ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

জমির খতিয়ান অনলাইনে দেখার নিয়ম ও কপি পাওয়ার পদ্ধতি

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২০ ১২:৪১:৫৪
জমির খতিয়ান অনলাইনে দেখার নিয়ম ও কপি পাওয়ার পদ্ধতি

জমির খতিয়ান বের করতে এখন আর সব সময় ভূমি অফিসে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় না। বাংলাদেশে সরকারি অনলাইন ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ সেবার ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ঘরে বসেই জমির খতিয়ান খোঁজা, মালিকের নাম ও দাগ নম্বরের তথ্য যাচাই এবং নির্ধারিত ফি দিয়ে খতিয়ানের কপির জন্য আবেদন করা যায়। এ জন্য সাধারণত জমির বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা এবং খতিয়ানের ধরন সম্পর্কে তথ্য জানা থাকলে সুবিধা হয়। খতিয়ান নম্বর জানা না থাকলেও মালিকের নাম বা দাগ নম্বর দিয়ে অনুসন্ধানের সুযোগ রয়েছে।

তবে অনলাইনে খতিয়ানের তথ্য দেখা, কপি সংগ্রহের আবেদন করা এবং সরকারি সার্টিফায়েড কপি পাওয়া এক বিষয় নয়। জমি কেনাবেচা, উত্তরাধিকার বা মালিকানা যাচাইয়ের প্রয়োজনে কোন ধরনের কপি প্রয়োজন, তা বুঝে আবেদন করাই গুরুত্বপূর্ণ।

জমির খতিয়ান অনলাইনে বের করার নিয়ম, কোথায় আবেদন করবেন এবং কপি পেতে কত টাকা লাগবে—এসব তথ্য জানা থাকলে নিজের মোবাইল বা কম্পিউটার থেকেই প্রয়োজনীয় কাজ অনেক সহজে করা সম্ভব।

জমির খতিয়ান কী?

খতিয়ান হলো জরিপের মাধ্যমে প্রস্তুত করা জমির স্বত্ব ও সংশ্লিষ্ট বিবরণসংবলিত রেকর্ড। এতে সাধারণত জমির মালিক বা স্বত্বাধিকারীর নাম, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ, হিস্যা এবং সংশ্লিষ্ট জমির অন্যান্য তথ্য থাকে।

বাংলাদেশে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস বা সিটি জরিপসহ বিভিন্ন ধরনের খতিয়ান রয়েছে। জমির অবস্থান ও জরিপের ইতিহাস অনুযায়ী কোন ধরনের খতিয়ান প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করতে হয়। এ ছাড়া নামজারির মাধ্যমে প্রস্তুত করা নামজারি খতিয়ানও রয়েছে।

জমি কেনার আগে মালিকানা যাচাই, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমির তথ্য দেখা, জমির পরিমাণ মিলিয়ে নেওয়া কিংবা ভূমিসংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে খতিয়ান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জমির খতিয়ান অনলাইনে বের করার সরকারি ওয়েবসাইট

অনলাইনে জমির খতিয়ান খুঁজতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ সেবার ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যায়।

সরকারি ওয়েবসাইট: [https://dlrms.land.gov.bd/](https://dlrms.land.gov.bd/)

এ ছাড়া চলমান ভূমি জরিপের খসড়া ও বিভিন্ন পর্যায়ের রেকর্ড দেখার জন্য ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের আরেকটি সরকারি পোর্টাল রয়েছে।

ওয়েবসাইট: [https://settlement.gov.bd/](https://settlement.gov.bd/)

মনে রাখতে হবে, চলমান জরিপের পোর্টালে প্রদর্শিত খতিয়ান সব সময় চূড়ান্ত রেকর্ড নয়। জমির চূড়ান্ত রেকর্ড যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট জরিপের অবস্থা বুঝে সঠিক সরকারি পোর্টাল ব্যবহার করতে হবে।

জমির খতিয়ান অনলাইনে বের করার ধাপগুলো

ধাপ ১: সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

প্রথমে মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকে [https://dlrms.land.gov.bd/](https://dlrms.land.gov.bd/) ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। এরপর সার্ভে খতিয়ানের তথ্য বা খতিয়ান অনুসন্ধানের অংশে যান।

ধাপ ২: জমির ঠিকানা নির্বাচন করুন

এবার জমিটি যে এলাকায় অবস্থিত, সেই অনুযায়ী বিভাগ, জেলা, উপজেলা বা থানা নির্বাচন করুন। এরপর সংশ্লিষ্ট মৌজা নির্বাচন করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে মৌজার নাম সঠিকভাবে জানা জরুরি। একই নামের একাধিক মৌজা থাকতে পারে, তাই প্রয়োজনে মৌজার জেএল নম্বর মিলিয়ে নিন।

ধাপ ৩: খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করুন

আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সিএস, এসএ, আরএস, বিএস বা সংশ্লিষ্ট জরিপের খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করুন। জমিটি কোন জরিপের অধীনে রেকর্ড করা হয়েছে, তা জানা না থাকলে পুরোনো দলিল বা জমিসংক্রান্ত অন্যান্য কাগজপত্র দেখে তথ্য সংগ্রহ করুন।

ধাপ ৪: খতিয়ান নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান করুন

খতিয়ান নম্বর জানা থাকলে সেটি নির্ধারিত ঘরে লিখে অনুসন্ধান করুন। সংশ্লিষ্ট খতিয়ান পাওয়া গেলে সেখানে মালিকের নাম, দাগ নম্বর ও জমির পরিমাণসহ উপলব্ধ তথ্য যাচাই করতে পারবেন।

