জানায়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা সার্বিক দিক বিবেচনা করে এই তহবিল ব্যবহারের নতুন সময়সীমা ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নির্ধারণ করে দিয়েছে।

বিনিয়োগের মূল খাত

বার্জার পেইন্টস তাদের এই সংগৃহীত মূলধনের সিংহভাগ ব্যয় করবে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরে (বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল) তাদের তৃতীয় কারখানা স্থাপনের পেছনে। এর পাশাপাশি রাইট শেয়ার ইস্যু সংক্রান্ত বিবিধ খরচ মেটাতেও এই অর্থ ব্যবহৃত হবে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মিরসরাইয়ের এই প্রকল্প সম্পন্ন হলে বার্জার পেইন্টসের উৎপাদন সক্ষমতা যেমন বাড়বে, তেমনি জাতীয় অর্থনীতিতেও তা বড় ভূমিকা রাখবে।

রাইট ইস্যুর আর্থিক রূপরেখা

উল্লেখ্য, বার্জার পেইন্টস প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি করে (১:১ হারে) রাইট শেয়ার ইস্যু করেছিল। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এই শেয়ারগুলোর প্রতিটি প্রিমিয়ামসহ ১ হাজার ১১০ টাকায় বিক্রি করা হয়। সর্বমোট ২৭ লাখ ২৮ হাজার ১১১টি সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৩০২ কোটি ৮২ লাখ ৩ হাজার ২১০ টাকা সংগ্রহ করে। প্রাথমিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের পাশাপাশি বড় শেয়ারহোল্ডারদের অংশগ্রহণে এই মূলধন সংগৃহীত হয়।

ব্যবস্থাপনায় ছিল যারা

এই বৃহৎ রাইট শেয়ার ইস্যু প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। ২০২৫ সালের ১৫ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত এই শেয়ারের জন্য আবেদনের সুযোগ পেয়েছিলেন বিনিয়োগকারীরা।

বিএসইসির এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে কোম্পানিটি এখন স্বচ্ছতার সাথে তাদের প্রকল্পের কাজগুলো শেষ করার বাড়তি সুযোগ পেল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বড় প্রকল্পের ক্ষেত্রে সময়ের প্রয়োজন হয়, তাই বিএসইসির এই সহযোগিতা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সহায়ক হবে।

তানভির ইসলাম।

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ

বিএসইসির বড় অ্যাকশন: নিষিদ্ধ ফারইস্ট লাইফের অডিটর

বিএসইসির বড় অ্যাকশন: নিষিদ্ধ ফারইস্ট লাইফের অডিটর

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আর্থিক প্রতিবেদনে অনিয়মের দায়ে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ... বিস্তারিত