বিজয়ের স্বভাব সুলভ ব্যাটিং আর মেহেদীর আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে লড়াকু পুঁজি প্রাইম ব্যাংকের
সাভারে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে আগে ব্যাটিংয়ে নামে প্রাইম ব্যাংক। তবে শুরুতেই ওপেনার শাহাদাৎ হোসেন দিপুকে হারায় প্রাইম ব্যাংক। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। এনামুল হক বিজয় ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ মিলে ৪৪ রানের জুটি গড়েন।
ঈশ্বরণ আউট হয়ে যান ৩০ করেই। তাঁর বিদায়ের পর তৃতীয় উইকেট জুটিতে হাল ধরেন নাসির ও বিজয়। শুরু থেকে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন নাসির। সেই সাথে বিজয়ও দেখা পান অর্ধশতকের। তবে অর্ধশতককে শতকের রূপান্তরিত করতে পারলেন না তিনি।
ব্যক্তিগত ৬০ রানেই থামে বিজয়ের ইনিংস। নাসির লড়াইটা চালিয়ে যান শামসুরকে সঙ্গে নিয়ে। তবে সেই নাসির থামেন দলীয় ১৪৭ রানে। তবে তাঁতে থেমে থাকেনি প্রাইম ব্যাংকের রানের চাকা। শামসুর ও অলক কাপালি মিলে দলীয় স্কোর বড় করতে থাকেন।
শামসুরও এগোচ্ছিলেন অর্ধশতকের দিকে। তবে ব্যক্তিগত ৪৫ রানে আবদুল্লাহ আল মামুনের বলে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। সেই সাথে ভাঙে শামসুর-কাপালির ৭১ রানের জুটি। কাপালিও বিদায় নেন ব্যক্তিগত ৪০ রান করে।
তবে শেষ দিকে শেখ মেহেদী হাসানের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বড় স্কোর পায় প্রাইম ব্যাংক। মেহেদীর ১৬ বলে ২৭ রানের তাণ্ডবে ২৬৫ রান দাঁড় করায় প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। সিটি ক্লাবের হয়ে দুটি করে উইকেট লাভ করেন আবদুল্লাহ, আবদুল হালিম ও আমিনুর।
সংক্ষিপ্ত স্কোর –
প্রাইম ব্যাংক ২৬৫/৮ (ওভার ৫০)
বিজয় ৬০, শামসুর ৪৫, কাপালি ৪০, নাসির ৩২, মেহেদী ২৭ : আমিনুর ২-৪২