MD. Razib Ali
Senior Reporter
ফ্যামিলি কার্ডের টাকা আসবে কোথা থেকে? অবশেষে সুখবর জানাল সরকার
দরিদ্র মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে আরও একধাপ এগুলো সরকার। বিএনপি সরকারের ইশতেহার অনুযায়ী, আগামী ১০ মার্চ থেকে দেশব্যাপী প্রাথমিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচি। প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৪টি উপজেলার নির্দিষ্ট একটি করে ইউনিয়নে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।
গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ফ্যামিলি কার্ডের অর্থের উৎস কী?
এই বিশাল উদ্যোগের অর্থায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের বাজেটের 'অপ্রত্যাশিত খাত' এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব বাজেট থেকে এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থান করা হবে। বর্তমানে বাজেটের অপ্রত্যাশিত খাতে চার হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ রয়েছে, ফলে অর্থ প্রাপ্তিতে কোনো বাধা দেখছে না সরকার।
তবে এই অর্থায়ন নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন সাবেক সিনিয়র অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ। তার মতে, চলতি বাজেট থেকে বরাদ্দ দেওয়া ইতিবাচক হলেও কোনো অবস্থাতেই টাকা ছাপিয়ে এই খরচ মেটানো উচিত হবে না। তিনি মনে করেন, টাকা ছাপিয়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করলে নতুন করে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে। তিনি আরও পরামর্শ দেন যে, যেসব দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা স্কুলে যাচ্ছে, তাদের এই কার্ডের তালিকায় অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
পাইলট প্রকল্পের বাজেট ও প্রভাব
পাইলটিং বা পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিকভাবে ২ কোটি ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বরাদ্দের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, মোট অর্থের ৭৭ শতাংশই সরাসরি সুবিধাভোগী দরিদ্র পরিবারগুলোর হাতে পৌঁছাবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রকল্প বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির এক ‘ঐতিহাসিক সনদ’ হয়ে দাঁড়াবে, যা নাগরিকদের সামাজিক মর্যাদা ও অধিকার সুনিশ্চিত করবে।
কারা পাচ্ছেন এই কার্ড? সুবিধাভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়া
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রকৃত হকদার খুঁজে বের করতে স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার। বিশেষ করে নারী সুবিধাভোগী নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম রোধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। সুবিধাভোগী শনাক্ত করতে তিনটি স্তর ব্যবহার করা হবে:
১. সরকারের খানা জরিপ (Household Survey)।
২. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ডাটাবেজ।
৩. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) যাচাই।
এই সমন্বিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত উপযুক্ত ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করা হবে, যাতে প্রকল্পের সুফল সরাসরি টার্গেটেড জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছায়।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল: সরাসরি দেখুন Live
- আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড: ৮০ মিনিট শেষ জানুন ফলাফল
- আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল: কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ
- আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড: ৯০ মিনিট শেষ জানুন ফলাফল
- আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল: পরিসংখ্যান, সময়সূচী ও সরাসরি দেখার উপায়
- চলছে আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল: সরাসরি দেখুন Live
- সকালে ইংল্যান্ড বনাম নরওয় কোয়ার্টার ফাইনাল: কখন, কীভাবে দেখবেন লাইভ
- আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড লাইভ: প্রথমার্ধ শেষে জানুন ফলাফল
- আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড লাইভ: দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু সরাসরি দেখুন Live
- চলছে স্পেন বনাম বেলজিয়াম কোয়ার্টার ফাইনাল: সরাসরি দেখুন Live
- সকালে আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল: সরাসরি যেভাবে দেখবেন Live
- সকালে আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল: কখন, কীভাবে দেখবেন লাইভ
- আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল: শুরুতেই গোল সরাসরি দেখুন Live
- ইংল্যান্ড বনাম নরওয় কোয়ার্টার ফাইনাল: সরাসরি যেভাবে দেখবেন Live
- আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড: অতিরিক্ত ৩০ মিনিট শুরু সরাসরি দেখুন Live