ওয়ারিশ সনদে ভুল থাকলে কী করবেন? সংশোধনের নিয়ম জানুন
ওয়ারিশ সনদে নাম বাদ পড়া, মৃত ব্যক্তির নাম ভুল লেখা, ওয়ারিশের সংখ্যা কম বা বেশি হওয়া কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে নামের অমিল থাকলে জমির নামজারি ও উত্তরাধিকারসংক্রান্ত কাজে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে ভুল তথ্যের কারণে ওয়ারিশ সনদে সমস্যা হলে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যায়। এ ক্ষেত্রে সনদটি যে কর্তৃপক্ষ থেকে ইস্যু করা হয়েছে, সেখানে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ আবেদন করতে হবে। আর ভুলটি যদি প্রকৃত উত্তরাধিকারী কে, তা নিয়ে বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে শুধু নাম সংশোধনের আবেদন যথেষ্ট নাও হতে পারে।
বাংলাদেশে জমি ভাগাভাগি, নামজারি, ব্যাংকের অর্থ উত্তোলন কিংবা অন্যান্য উত্তরাধিকারসংক্রান্ত কাজে ওয়ারিশ সনদ গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই সনদে ভুল ধরা পড়লে সেটি অবহেলা না করে দ্রুত সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তবে সংশোধনের পদ্ধতি নির্ভর করবে ভুলের ধরন, সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর।
ওয়ারিশ সনদে কী ধরনের ভুল হতে পারে?
ওয়ারিশ সনদে বিভিন্ন ধরনের ভুল দেখা যায়। কখনো তথ্য লেখার সময় অসাবধানতার কারণে নামের বানান ভুল হয়। আবার কখনো কোনো বৈধ ওয়ারিশের নাম বাদ পড়ে যায় কিংবা মৃত ব্যক্তির সঙ্গে ওয়ারিশের সম্পর্ক ভুলভাবে উল্লেখ করা হয়।
সাধারণত যেসব ভুল দেখা যায়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১. ওয়ারিশের নামের বানান ভুল হওয়া।
২. বাবা বা মায়ের নামের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা জন্মনিবন্ধনের তথ্যের অমিল থাকা।
৩. কোনো বৈধ ওয়ারিশের নাম সনদে অন্তর্ভুক্ত না হওয়া।
৪. মৃত ব্যক্তির নাম বা মৃত্যুসংক্রান্ত তথ্য ভুল লেখা।
৫. ওয়ারিশের সংখ্যা বা পারিবারিক সম্পর্কের বিবরণে ভুল থাকা।
৬. একই ব্যক্তির নাম একাধিকবার লেখা কিংবা ভুল ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া।
তবে নামের বানান ভুল এবং কোনো ওয়ারিশকে বাদ দেওয়া এক ধরনের সমস্যা নয়। প্রথমটি প্রমাণের ভিত্তিতে প্রশাসনিকভাবে সংশোধন করা সম্ভব হতে পারে। কিন্তু কারা প্রকৃত ওয়ারিশ, তা নিয়ে বিরোধ থাকলে বিষয়টি আরও যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
ওয়ারিশ সনদে ভুল থাকলে কোথায় আবেদন করবেন?
ওয়ারিশ সনদ সাধারণত সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌর এলাকায় পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের কাছে যোগাযোগ করতে হবে।
সনদটি যে দপ্তর থেকে ইস্যু করা হয়েছে, প্রথমে সেই দপ্তরে গিয়ে ভুলের বিষয়টি জানান। এরপর কীভাবে সংশোধনের আবেদন করতে হবে এবং কী কী প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে, তা জেনে নিন।
আবেদনে সনদের নম্বর ও তারিখ, ভুল তথ্য এবং তার পরিবর্তে সঠিক তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা উচিত। সঙ্গে বিদ্যমান ওয়ারিশ সনদের কপি এবং সঠিক তথ্যের পক্ষে প্রাসঙ্গিক নথি জমা দিতে হতে পারে।
কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে আবেদনকারীর পরিচয়, পারিবারিক সম্পর্ক এবং ওয়ারিশদের তথ্য যাচাই করতে পারে। স্থানীয় নিয়ম ও সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজপত্রও চাওয়া হতে পারে।
নামের বানান ভুল হলে কী করবেন?
