ঢাকা, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে যেসব ৭ কারণ, জানুন প্রতিরোধের উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৮ ২১:২৫:০৭
ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে যেসব ৭ কারণ, জানুন প্রতিরোধের উপায়

বিশ্বজুড়ে ক্যান্সারের ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে। প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া এই রোগের ঝুঁকি আগামী কয়েক দশকে আরও বাড়তে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) পূর্বাভাস বলছে, কার্যকর প্রতিরোধ ও চিকিৎসার উদ্যোগ না বাড়ালে ২০৫০ সালে বিশ্বে নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে প্রায় ৩ কোটি ৪৪ লাখে। তবে উদ্বেগের পাশাপাশি রয়েছে আশার খবরও। তামাক ব্যবহার, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও বায়ুদূষণের মতো ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা গেলে বিশ্বে প্রায় ৪০ শতাংশ নতুন ক্যান্সারের ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ডব্লিউএইচওর ক্যান্সার গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (আইএআরসি) প্রকাশিত ২০২৪ সালের বৈশ্বিক পরিসংখ্যানে ক্যান্সারের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। সংস্থাটির হিসাবে, ওই বছর বিশ্বে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ মানুষ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। একই সময়ে এই রোগে প্রাণ হারান প্রায় ৯৮ লাখ মানুষ।

জনসংখ্যা বৃদ্ধি, মানুষের গড় আয়ু বেড়ে যাওয়া এবং জীবনযাপন ও পরিবেশগত বিভিন্ন ঝুঁকির কারণে ক্যান্সারের রোগী বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ডব্লিউএইচও।

ক্যান্সারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হচ্ছে কোনগুলো?

আইএআরসির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া ক্যান্সারের তালিকায় প্রথম অবস্থানে রয়েছে ফুসফুসের ক্যান্সার। এরপর রয়েছে নারীদের স্তন ক্যান্সার, বৃহদান্ত্র ও মলাশয়ের ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং পাকস্থলীর ক্যান্সার।

তবে বিশ্বের সব অঞ্চলে ক্যান্সারের চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ এক রকম নয়। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে রোগ শনাক্তকরণ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং চিকিৎসাসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এসব কারণে অনেক রোগী দেরিতে চিকিৎসা শুরু করেন, যা তাঁদের সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে।

ডব্লিউএইচওর ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, প্রতিরোধ, দ্রুত শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানো না গেলে ভবিষ্যতে ক্যান্সারের বৈশ্বিক বোঝা আরও বড় হবে।

নতুন ক্যান্সারের প্রায় ৩৭ শতাংশই প্রতিরোধযোগ্য ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত

ক্যান্সার নিয়ে আশার একটি দিক তুলে ধরেছে ডব্লিউএইচও ও আইএআরসির যৌথ বিশ্লেষণ। ২০২৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে বিশ্বে শনাক্ত হওয়া নতুন ক্যান্সারের প্রায় ৩৭ শতাংশ বা ৭১ লাখ ঘটনা বিভিন্ন প্রতিরোধযোগ্য ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।

গবেষণায় ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ানোর পেছনে কয়েকটি বিষয়কে বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তামাক, অ্যালকোহল, অতিরিক্ত ওজন, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, বায়ুদূষণ, অতিবেগুনি রশ্মি এবং ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বিভিন্ন সংক্রমণ।

এসব কারণের মধ্যে তামাককে ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় প্রতিরোধযোগ্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে গবেষণা সংস্থাটি।

ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় যেসব কারণ

১. তামাক ও ধূমপান

ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান প্রতিরোধযোগ্য কারণ তামাকের ব্যবহার। সিগারেট, বিড়ি, জর্দা ও গুলসহ বিভিন্ন তামাকজাত পণ্য শরীরের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে ফুসফুস, মুখগহ্বর ও গলার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ানোর সঙ্গে তামাকের সম্পর্ক রয়েছে।

২. বায়ুদূষণ

দীর্ঘ সময় দূষিত পরিবেশে বসবাস কিংবা কাজ করলে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে বাতাসে থাকা সূক্ষ্ম দূষণকণার উপস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ।

৩. অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অতিরিক্ত ওজন

খাদ্যাভ্যাসের অসংগতি, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়া, স্থূলতা এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম না করার অভ্যাস কয়েক ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত।

৪. ক্যান্সার সৃষ্টিকারী সংক্রমণ

কিছু ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকেও নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (এইচপিভি), হেপাটাইটিস বি ও সি এবং হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি।

ক্যান্সার প্রতিরোধে দৈনন্দিন জীবনে যেসব পরিবর্তন জরুরি

ক্যান্সারের সব ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব না হলেও জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমানো যায়। ডব্লিউএইচও এ ক্ষেত্রে কয়েকটি পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

- তামাক ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকা: ধূমপান, জর্দা, গুলসহ সব ধরনের তামাকজাত পণ্য পরিহার করা জরুরি। অ্যালকোহল গ্রহণও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

- স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সুষম খাবার, ফলমূল ও শাকসবজি রাখতে হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা প্রয়োজন।

- নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম: শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এড়িয়ে নিয়মিত শরীরচর্চা ও শারীরিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকতে হবে।

- প্রয়োজনীয় টিকা নেওয়া: এইচপিভি ও হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ প্রতিরোধে বয়স ও স্বাস্থ্যগত অবস্থার উপযোগী টিকা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এসব সংক্রমণ প্রতিরোধের মাধ্যমে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমানো সম্ভব।

- দূষণ ও ক্ষতিকর বিকিরণ এড়িয়ে চলা: বায়ুদূষণ, অতিবেগুনি রশ্মি এবং কর্মক্ষেত্রে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী রাসায়নিকের সংস্পর্শ কমাতে প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা নিতে হবে।

