সাদা স্রাব কেন হয়? কোন লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন
নারীদের যোনিপথ দিয়ে সাদা বা স্বচ্ছ স্রাব বের হওয়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই স্রাব যোনিপথ আর্দ্র ও পরিষ্কার রাখতে এবং মৃত কোষ বের করে দিতে সাহায্য করে। মাসিক চক্রের বিভিন্ন সময়ে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে এর পরিমাণ, ঘনত্ব ও রং কিছুটা বদলাতেও পারে। তবে স্রাবের সঙ্গে দুর্গন্ধ, চুলকানি, জ্বালাপোড়া, তলপেটে ব্যথা কিংবা অস্বাভাবিক রক্তপাত দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়।
অনেক নারী সাদা স্রাব দেখলেই অসুস্থতা বা সংক্রমণের আশঙ্কা করেন। আবার কেউ কেউ দীর্ঘদিন ধরে অস্বাভাবিক স্রাবের সমস্যায় ভুগলেও চিকিৎসকের কাছে যেতে সংকোচ বোধ করেন। অথচ সব সাদা স্রাব রোগের লক্ষণ নয়, আবার সব সংক্রমণেও স্রাবের রং একই রকম হয় না। তাই স্রাবের পরিমাণের পাশাপাশি গন্ধ, ঘনত্ব, কখন হচ্ছে এবং অন্য কোনো উপসর্গ আছে কি না—এসব লক্ষ করা জরুরি।
সাদা স্রাব কী এবং কেন হয়?
যোনিপথ থেকে স্বাভাবিকভাবে যে তরল বা শ্লেষ্মাজাতীয় পদার্থ বের হয়, তাকে যোনিস্রাব বা ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ বলা হয়। এটি যোনিপথের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করে। যোনিপথের মৃত কোষ ও কিছু জীবাণু বের করে দেওয়ার পাশাপাশি আর্দ্রতা ধরে রাখতেও এর ভূমিকা রয়েছে।
স্বাভাবিক স্রাব সাধারণত স্বচ্ছ বা সাদা হয়। এতে তীব্র বা অস্বস্তিকর গন্ধ থাকে না। কখনো এটি পাতলা ও পিচ্ছিল, আবার কখনো কিছুটা ঘন বা আঠালো হতে পারে।
বয়ঃসন্ধিকাল থেকে সাধারণত নারীদের যোনিস্রাব শুরু হয়। বয়স, হরমোনের অবস্থা, মাসিক চক্র এবং গর্ভাবস্থার মতো শারীরিক পরিবর্তনের সঙ্গে এর ধরনও বদলাতে পারে।
স্বাভাবিক সাদা স্রাব কেমন হয়?
সবার শরীরে স্রাবের পরিমাণ এক রকম নয়। কারও কম হয়, আবার কারও তুলনামূলক বেশি হতে পারে। সাধারণত নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো থাকলে স্রাবকে স্বাভাবিক হিসেবে বিবেচনা করা যায়—
স্রাবের রং স্বচ্ছ বা সাদা।
তীব্র বা মাছের মতো দুর্গন্ধ নেই।
কখনো পাতলা ও পিচ্ছিল, আবার কখনো ঘন ও আঠালো হতে পারে।
স্রাবের সঙ্গে চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা থাকে না।
মাসিক চক্রের নির্দিষ্ট সময়ে পরিমাণ ও ঘনত্বে পরিবর্তন দেখা যায়।
তবে আগে যে ধরনের স্রাব হতো, তার তুলনায় হঠাৎ বড় পরিবর্তন দেখা দিলে সেটি খেয়াল করা প্রয়োজন।
সাদা স্রাব বেশি হওয়ার কারণ কী?
