Md Razib Ali
Senior Reporter
সময় বাড়ানোর আগে ব্রোকারদের ‘আমলনামা’ চায় বিএসইসি
পুঁজিবাজারে নতুন ‘মার্জিন রুলস-২০২৫’ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই বিধিমালা কার্যকরের সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর প্রকৃত সক্ষমতা ও প্রস্তুতির হালনাগাদ তথ্য তলব করেছে সংস্থাটি। মূলত কতটি হাউজ নিয়ম মানতে কতটুকু এগিয়েছে, তা যাচাই করতেই এই প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।
বিএসইসির কড়া বার্তা
গত ১২ এপ্রিল (রোববার) বিএসইসির পক্ষ থেকে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) বরাবর একটি দাপ্তরিক চিঠি পাঠানো হয়। সংস্থাটির উপপরিচালক মো. রফিকুন্নবী স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ব্রোকারদের বর্তমান অগ্রগতি নিয়ে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কমিশন জানতে চেয়েছে, নতুন বিধিমালার শর্ত পূরণে ব্রোকারেজ হাউজগুলো কতটুকু আন্তরিক এবং তাদের বর্তমান সক্ষমতা ঠিক কোন পর্যায়ে রয়েছে।
ডিবিএর আবেদন ও প্রেক্ষিত
এর আগে ৭ এপ্রিল ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম কমিশনের চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের কাছে সময় বাড়ানোর একটি লিখিত প্রস্তাব পেশ করেন। সেখানে বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নতুন মার্জিন রুলস পুরোপুরি পরিপালনের জন্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আরও তিন মাস বাড়তি সময় চাওয়া হয়। এই আবেদনের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতেই এখন ব্রোকারদের অভ্যন্তরীণ তথ্যের ওপর জোর দিচ্ছে বিএসইসি।
যেসব তথ্যের ওপর নজর কমিশনের
বিএসইসি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সময় বাড়ানোর বিষয়টি পর্যালোচনায় আনা হলেও ব্রোকারদের প্রস্তুতির স্বচ্ছ চিত্র ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। ব্রোকারদের কাছে বিএসইসির চাওয়া প্রধান তথ্যগুলো হলো:
কতগুলো হাউজ ইতোমধ্যে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন করেছে।
কনজারভেটিভ পলিসি গ্রহণে ব্রোকারদের অগ্রগতির হার কতটুকু।
আরবিসিএ রুলস মেনে চলতে ব্রোকাররা কতটুকু সক্ষম।
যেসব ব্রোকারের কোনো আনরিয়েলাইজড লস বা নেগেটিভ ইক্যুইটি নেই, তাদের তালিকা।
কেন বাড়তি সময়ের দাবি?
২০২৪ সালের ১ নভেম্বর মার্জিন রুলসটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়, যা আগামী ৩০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা ও বাজারের ঝুঁকি কমাতে এই বিধিতে বেশ কিছু আধুনিক ও কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তবে ডিবিএ-র দাবি, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং প্রযুক্তিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য নির্ধারিত ছয় মাস সময় যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে নতুন সফটওয়্যার স্থাপন ও সিস্টেম আপগ্রেডেশনের জন্য বাড়তি তিন মাস সময় প্রয়োজন।
পর্যবেক্ষকদের অভিমত
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই তথ্য তলবের মাধ্যমে বিএসইসি মূলত ‘প্রকৃত প্রস্তুত’ এবং ‘সময়ক্ষেপণকারী’ ব্রোকারদের মধ্যে পার্থক্য করতে চায়। ব্রোকারদের দেওয়া তথ্যের সত্যতা এবং তাদের সামগ্রিক অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হবে মার্জিন রুলস কার্যকরের চূড়ান্ত সময়সীমা।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ৮ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার ধুম
- শেয়ারবাজারে আসছে বড় পরিবর্তন
- ৫ কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা: আসছে ডিভিডেন্ড ও ইপিএস
- বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিএসই সতর্কবার্তা
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন
- আবহাওয়ার খবর: তীব্র গরমে বড় সুখবর, ৪ বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস
- দলে ফিরলেন সাব্বির-সৌম্য
- আজকের মালয়েশিয়ান রিংগিত রেট (১৩এপ্রিল ২০২৬)
- আজকের খেলার সময়সূচি:পেশোয়ার বনাম মুলতান
- আর্জেন্টিনার কপালে চিন্তার ভাঁজ: ৩ তারকার চোট!
- চলছে বাংলাদেশ বনাম আজারবাইজান ম্যাচ: সরসরি দেখুন Live
- আজকের নামাজের সময়সূচি: (সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬)
- আজকের খেলার সময়সূচি:অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ বনাম বার্সেলোনা
- হজ ভিসা: কঠোর বার্তা সৌদি মন্ত্রণালয়ের