ঢাকা, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

মামির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে বিএনপি নেতাকে ঘিরে উত্তেজনা

সারাদেশ ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৪ ১৬:৪৭:৫০
মামির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে বিএনপি নেতাকে ঘিরে উত্তেজনা

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে গভীর রাতে একটি বাড়িতে প্রবেশকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত হিসেবে স্থানীয় বিএনপির এক নেতার নাম সামনে এসেছে। তাঁর বিরুদ্ধে নিজের মামির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলেছে মামার পরিবার। পরে বিষয়টি নিয়ে ওই নেতার সঙ্গে তাঁর মামার বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয় বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। এতে দুজনই আহত হয়েছেন।

ঘটনাকে ঘিরে পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গা এলাকায় উত্তেজনাও ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাতের ঘটনার পর বাড়িতে জড়ো হন স্থানীয়রা

ঘটনার সময় ছিল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টা। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওই সময় শিমুল গোপনে তাঁর মামা ইসরাফিল আলী ওরফে কিনুর বাড়িতে যান।

ইসরাফিল আলী তখন দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরেছিলেন। পরিবারের দাবি অনুযায়ী, বাড়িতে এসে তিনি ঘরের ভেতরে শিমুল ও তাঁর স্ত্রীকে দেখতে পান। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে শিমুল পরে পাশের একটি কক্ষে গিয়ে লুকিয়ে পড়েন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিষয়টি দ্রুত পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যে স্থানীয় লোকজনও সেখানে এসে জড়ো হন।

একপর্যায়ে শুরু হয় বাগ্‌বিতণ্ডা

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে শিমুলকে ওই কক্ষ থেকে বাইরে আনা হয়। তখন তাঁর সঙ্গে ইসরাফিল আলীর কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি একসময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে হাতাহাতিতে গড়ায়।

এতে শিমুল এবং ইসরাফিল আলী দুজনেই আহত হন। পরে স্থানীয়দের উদ্যোগে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

কে এই শিমুল

অভিযোগের মুখে থাকা শিমুল পলাশবাড়ী উপজেলার ৬ নম্বর বেতকাপা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব। তাঁর বিরুদ্ধে মামার পরিবারের পক্ষ থেকেই অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে শিমুলের বক্তব্য জানা যায়নি। তাঁর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। একই বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের কাছ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশের বক্তব্য কী

ঘটনাটি নিয়ে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি।

তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোনো পক্ষকে নিজের হাতে আইন তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ফলে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ এখন লিখিত অভিযোগ ও তদন্তের ওপর নির্ভর করছে।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