ওয়ারিশ সনদে নামের বানান ভুল থাকলে প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন সনদ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য পরিচয়পত্রের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে দেখুন।
এরপর সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করুন। আবেদনের সঙ্গে ভুল থাকা সনদের কপি এবং সঠিক নামের পক্ষে প্রাসঙ্গিক পরিচয়পত্র সংযুক্ত করুন।
উদাহরণ হিসেবে, কারও জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম লেখা রয়েছে ‘মো. আব্দুল করিম’, কিন্তু ওয়ারিশ সনদে ভুল করে ‘মো. আবদুল করিম’ লেখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বানান সংশোধনের আবেদন করা যেতে পারে।
আরও পড়ুন:
জমি কেনার আগে CS, SA, RS ও BS খতিয়ান চিনে নিন
দলিল, খতিয়ান ও নামজারি: জমির মালিকানা কীভাবে বুঝবেন?
অনলাইনে জমির দাগ নম্বর ও খতিয়ান বের করার নিয়ম
তবে নামের পার্থক্য যদি এতটাই বেশি হয় যে দুই নথিতে একই ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়, তাহলে অতিরিক্ত প্রমাণ প্রয়োজন হতে পারে।
ওয়ারিশের নাম বাদ পড়লে কী করবেন?
ওয়ারিশ সনদে কোনো বৈধ উত্তরাধিকারীর নাম বাদ পড়লে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ, ভুল ওয়ারিশ তালিকার ভিত্তিতে জমির নামজারি, বণ্টন বা অন্যান্য সম্পত্তিসংক্রান্ত কাজ করা হলে ভবিষ্যতে বিরোধ দেখা দিতে পারে।
এ ক্ষেত্রে সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানান। বাদ পড়া ব্যক্তির পরিচয়, মৃত ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক এবং উত্তরাধিকারী হওয়ার পক্ষে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিন।
প্রয়োজনে মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ, পারিবারিক তথ্য, জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হতে পারে।
তবে কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারিশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ থাকলে কর্তৃপক্ষের যাচাই ছাড়া শুধু আবেদনের ভিত্তিতে নাম যুক্ত হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। উত্তরাধিকার নিয়ে প্রকৃত বিরোধ দেখা দিলে আইনজীবীর পরামর্শে উপযুক্ত আইনি প্রতিকার নিতে হতে পারে।
ওয়ারিশ সনদে ভুল থাকলে কী কী কাগজপত্র লাগতে পারে?
সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় নথি ভুলের ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। সাধারণভাবে নিচের কাগজপত্রগুলো প্রস্তুত রাখা ভালো।
১. আগে ইস্যু করা ওয়ারিশ সনদের কপি।
২. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ।
৩. মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ।
৪. সংশোধন করতে চাওয়া তথ্যের পক্ষে পরিচয়পত্র বা অন্যান্য প্রমাণ।
৫. ওয়ারিশদের পারিবারিক সম্পর্ক প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় নথি।
৬. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্য ওয়ারিশদের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র।
৭. জমির নামজারি বা উত্তরাধিকারসংক্রান্ত কাজে ভুল ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট আবেদন বা নথির কপি।
সব ক্ষেত্রে সব কাগজ প্রয়োজন হবে না। তাই আবেদন করার আগে সনদ প্রদানকারী দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় নথির তালিকা জেনে নেওয়া উচিত।
ওয়ারিশ সনদে ভুলের কারণে জমির নামজারি আটকে গেলে কী করবেন?
ওয়ারিশ সনদের তথ্যের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন বা জমির দলিলে থাকা নামের অমিলের কারণে নামজারি আবেদন নিয়ে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের কাছে কোন তথ্যের অসংগতি রয়েছে, তা পরিষ্কারভাবে জেনে নিন।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ওয়ারিশ সনদের নামের সঙ্গে দলিল বা নামজারি আবেদনকারীর নামের পার্থক্য থাকলে জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের তথ্য অনুযায়ী সনদ দাখিলের নির্দেশনা রয়েছে। তাই নামের অমিল থাকলে প্রাসঙ্গিক পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে সনদ মিলিয়ে সংশোধনের প্রয়োজন আছে কি না, তা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমে ওয়ারিশ সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করুন। এরপর সংশোধিত সনদ সংগ্রহ করে নামজারি আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী জমা দিন।
তবে নামজারি আটকে যাওয়ার কারণ শুধু ওয়ারিশ সনদের ভুল নাও হতে পারে। জমির মালিকানা, উত্তরাধিকারীদের অংশ, দলিল বা অন্যান্য নথিতে সমস্যা থাকলেও আবেদন নিষ্পত্তিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস থেকে আপত্তির সুনির্দিষ্ট কারণ জেনে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
ওয়ারিশ সনদ সংশোধন করতে কত দিন লাগে?
