ঢাকা, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

‘তোমার ঠিকানায়’র পর আজ নতুন নাটক নিয়ে খায়রুল বাসার–সাদনিমা

বিনোদন ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৫ ১৮:৩২:২৪
‘তোমার ঠিকানায়’র পর আজ নতুন নাটক নিয়ে খায়রুল বাসার–সাদনিমা

পর্দায় একসঙ্গে পথচলা শুরু হয়েছিল ‘গোল্ডফিশ’ নাটক দিয়ে। এরপর একের পর এক কাজে দর্শকের কাছে জুটি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন খায়রুল বাসার ও সাদনিমা বিনতে নোমান। ‘তোমার ঠিকানায়’ নাটকের রেশ এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই আজ প্রকাশ পাচ্ছে তাঁদের নতুন একক নাটক ‘সবাই তো সুখী হতে চায়’।

জুটি হয়ে ওঠার পেছনের কথা

জুটি কীভাবে তৈরি হয়, সে প্রসঙ্গে নিজের ভাবনা জানিয়েছেন সাদনিমা। তাঁর কথায়, নাটক, সিনেমা বা সিরিজ, যে মাধ্যমই হোক, জুটির ভিত্তি দর্শকের ভালো লাগা। শুরুতে নির্মাতারা কোনো অভিনেতা-অভিনেত্রীকে একসঙ্গে পর্দায় আনেন। দর্শক সেই জুটিকে মন খুলে গ্রহণ করলে এবং বারবার তাঁদের একসঙ্গে দেখতে চাইলে নির্মাতারা তখন জুটিটিকে আলাদা করে ভাবতে শুরু করেন।

সাদনিমা জানান, তাঁদের ক্ষেত্রেও ঠিক এটাই হয়েছে। খায়রুল বাসারের সঙ্গে তাঁর প্রথম কাজ ‘গোল্ডফিশ’। নাটকটি অনেকের পছন্দ হওয়ায় নির্মাতারা তাঁদের নিয়ে আরও কাজ করতে আগ্রহী হন। পরে একসঙ্গে যত কাজ করেছেন, তার প্রায় সবই কমবেশি দর্শকের সাড়া পেয়েছে। এভাবেই দর্শকের মনে জুটি হিসেবে তাঁদের আলাদা একটি জায়গা তৈরি হয়েছে।

এখন তাঁদের চেষ্টা, ভালো গল্পের নাটক নিয়ে দর্শকের সামনে আসা। ‘সবাই তো সুখী হতে চায়’-এ অভিনয়ের পেছনেও সেই ভাবনাই কাজ করেছে। গল্প, চরিত্র ও নির্মাণ মিলিয়ে নাটকটি অনেকের ভালো লাগবে বলে আশা করেন সাদনিমা।

নতুন নাটকের গল্প: ভেতরের আর বাইরের মানুষ

নাটকের গল্পের মূল সুরটা ব্যাখ্যা করেছেন খায়রুল বাসার। তাঁর মতে, জীবনযাপনে মানুষ নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায়। কোনো না কোনো ঘটনার সূত্র ধরে কেউ কেউ কাছের মানুষ হয়ে ওঠে। পথচলার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব আর বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচলে সেই সম্পর্ক কখনও গাঢ় হয়, কখনও আলগা হয়ে পড়ে। এত কিছুর পরও সবার একটাই চাওয়া, দিন শেষে নিজেকে সুখী মানুষ হিসেবে দেখা।

মানুষের ভেতর ও বাইরের এই আবেগ-অনুভূতি এবং সমাজবাস্তবতাকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে ‘সবাই তো সুখী হতে চায়’। ভালোবাসা আর জীবনবাস্তবতার এই গল্প বিভিন্ন চরিত্রের মধ্য দিয়ে পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে।

নির্মাণে যাঁরা

নাটকটির কাহিনি ও সংলাপ লিখেছেন অর্ক মোস্তফা। চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনা মিশুক মিঠুর। বাসার ও সাদনিমার সঙ্গে বিভিন্ন চরিত্রে আছেন শেহজাদ ওমর, স্পর্শিয়া মিম, আকলিমা লিজাসহ আরও অনেকে।

বাসারের চোখে মিশুক মিঠুর ভাবনার জগৎ অনেকের চেয়ে আলাদা। গল্প ও চরিত্র উপস্থাপনের সেই ভিন্নতার কারণেই নাটকটি অনেকের মনে ছাপ ফেলবে বলে তিনি মনে করেন। এ কথায় সায় আছে সাদনিমারও।

বাসারের পর্দাসঙ্গীদের তালিকায় সাদনিমা

সাদনিমা নিজের অভিনয়জীবনে সবচেয়ে বেশি নাটকে জুটি বেঁধেছেন খায়রুল বাসারের সঙ্গেই। আবার বাসার যেসব অভিনেত্রীর বিপরীতে কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যেও সাদনিমা অন্যতম।

দর্শকের মনোযোগ কেড়েছে এই জুটির যেসব নাটক, তার তালিকা:

গোল্ডফিশ

কাছের কেউ

গন্তব্যের খোঁজে

জ্বীন ও পরীর সংসার

তুমি আমার

গল্পটা থেকে যায়

আগলে রেখো আমায়

তোমাকে পাওয়ার জন্য

বই পোকা

এই শহরে

ছায়াসঙ্গী

ঈরার পদ্ম

জলকৌড়ি

ঈরার পদ্ম-২

ভটভটি

মনডুবি

সরল জটিলতা

এক ইক্যুয়াল টু প্রেম

তোমার ঠিকানায়

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. ‘সবাই তো সুখী হতে চায়’ নাটকে কারা অভিনয় করেছেন?

খায়রুল বাসার ও সাদনিমা বিনতে নোমানের পাশাপাশি আছেন শেহজাদ ওমর, স্পর্শিয়া মিম, আকলিমা লিজাসহ আরও অনেকে।

২. নাটকটির লেখক ও পরিচালক কে?

কাহিনি ও সংলাপ অর্ক মোস্তফার। চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় মিশুক মিঠু।

৩. নাটকটি কবে প্রকাশ পাচ্ছে?

আজ।

৪. নাটকের গল্প কী নিয়ে?

ভালোবাসা আর জীবনবাস্তবতা নিয়ে। খায়রুল বাসারের ভাষ্য অনুযায়ী, মানুষের ভেতর ও বাইরের আবেগ-অনুভূতি এবং সমাজবাস্তবতাই এর কেন্দ্রে।

৫. বাসার ও সাদনিমা প্রথম কোন নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন?

সাদনিমার বক্তব্য অনুযায়ী, ‘গোল্ডফিশ’ নাটকে।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: