ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২

Md Razib Ali

Senior Reporter

বিমা খাতের বিনিয়োগকারীদের নজর ১৬ এপ্রিল: বড় লভ্যাংশের আভাস

শেয়ারনিউজ ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৯ ১৫:৩৬:৫০
বিমা খাতের বিনিয়োগকারীদের নজর ১৬ এপ্রিল: বড় লভ্যাংশের আভাস

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড তাদের বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর নিয়ে আসছে। আগামী সপ্তাহেই জানা যাবে ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোম্পানিটি কী পরিমাণ লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড দিচ্ছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পর্ষদ সভার সময়সূচি ও আলোচ্যসূচি

প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৬ এপ্রিল (মঙ্গলবার) বিকাল ৩টায় কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা আহ্বান করা হয়েছে। উক্ত সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হবে। নিরীক্ষা শেষে পর্ষদ সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ডিভিডেন্ডের হার ঘোষণা করা হবে।

আগের বছরের চেয়ে বেশি লভ্যাংশের হাতছানি

গত অর্থবছরে (২০২৪) কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করেছিল। তবে এবারের পরিসংখ্যান বলছে, লভ্যাংশের অংক গতবারের চেয়ে বাড়তে পারে। কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৫ সালের প্রথম এবং তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটি অভাবনীয় মুনাফা অর্জন করেছে। লভ্যাংশ বৃদ্ধির এই জোরালো সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

এক নজরে ২০২৫ সালের তিন প্রান্তিকের আর্থিক খতিয়ান:

জানুয়ারি-মার্চ: শক্তিশালী সূচনা

বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটি আয়ের ক্ষেত্রে ব্যাপক সক্ষমতা দেখিয়েছে। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১.০৬ টাকা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল মাত্র ০.৮১ টাকা। এছাড়া ব্যবসায়িক নগদ প্রবাহ বা এনওসিএফপিএস ০.৪৫ টাকা থেকে লাফিয়ে ০.৭৮ টাকায় উন্নীত হয়েছে। মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়ায় ২৯.৫১ টাকায়।

এপ্রিল-জুন: ছয় মাসের প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক

দ্বিতীয় প্রান্তিকে এককভাবে মুনাফা কিছুটা কমে ০.৯৮ টাকা হলেও জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসের সামগ্রিক হিসেবে কোম্পানিটি এগিয়ে রয়েছে। প্রথম ছয় মাসে মোট ইপিএস অর্জিত হয়েছে ২.০৪ টাকা, যা পূর্ববর্তী বছরের ১.৮৮ টাকার চেয়ে বেশি। জুন শেষে শেয়ারপ্রতি এনএভি দাঁড়িয়েছে ৩০.৪৮ টাকায়।

জুলাই-সেপ্টেম্বর: নয় মাসের সাফল্যে বড় লাফ

তৃতীয় প্রান্তিকে এসে কোম্পানিটি আবারও শক্তিশালী প্রবৃদ্ধিতে ফেরে। এই তিন মাসে ইপিএস ১.২২ টাকা থেকে বেড়ে ১.৪৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সব মিলিয়ে বছরের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির মোট ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৩.৫১ টাকা, যা গত বছরের ৩.০৯ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি। তবে ব্যবসায়িক লেনদেন জনিত কারণে এই সময়ে নিট নগদ প্রবাহ (NOCFPS) কিছুটা কমে ২.৭৬ টাকায় নেমেছে। সেপ্টেম্বর শেষে এনএভি দাঁড়িয়েছে ২৯.৯৬ টাকায়।

বিনিয়োগ প্রত্যাশা

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নয় মাসের অর্জিত মুনাফার যে ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেখা যাচ্ছে, তা চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হলে শেয়ারহোল্ডাররা একটি আকর্ষণীয় ডিভিডেন্ড পেতে পারেন। এখন সবার দৃষ্টি ১৬ এপ্রিলের পর্ষদ সভার সিদ্ধান্তের দিকে।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ

ভোজ্যতেলের দাম মণে বাড়ল ৩০০ টাকা

ভোজ্যতেলের দাম মণে বাড়ল ৩০০ টাকা

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আর বৈশ্বিক পরিস্থিতির উত্তাপে দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ভোজ্যতেলের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। মাত্র এক... বিস্তারিত