বিভিন্ন স্বাভাবিক শারীরিক কারণে স্রাবের পরিমাণ বাড়তে পারে। সব ক্ষেত্রেই এটি সংক্রমণ বা রোগের লক্ষণ নয়।
১. ডিম্বস্ফোটনের সময়
মাসিক চক্রের মাঝামাঝি সময়ে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে ডিম্বস্ফোটন বা ওভুলেশন বলা হয়। এ সময় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে যোনিস্রাব বেশি স্বচ্ছ, পাতলা ও পিচ্ছিল হতে পারে। অনেক সময় কাঁচা ডিমের সাদা অংশের মতো দেখায়।
এটি সাধারণত স্বাভাবিক এবং প্রজনন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।
২. হরমোনের পরিবর্তন
মাসিকের আগে-পরে এবং মাসিক চক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা পরিবর্তিত হয়। এর প্রভাব স্রাবের পরিমাণ ও ঘনত্বেও পড়তে পারে।
তাই মাসের সব সময় একই ধরনের স্রাব না হওয়াই স্বাভাবিক।
৩. গর্ভাবস্থা
গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তন এবং যোনিপথে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিক স্রাবের পরিমাণ বাড়তে পারে। সাধারণত এটি পাতলা, স্বচ্ছ বা দুধের মতো সাদা এবং তীব্র দুর্গন্ধহীন হয়।
তবে গর্ভাবস্থায় স্রাবের সঙ্গে দুর্গন্ধ, চুলকানি, ব্যথা, রক্তপাত বা পানি পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
৪. যৌন উত্তেজনা
যৌন উত্তেজনার সময় যোনিপথে স্বাভাবিক পিচ্ছিল তরল তৈরি হয়। এটি যোনিপথকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। ফলে ওই সময় স্রাবের পরিমাণ সাময়িকভাবে বেশি মনে হতে পারে।
৫. জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ও ওষুধের প্রভাব
হরমোনযুক্ত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে কারও কারও স্বাভাবিক স্রাবের ধরনে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। তবে স্রাবের পরিবর্তনের সঙ্গে অন্য উপসর্গ থাকলে সেটিকে শুধু জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির প্রভাব ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
কখন সাদা স্রাব অস্বাভাবিক?
স্রাবের রং, গন্ধ, ঘনত্ব বা পরিমাণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে সংক্রমণ কিংবা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যার সম্ভাবনা থাকতে পারে। বিশেষ করে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
স্রাবে মাছের মতো বা তীব্র দুর্গন্ধ থাকা।
যোনিপথে বা আশপাশে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া।
স্রাবের রং হলুদ, সবুজ, ধূসর বা অস্বাভাবিক হয়ে যাওয়া।
স্রাব খুব ঘন, দানাদার বা ছানার মতো হওয়া এবং সঙ্গে চুলকানি থাকা।
প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা।
তলপেট বা শ্রোণি অঞ্চলে ব্যথা।
মাসিকের মাঝখানে বা যৌনমিলনের পর রক্তপাত।
এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলেই নির্দিষ্ট কোনো রোগ হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না। কারণ বিভিন্ন সমস্যার উপসর্গ একে অন্যের সঙ্গে মিলে যেতে পারে।
কোন ধরনের স্রাব কী সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে?