- নিয়মিত স্ক্রিনিং: বয়স, লিঙ্গ, পারিবারিক ইতিহাস ও ব্যক্তিগত ঝুঁকি বিবেচনায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্যান্সার স্ক্রিনিং করানো উচিত।

ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা এমআরএনএ ভ্যাকসিন

ক্যান্সার প্রতিরোধের পাশাপাশি চিকিৎসাবিজ্ঞানের নতুন গবেষণাতেও আশার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ব্যক্তিভিত্তিক এমআরএনএ (mRNA) ভ্যাকসিন ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। সম্প্রতি মডার্না ও মার্কের তৈরি একটি পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে আশাব্যঞ্জক ফল পাওয়া গেছে।

এই গবেষণায় উচ্চ ঝুঁকির মেলানোমা বা ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত ১ হাজার ১৩৭ জন রোগী অংশ নেন। অস্ত্রোপচারের পর তাঁদের দুই ভাগে ভাগ করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একদল রোগী প্রচলিত ইমিউনোথেরাপির পাশাপাশি ব্যক্তিভিত্তিক এমআরএনএ ভ্যাকসিন পান। অন্য দলকে দেওয়া হয় শুধু ইমিউনোথেরাপি।

প্রায় দুই বছর ধরে রোগীদের পর্যবেক্ষণের পর দুই চিকিৎসাপদ্ধতির ফলাফলে পার্থক্য দেখা যায়। ভ্যাকসিন ও ইমিউনোথেরাপির সমন্বিত চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের মধ্যে ৮২ দশমিক ২ শতাংশের ক্যান্সার ফিরে আসেনি। অন্যদিকে শুধু ইমিউনোথেরাপি নেওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে এই হার ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ।

গবেষণার ফলাফলে আরও বলা হয়েছে, দুই চিকিৎসার সমন্বয়ে ক্যান্সার পুনরায় ফিরে আসা অথবা মৃত্যুর আপেক্ষিক ঝুঁকি ৪২ শতাংশ কমেছে।

এমআরএনএ ভ্যাকসিন কি সব ক্যান্সারের চিকিৎসা করতে পারবে?

পরীক্ষার ফল আশাব্যঞ্জক হলেও এই ভ্যাকসিনকে এখনই সব ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। এটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। গবেষণাটি করা হয়েছে অস্ত্রোপচারের পর উচ্চ ঝুঁকির মেলানোমা রোগীদের নিয়ে। ফলে অন্যান্য ধরনের ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও একই রকম কার্যকারিতা পাওয়া যাবে, এমন প্রমাণ এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

অর্থাৎ, এমআরএনএ ভ্যাকসিনকে ক্যান্সারের সর্বজনীন টিকা কিংবা নিশ্চিত নিরাময় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসায় এটি সম্ভাবনাময় একটি গবেষণাভিত্তিক পদ্ধতি।

দ্রুত শনাক্ত হলে ক্যান্সার চিকিৎসায় বাড়ে সফলতার সুযোগ

ক্যান্সার মানেই যে চিকিৎসার সুযোগ নেই, বিষয়টি এমন নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে অনেক ধরনের ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে সফলভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব।

এ জন্য শরীরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকা, প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা করানো এবং রোগ নির্ণয়ের পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। রোগ শনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শুরু করতে অযথা দেরি করাও উচিত নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যান্সার মোকাবিলার দায়িত্ব শুধু ব্যক্তির ওপর ছেড়ে দিলে চলবে না। তামাক নিয়ন্ত্রণ, বায়ুদূষণ কমানো, টিকাদান কর্মসূচির বিস্তার এবং সব শ্রেণির মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।

বিশ্বজুড়ে ক্যান্সারের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং আধুনিক চিকিৎসার সমন্বয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. ২০২৪ সালে বিশ্বে কত মানুষ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন?

আইএআরসির ২০২৪ সালের বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ওই বছর বিশ্বে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ মানুষ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।

২. ২০৫০ সালে বিশ্বে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা কত হতে পারে?

আইএআরসির পূর্বাভাস অনুযায়ী, কার্যকর প্রতিরোধ ও চিকিৎসার উদ্যোগ না বাড়ালে ২০৫০ সালে নতুন ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৪৪ লাখে পৌঁছাতে পারে।

৩. ক্যান্সারের কত শতাংশ ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব?

ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কারণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিশ্বে প্রায় ৪০ শতাংশ নতুন ক্যান্সারের ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব। ২০২৬ সালের যৌথ বিশ্লেষণে ২০২২ সালের নতুন ক্যান্সারের প্রায় ৩৭ শতাংশ বা ৭১ লাখ ঘটনাকে প্রতিরোধযোগ্য ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত বলা হয়েছে।

৪. ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় প্রতিরোধযোগ্য কারণ কোনটি?

তামাক ব্যবহারকে ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় প্রতিরোধযোগ্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইএআরসি। সিগারেট, বিড়ি, জর্দা ও গুলসহ বিভিন্ন তামাকজাত পণ্য ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. এমআরএনএ ক্যান্সার ভ্যাকসিন কি সব ধরনের ক্যান্সার সারাতে পারে?

না। মডার্না ও মার্কের পরীক্ষামূলক ব্যক্তিভিত্তিক এমআরএনএ ভ্যাকসিনের আশাব্যঞ্জক ফল পাওয়া গেছে উচ্চ ঝুঁকির মেলানোমা রোগীদের ক্ষেত্রে। তবে এটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে এবং সব ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসায় কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়নি।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত:

৩ জেলায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, কারণ কী?

৩ জেলায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, কারণ কী?

ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চলমান শ্রমিক অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে... বিস্তারিত