সাকিবকে নিয়ে অবিশ্বাস্য মন্তব্য করলেন স্টুয়ার্ট ল এবং জেমি সিডন্স
বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর তার সাবেক কোচরা আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হিসেবে পরিচিতি পাওয়া সাকিবের এমন সিদ্ধান্তে তার সাবেক কোচ স্টুয়ার্ট ল এবং জেমি সিডন্সরা শুভকামনা জানাতে ভোলেননি।
জেমি সিডন্স, যিনি সাকিবের ক্যারিয়ারের শুরুতে জাতীয় দলের প্রধান কোচ ছিলেন, সাকিবের অবসর প্রসঙ্গে বলেন, "বাংলাদেশ ক্রিকেটে সাকিবের অবদান অসাধারণ। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। আমি তাকে খুব মিস করব এবং তার অবসরে মঙ্গল কামনা করছি। পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে সাকিবের সাথে কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত।"
সিডন্স আরও উল্লেখ করেন যে, সাকিবের মতো প্রতিযোগী মানসিকতার খেলোয়াড় খুবই কম। "সাকিব সবসময় সেরা হতে চেয়েছে এবং দলের জন্য জিততে চেয়েছে। এটাই তাকে অনন্য করে তুলেছে। তিনি সবসময় নিজের মান উচ্চে রেখেছেন এবং অন্যদের অনুসরণ করার জন্য এক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন।"
সাকিবের আরেক সাবেক কোচ স্টুয়ার্ট ল, যিনি বাংলাদেশ দলকে কিছু সময় কোচিং করিয়েছেন, সাকিবের অবসর প্রসঙ্গে বলেন, "সাকিব আল হাসান শুধু বাংলাদেশের নয়, ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। তার প্রতিভা ও কঠোর পরিশ্রমের ফলেই তিনি এতদিন ধরে বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার হিসেবে টিকে ছিলেন।"
ল আরও বলেন, "জাতীয় দল অবশ্যই সাকিবকে মিস করবে, তবে আমি বিশ্বাস করি সাকিব তরুণ খেলোয়াড়দের পাশে থাকবে এবং তাদের গাইড করতে প্রস্তুত থাকবে। একজন ফোন কলের দূরত্বেই থাকবে সাকিব, যেকোনো পরামর্শের প্রয়োজনে।"
সাকিবের ঘরোয়া দলের কোচ সোহেল ইসলামও সাকিবের এমন সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছেন। তিনি বলেন, "অবসর ঘোষণাটা আমার কাছে খানিকটা অপ্রত্যাশিত। সাকিব এতদিন ধরে খেলেছে, তাই হয়তো বুঝেছে যে এটি তার জন্য সঠিক সময়। তবে তার চোখের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল, যা পারফরম্যান্সের ওপর প্রভাব ফেলছিল।"
সোহেল আরও বলেন, "বয়স ও শারীরিক অবস্থা হয়তো তার অবসর সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। তবে সাকিবের ক্যারিয়ার গর্ব করার মতো এবং তার ভবিষ্যতের জন্য আমি শুভকামনা জানাই।"
সাকিব আল হাসান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০০৬ সালে তার যাত্রা শুরু করেন। দীর্ঘ ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে সাকিব অসংখ্য অর্জন, রেকর্ড এবং মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তবে তার ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে একাধিক বিতর্কও তাকে ঘিরে রেখেছিল। তবুও তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে সমাদৃত হয়েছেন।
সাকিব তার অবসর ঘোষণায় জানিয়েছেন যে, তিনি শুধু ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলা চালিয়ে যাবেন, সেটাও ২০২৫ সাল পর্যন্ত। তার বিদায় বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এক অধ্যায়ের সমাপ্তি হলেও, তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- রোনালদোর মাইলফলক থেকে ৬ গোল বাদ পড়ায় তোলপাড়
- এক লাফে বাড়লো সোনার দাম, জানুন ২২ স্বর্ণের দাম
- খেলার মাঝেই নিখোঁজ ৭ ফুটবলার! তোলপাড় বিশ্ব ফুটবল
- রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম: ৩ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে সোনা
- বুধবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ, দেশের যেসব এলাকায়
- বিসিবিতে বড় ধামাকা: তামিম ইকবালকে নতুন সভাপতি ঘোষণা
- আজকের খেলার সময়সূচি:বার্সেলোনা বনাম আতলেতিকো
- বার্সেলোনা বনাম আতলেতিকো: সম্ভাব্য একাদশ ও প্রেডিকশন
- এডহক কমিটিতে থাকা কি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে?
- বিমা খাতের বিনিয়োগকারীদের নজর ১৬ এপ্রিল: বড় লভ্যাংশের আভাস
- ৬০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ৩ জেলায় বড় সতর্কতা
- আজকের মালয়েশিয়ান রিংগিত রেট (৭ এপ্রিল ২০২৬)
- পিএসজি বনাম লিভারপুল: সম্ভাব্য একাদশ ও ম্যাচ প্রেডিকশন
- সংসদে নতুন আইন পাস: আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার পথ বন্ধ
- নতুন এডহক কমিটির প্রথম সভা আজকেই