স্রাবের ধরন দেখে কিছু সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তবে শুধু রং বা ঘনত্ব দেখে রোগ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
১. ঘন সাদা ও ছানার মতো স্রাব
স্রাব যদি ছানার মতো ঘন হয় এবং এর সঙ্গে তীব্র চুলকানি, লালচে ভাব বা জ্বালাপোড়া থাকে, তাহলে যোনিপথে ইস্ট বা ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে। এ সমস্যাকে ভ্যাজাইনাল ক্যান্ডিডিয়াসিস বা ইস্ট ইনফেকশন বলা হয়।
এ ধরনের সংক্রমণে সাধারণত তীব্র দুর্গন্ধ থাকে না। তবে শুধু স্রাবের ধরন দেখে ছত্রাকের সংক্রমণ নিশ্চিত করা যায় না।
২. পাতলা সাদা বা ধূসর স্রাব ও মাছের মতো গন্ধ
স্রাব পাতলা, সাদা বা ধূসর এবং মাছের মতো গন্ধযুক্ত হলে ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস (BV) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যোনিপথে স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হলে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এটি সব সময় যৌনবাহিত সংক্রমণ নয়। যৌনসম্পর্ক না থাকলেও ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস হতে পারে।
৩. হলুদ বা সবুজাভ স্রাব
স্রাব হলুদ বা সবুজাভ হলে, বিশেষ করে ফেনার মতো দেখালে বা দুর্গন্ধ থাকলে ট্রাইকোমোনিয়াসিসের মতো সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। এটি যৌনবাহিত সংক্রমণ। কিছু ক্ষেত্রে ক্ল্যামাইডিয়া বা গনোরিয়ার মতো সংক্রমণেও অস্বাভাবিক স্রাব দেখা দিতে পারে।
এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে পরীক্ষা করানো জরুরি। প্রয়োজনে যৌনসঙ্গীরও পরীক্ষা ও চিকিৎসা লাগতে পারে।
৪. স্রাবের সঙ্গে তলপেটে ব্যথা বা রক্তপাত
অস্বাভাবিক স্রাবের পাশাপাশি তলপেটে ব্যথা, যৌনমিলনের সময় ব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কিংবা মাসিকের বাইরে রক্তপাত হলে জরায়ুমুখের সংক্রমণ বা যৌনবাহিত সংক্রমণসহ অন্য সমস্যার আশঙ্কা থাকতে পারে।
এ ধরনের লক্ষণ অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সাদা স্রাবের সমস্যা হলে কী করবেন?
স্রাবের ধরন অস্বাভাবিক মনে হলে নিজের মতো ওষুধ খাওয়ার বদলে প্রথমে কারণ নির্ণয় করা জরুরি। চিকিৎসক উপসর্গ শুনে প্রয়োজন অনুযায়ী শারীরিক পরীক্ষা, যোনিস্রাবের নমুনা পরীক্ষা বা যৌনবাহিত সংক্রমণের পরীক্ষা দিতে পারেন।
কিছু সাধারণ অভ্যাসও যোনিপথের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে—
যোনিপথের বাইরের অংশ পরিষ্কার পানি দিয়ে আলতোভাবে ধুয়ে নিন।
সুগন্ধিযুক্ত সাবান, স্প্রে, পাউডার বা ভ্যাজাইনাল ওয়াশ ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
যোনিপথের ভেতরে পানি বা পরিষ্কারক ঢুকিয়ে ধোবেন না।
ভেজা অন্তর্বাস দ্রুত পরিবর্তন করুন।
পরিষ্কার ও শুকনো অন্তর্বাস ব্যবহার করুন।
অতিরিক্ত আঁটসাঁট বা দীর্ঘ সময় ভেজা কাপড় পরে থাকা এড়িয়ে চলুন।
যৌনবাহিত সংক্রমণের আশঙ্কা থাকলে পরীক্ষা না করিয়ে নিজে থেকে চিকিৎসা শুরু করবেন না।
সাদা স্রাব হলে যেসব ভুল করবেন না
অনেকেই স্রাব কমানোর জন্য বিভিন্ন ঘরোয়া উপায়, সুগন্ধিযুক্ত পণ্য কিংবা ফার্মেসি থেকে নিজে ওষুধ কিনে ব্যবহার করেন। এতে প্রকৃত সমস্যা শনাক্ত হতে দেরি হতে পারে।
বিশেষ করে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন—
যোনিপথের ভেতর পরিষ্কারক ব্যবহার নয়: যোনিপথ নিজস্ব প্রাকৃতিক ব্যবস্থায় পরিষ্কার থাকে। ভেতরে সাবান, অ্যান্টিসেপটিক বা সুগন্ধিযুক্ত তরল ব্যবহার করলে স্বাভাবিক জীবাণুর ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।
নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিফাঙ্গাল নয়: ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও যৌনবাহিত সংক্রমণের চিকিৎসা এক নয়। ভুল ওষুধে উপসর্গ না কমে বরং চিকিৎসা জটিল হতে পারে।
সব স্রাবকে যৌনবাহিত রোগ ভাববেন না: স্বাভাবিক হরমোনের পরিবর্তন, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস বা ছত্রাকের সংক্রমণসহ নানা কারণে স্রাবের ধরন বদলাতে পারে। রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।
কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
স্রাবের সঙ্গে দুর্গন্ধ, চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা প্রস্রাবে ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে কিছু লক্ষণ দেখা দিলে অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
তীব্র বা বাড়তে থাকা তলপেটের ব্যথা।
জ্বর বা শরীর কাঁপুনি।
গর্ভাবস্থায় রক্তপাত, ব্যথা বা হঠাৎ পানির মতো তরল বের হওয়া।
অস্বাভাবিক স্রাবের সঙ্গে মাথা ঘোরা বা খুব অসুস্থ বোধ করা।
যৌনমিলনের পর বা মাসিকের বাইরে বারবার রক্তপাত।
বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় স্রাবের পরিবর্তন হলে নিজে থেকে ওষুধ ব্যবহার না করে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা উচিত।
সাদা স্রাব নারীদের শরীরের স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। মাসিক চক্র, ডিম্বস্ফোটন, গর্ভাবস্থা কিংবা হরমোনের পরিবর্তনের কারণে এর পরিমাণ ও ঘনত্ব বদলাতে পারে। তাই শুধু সাদা স্রাব হচ্ছে বলে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
তবে স্রাবের সঙ্গে দুর্গন্ধ, চুলকানি, জ্বালাপোড়া, তলপেটে ব্যথা বা অস্বাভাবিক রক্তপাত থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানোই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
FAQ
১. সাদা স্রাব হওয়া কি স্বাভাবিক?
হ্যাঁ। স্বচ্ছ বা সাদা, তীব্র দুর্গন্ধহীন স্রাব সাধারণত স্বাভাবিক। এটি যোনিপথ আর্দ্র ও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
২. সাদা স্রাব বেশি হলে কি গর্ভধারণের লক্ষণ?
গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে স্রাব বাড়তে পারে। তবে শুধু সাদা স্রাব দেখে গর্ভধারণ নিশ্চিত করা যায় না। প্রয়োজনে প্রেগন্যান্সি পরীক্ষা করতে হবে।
৩. সাদা স্রাবের সঙ্গে চুলকানি হলে কী হতে পারে?
ছত্রাকের সংক্রমণসহ বিভিন্ন কারণে চুলকানি হতে পারে। স্রাব ছানার মতো ঘন হলে এবং চুলকানি থাকলে ইস্ট ইনফেকশনের সম্ভাবনা থাকে। নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।
৪. সাদা স্রাবে দুর্গন্ধ হলে কী করবেন?
মাছের মতো বা তীব্র দুর্গন্ধ ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসসহ সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে। নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৫. সাদা স্রাব কমাতে কি যোনিপথের ভেতর সাবান দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে?
না। যোনিপথের ভেতরে সাবান, সুগন্ধিযুক্ত ওয়াশ বা অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহার করা উচিত নয়। বাইরের অংশ পরিষ্কার পানি দিয়ে আলতোভাবে ধুলেই যথেষ্ট।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তের পরও শেয়ারবাজারে বড় পতন
- পুরনো দলিল থেকে বর্তমান জমির মালিক বের করবেন যেভাবে
- নিজের নামে কোথায় কত জমি, অনলাইনে দেখবেন যেভাবে
- নামজারি আছে, কিন্তু দলিল নেই—জমি কি নিজের? জানুন আইন
- সোনার ভরি কত আজ? ২১, ১৮ ও ২২ ক্যারেটের দামও জেনে নিন
- Honor 600 Pro: ২০০MP ক্যামেরা ও ৭০০০mAh ব্যাটারিতে কেমন?