ওয়ারিশ সনদ সংশোধনের জন্য সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে একই সময়সীমা প্রযোজ্য—এমন সাধারণ নিয়ম নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। ভুলের ধরন, তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রক্রিয়া এবং অতিরিক্ত কাগজপত্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর সময় নির্ভর করতে পারে।
নামের সামান্য বানান ভুলের ক্ষেত্রে যাচাই তুলনামূলক সহজ হতে পারে। কিন্তু কোনো ওয়ারিশের নাম বাদ পড়লে বা পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে অধিকতর যাচাই প্রয়োজন হতে পারে।
তাই আবেদন জমা দেওয়ার সময় প্রাপ্তিস্বীকার বা আবেদন নম্বর সংরক্ষণ করুন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অগ্রগতি না হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করে আবেদনের অবস্থা জানতে চান।
ভুল ওয়ারিশ সনদ ব্যবহার করলে কী সমস্যা হতে পারে?
ওয়ারিশ সনদে ভুল তথ্য থাকা সত্ত্বেও সেটি ব্যবহার করে জমির নামজারি, সম্পত্তি বণ্টন বা অন্য কোনো উত্তরাধিকারসংক্রান্ত কাজ করলে পরবর্তী সময়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
কোনো বৈধ ওয়ারিশের নাম বাদ পড়লে তাঁর অধিকার নিয়ে বিরোধ দেখা দিতে পারে। আবার ভুল ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত থাকলে সম্পত্তির অংশ বণ্টন বা মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সনদ সংগ্রহ করা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনগত জটিলতাও তৈরি হতে পারে। তাই ভুল ধরা পড়লে সেটি গোপন না রেখে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়াই নিরাপদ।
ওয়ারিশ সনদে ভুল থাকলে প্রথমে ভুলের ধরন চিহ্নিত করুন। নামের বানান বা পরিচয়সংক্রান্ত তথ্যের অমিল হলে সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কাছে প্রমাণপত্রসহ সংশোধনের আবেদন করুন। আর কোনো ওয়ারিশের নাম বাদ পড়া বা প্রকৃত উত্তরাধিকারী নিয়ে বিরোধ থাকলে বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করান।
বিশেষ করে জমির নামজারি বা সম্পত্তি বণ্টনের আগে ওয়ারিশ সনদের তথ্যের সঙ্গে পরিচয়পত্র এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি মিলিয়ে নেওয়া জরুরি। এতে ভবিষ্যতের বিরোধ ও অপ্রয়োজনীয় হয়রানি এড়ানো সহজ হতে পারে।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: ওয়ারিশ সনদে নামের বানান ভুল হলে কী করবেন?
উত্তর: সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করুন। জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন বা সঠিক নামের পক্ষে প্রাসঙ্গিক নথি জমা দিতে হতে পারে।
প্রশ্ন ২: ওয়ারিশ সনদে কোনো ওয়ারিশের নাম বাদ পড়লে কী হবে?
উত্তর: সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়ে বাদ পড়া ব্যক্তির পরিচয় ও উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পর্কের প্রমাণ জমা দিতে হবে। বিরোধ থাকলে অতিরিক্ত যাচাই বা আইনি প্রতিকার প্রয়োজন হতে পারে।
প্রশ্ন ৩: ওয়ারিশ সনদ সংশোধনের আবেদন কোথায় করবেন?
উত্তর: সাধারণত যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সনদটি ইস্যু করেছে, সেখানেই প্রথমে যোগাযোগ করতে হবে।
প্রশ্ন ৪: ওয়ারিশ সনদের ভুলের কারণে জমির নামজারি আটকে গেলে কী করবেন?
উত্তর: ভূমি অফিস থেকে আপত্তির কারণ জেনে সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধন করান। এরপর সংশোধিত নথি নামজারি আবেদনে জমা দিন।
প্রশ্ন ৫: ওয়ারিশ সনদ সংশোধন করতে কি আদালতে যেতে হয়?
উত্তর: সব ক্ষেত্রে নয়। সাধারণ তথ্যগত ভুল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশোধন করা সম্ভব হতে পারে। কিন্তু প্রকৃত ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকার অধিকার নিয়ে বিরোধ থাকলে পরিস্থিতি অনুযায়ী আদালতের সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- vivo-এর সেরা ৫ গেমিং ফোন, কোনটার দাম কত?
- মোবাইলেই নিজের জমির দাগ নম্বর বের করার নিয়ম
- Honor Win RT 2: ১২,০৭০mAh ব্যাটারি, দাম ও স্পেসিফিকেশন
- জমি কেনার আগে CS, SA, RS ও BS খতিয়ান চিনে নিন
- আজকের সোনার দাম: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম কত
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি দাম কত