বিক্রির চাপে ডিএসই, কমেছে প্রধান তিন সূচক
সোমবারের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ক্রেতাদের তুলনায় বিক্রির চাপই বেশি ছিল। দিন শেষে ২৯৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমার বিপরীতে দাম বেড়েছে মাত্র ৫৬টির। এই দুর্বল অবস্থানের প্রভাব পড়েছে বাজারের সূচকেও—ডিএসইর প্রধান তিন সূচকই দিনের লেনদেন শেষে নিম্নমুখী রয়েছে। তবে দিনটিতে মোট ৪৮৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে।
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ডিএসইতে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ৫৬৮টি লেনদেন সম্পন্ন হয়। এ সময় বাজারে হাতবদল হয়েছে ১৮ কোটি ৬০ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬৫টি শেয়ার ও ইউনিট।
তিন সূচকের অবস্থানই নিচে
দিনের বাজার পরিস্থিতির প্রতিফলন দেখা গেছে ডিএসইর প্রধান সূচকগুলোতে। সবচেয়ে বড় সূচক ডিএসইএক্স দিনের শেষে ৩৯ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট হারিয়েছে। ০ দশমিক ৭৩ শতাংশ পতনের পর সূচকটি থেমেছে ৫ হাজার ৩৭৯ পয়েন্টে।
একই চিত্র ছিল ডিএসইএস সূচকে। দিন শেষে এটি ৮ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট নিচে নেমেছে, যা শতাংশের হিসাবে ০ দশমিক ৭৯ শতাংশ। ফলে ডিএসইএসের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৬ দশমিক ৮৫ পয়েন্টে।
বাছাই করা কোম্পানিগুলোর শেয়ার নিয়ে গঠিত ডিএস-৩০ সূচকও দিন শেষে ঊর্ধ্বমুখী হতে পারেনি। সূচকটি ৯ দশমিক ২০ পয়েন্ট কমেছে। ০ দশমিক ৪৪ শতাংশ পতনের পর ডিএস-৩০ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬২ দশমিক ৮১ পয়েন্টে।
দরবৃদ্ধির চেয়ে দরপতন প্রায় ছয় গুণ
সোমবারের বাজারে কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরের পরিবর্তনেও স্পষ্ট হয়েছে নেতিবাচক প্রবণতা। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মাত্র ৫৬টির দর ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
অন্যদিকে, ২৯৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে। অর্থাৎ দর বেড়েছে এমন প্রতিষ্ঠানের তুলনায় দর হারানো প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ছয় গুণ। এর বাইরে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দামে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
এই পরিসংখ্যানেই দিনের বাজারের সামগ্রিক চিত্রটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে—অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমার পাশাপাশি সূচকগুলোর অবস্থানও ছিল নিম্নমুখী।
লেনদেনে হাতবদল ১৮ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার-ইউনিট
সূচকের পতনের দিনে ডিএসইতে মোট ৪৮৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। দিনভর বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচাকে ঘিরে ১ লাখ ৬১ হাজার ৫৬৮টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
লেনদেনের পরিমাণের হিসাবে বাজারে হাতবদল হয়েছে ১৮ কোটি ৬০ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬৫টি শেয়ার ও ইউনিট। সব মিলিয়ে সোমবারের কার্যক্রমে লেনদেনের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৮৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
বাজারের সার্বিক চিত্র নেতিবাচক
একদিকে তিনটি প্রধান সূচকের পতন, অন্যদিকে দর হারানো প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি—দুই দিকের চিত্রই সোমবার ডিএসইর দুর্বল অবস্থানকে সামনে এনেছে। ৫৬টি প্রতিষ্ঠানের দর বাড়লেও ২৯৯টির কমেছে এবং ৩৫টির শেয়ার ও ইউনিট অপরিবর্তিত থেকেছে।
ফলে ১৪ সেপ্টেম্বরের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সূচক ও অধিকাংশ শেয়ারের দরের ক্ষেত্রে দিনের সামগ্রিক প্রবণতা ছিল নিম্নমুখী।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ২১ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় যে ব্যাংক
- শেয়ার বাজারের পতন থামাতে অবকাঠামো সংস্কারের তাগিদ, সিসিপি নিয়ে প্রশ্ন
- আজকের অবহাওয়ার খবর: বৃষ্টি নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- মিরাজের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স, যতো উইকেট ও যতো রান করলেন
- পে-স্কেলের গেজেট কবে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরও কেন অপেক্ষা
- তিন সরকারি ট্রেজারি বন্ডের লেনদেন ও কুপন পেমেন্টের রেকর্ড ডেট ঘোষণা
- ব্রাজিলের পরবর্তী ম্যাচ কবে, জেনে নিন পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও প্রতিপক্ষ
- ম্যানচেস্টার ডার্বিতে হালান্ডেরবিতর্কিত গোল নিয়ে বড় ভুল স্বীকার রেফারিদের
- ইমপেরিয়াল কলেজে বিনামূল্যে পিএইচডি, মিলবে বছরে ২৭ হাজার পাউন্ড উপবৃত্তি
- Redmi Note 17 Review: এর দাম ২৯–৩২ হাজার? 4G-5G ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে যা জানা জরুরি