Md. Mithon Sheikh
Senior Reporter
রোজায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে,ইফতার-সেহরিতে মানুন ১০ জরুরি নির্দেশনা
রমজান মাসে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খাদ্যাভ্যাসে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। বেশি খেলেও সমস্যা, আবার কম খেলেও ঝুঁকি। তাই সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ইফতার ও সেহরির খাবার বেছে নেওয়াই সুস্থ থাকার প্রধান শর্ত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়মিত খাওয়া বা ভুল সময়ে খাবার গ্রহণ করলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে বা কমে যেতে পারে। এতে দেখা দিতে পারে দুর্বলতা, মাথা ঘোরা কিংবা হাইপোগ্লাইসেমিয়ার মতো জটিলতা। তাই রোজা পালনকালে সচেতন খাদ্যতালিকা অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিচে দেওয়া হলো ১০টি কার্যকর নির্দেশনা।
১. খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা ভালো, তবে সতর্কতা জরুরি
ইফতার শুরু করতে পারেন খেজুর দিয়ে। কিন্তু মিষ্টি বা অতিরিক্ত চিনি রয়েছে এমন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের ভাজাপোড়া কম খাওয়াই নিরাপদ।
২. শরবতে চিনি নয়, প্রাকৃতিক ফলের রস বেছে নিন
চিনিযুক্ত পানীয়ের বদলে বেল, তরমুজ, পাকা আম, পেঁপে কিংবা মাল্টার রস চিনি ছাড়া পান করলে শরীর সতেজ থাকবে।
৩. আঁশসমৃদ্ধ খাবারকে গুরুত্ব দিন
ইফতারের তালিকায় ফল, খেজুর ও বিভিন্ন সালাদ রাখুন। এসব খাবার ধীরে হজম হয় এবং রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ বাড়তে দেয় না।
৪. সেহরিতে প্রোটিন থাকা দরকার
ডিম, ডাল, মাছ বা মুরগির মাংস সেহরিতে রাখা যেতে পারে। তবে গরুর মাংস সপ্তাহে এক বা দুইবারের বেশি না খাওয়াই ভালো।
৫. সবজি খেতে পারবেন, তবে কিছু সতর্কতা
বিভিন্ন ধরনের সবজি সেহরিতে রাখা যায়। তবে শাকজাতীয় খাবার রাতে খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে, তাই এড়িয়ে চলাই উত্তম।
৬. ওষুধের মাত্রা নিজে ঠিক করবেন না
রোজার সময় ওষুধ বা ইনসুলিনের ডোজ নিজে পরিবর্তন করা বিপজ্জনক। কোনো সমন্বয় প্রয়োজন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
৭. সময়মতো সেহরি ও ইফতার
সেহরি নির্ধারিত সময়ের শেষ ভাগে শেষ করুন এবং আজানের সঙ্গে সঙ্গে ইফতার সেরে ফেলুন। অযথা দেরি করলে সুগার লেভেল কমে যেতে পারে।
৮. অতিরিক্ত বা অল্প—দুটোই ক্ষতিকর
ইফতারে বেশি খাওয়া বা সেহরিতে খুব কম খাওয়া উচিত নয়। শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখলে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
৯. ইনসুলিন নেওয়া সম্ভব
রোজা রেখেও ইনসুলিন নেওয়া যায়। ইফতারের প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে ইনসুলিন গ্রহণ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
১০. সুগার কমে গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা
যাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তারা সঙ্গে গ্লুকোজ মিশ্রিত পানি রাখুন। সুগারের মাত্রা কমে গেলে বা শরীর খারাপ লাগলে রোজা ভেঙে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
সচেতন থাকলেই নিরাপদ রোজা
ডায়াবেটিস থাকলেও সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়ম মেনে ওষুধ গ্রহণ এবং সময়সূচি ঠিক রাখলে রমজান মাসে সুস্থ থাকা সম্ভব। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকা পরিকল্পনা করে নিন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আল মাহমুদ/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- চলছে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ২য় টেস্ট: সরাসরি দেখুন এখানে
- বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্ট: ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, সরাসরি দেখুন
- বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান: তাসকিনের তোপে চাপে পাকিস্তান, সরাসরি দেখুন এখানে
- আজকের খেলার সময়সূচি:বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ২য় টেস্ট
- লিটন দাসের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে টাইগারদের পাল্টা লড়াই, সরাসরি দেখুন এখানে
- ফুটবল ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ? বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে শঙ্কা
- অল-আউট পাকিস্তান লিড পেল বাংলাদেশ
- আজকের নামাজের সময়সূচি:(রবিবার, ১৭ মে ২০২৬)
- সোনার দাম কি বাড়ল? দেখুন আজকের ভরি প্রতি বাজারদর