খতিয়ান নম্বর জানা না থাকলে দাগ নম্বর অথবা মালিকের নাম ব্যবহার করে অনুসন্ধানের চেষ্টা করুন। সরকারি পোর্টালে এ জন্য অধিকতর অনুসন্ধানের সুবিধা রয়েছে।

ধাপ ৫: তথ্য মিলিয়ে খতিয়ান নির্বাচন করুন

অনুসন্ধানের ফলাফলে একাধিক খতিয়ান আসতে পারে। তাই শুধু নাম দেখে কোনো খতিয়ান নির্বাচন করবেন না। জমির মৌজা, দাগ নম্বর, মালিকের নাম এবং অন্যান্য বিবরণ মিলিয়ে সঠিক খতিয়ানটি শনাক্ত করুন।

ধাপ ৬: প্রয়োজন অনুযায়ী কপির জন্য আবেদন করুন

খতিয়ান শনাক্ত করার পর কপি প্রয়োজন হলে সেটি নির্বাচন করে আবেদনপ্রক্রিয়া অনুসরণ করুন। সাধারণত আবেদনটি ঝুড়িতে যোগ করে চেকআউট করতে হয়। এরপর কপির ধরন নির্বাচন, প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধের ধাপ অনুসরণ করতে হবে।

আরও পড়ুন:

দলিল ও খতিয়ানে জমির পরিমাণ আলাদা? জেনে নিন করণীয়

অন্যের নামে জমি রেকর্ড হয়ে গেলে নিজের নামে করবেন কীভাবে?

জমি রেজিস্ট্রি করতে কত টাকা লাগে? জেনে নিন হিসাব

সেবার ধরন অনুযায়ী আবেদনকারীর পরিচয় ও যোগাযোগের তথ্য চাওয়া হতে পারে। আবেদন জমা দেওয়ার পর পাওয়া আবেদন নম্বর বা রসিদ সংরক্ষণ করুন।

অনলাইনে খতিয়ান দেখতে ও কপি পেতে কত টাকা লাগে?

খতিয়ানের তথ্য অনুসন্ধান করা এবং সরকারি কপি সংগ্রহের জন্য আবেদন করা এক বিষয় নয়। অনলাইনে তথ্য দেখা, অনলাইন কপি নেওয়া এবং সার্টিফায়েড বা সত্যায়িত কপি সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ফি আলাদা হতে পারে।

ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ সেবার সরকারি পোর্টালে প্রদর্শিত তথ্য অনুযায়ী, অনলাইন বা তাৎক্ষণিক কপি এবং সার্টিফায়েড খতিয়ান কপির জন্য ১২০ টাকা করে নির্ধারিত মূল্য দেখানো হয়েছে। তবে আবেদন করার সময় সংশ্লিষ্ট সেবার জন্য ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত সর্বশেষ ফি যাচাই করে নেওয়া উচিত। ডাকযোগে কপি নেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মাশুল প্রযোজ্য কি না, সেটিও দেখে নিন।

শুধু খতিয়ানের তথ্য খোঁজার জন্য কপি সংগ্রহের আবেদন করা বাধ্যতামূলক নয়। আবার জমিসংক্রান্ত কোনো আইনি কাজে নথি জমা দিতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের কপি গ্রহণ করবে, তা আগে নিশ্চিত হওয়া ভালো।

অনলাইনে খতিয়ানের কপি পাওয়ার নিয়ম

খতিয়ানের কপি সংগ্রহের জন্য সাধারণত নিচের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

প্রথমে সরকারি ওয়েবসাইটে জমির সঠিক খতিয়ান খুঁজে বের করুন। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী অনলাইন কপি অথবা সার্টিফায়েড কপি নির্বাচন করুন। আবেদনকারীর তথ্য পূরণ করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন এবং আবেদন জমা দিন।

সরকারি পোর্টালে আবেদনের অবস্থা যাচাইয়ের সুবিধা থাকলে আবেদন নম্বর ব্যবহার করে অগ্রগতি দেখুন। অনলাইন কপি পাওয়ার পদ্ধতি এবং সার্টিফায়েড কপি হাতে পাওয়ার পদ্ধতি এক নাও হতে পারে। সার্টিফায়েড কপির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রস্তুতপ্রক্রিয়া ও সরবরাহব্যবস্থা অনুসরণ করতে হয়।

খতিয়ান অনলাইনে খুঁজে না পেলে কী করবেন?

অনেক সময় সঠিক তথ্য দেওয়ার পরও অনলাইনে খতিয়ান পাওয়া যায় না। এর অর্থ এই নয় যে জমির কোনো রেকর্ড নেই। পুরোনো রেকর্ড ডিজিটাল ব্যবস্থায় যুক্ত না হওয়া, ভুল মৌজা নির্বাচন, খতিয়ান নম্বরে ভুল কিংবা জরিপের ধরন নিয়ে বিভ্রান্তির কারণে এমন হতে পারে।

এ অবস্থায় যা করবেন—

1. বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও মৌজার তথ্য আবার যাচাই করুন।

2. খতিয়ান নম্বরের পাশাপাশি দাগ নম্বর বা মালিকের নাম দিয়ে অনুসন্ধান করুন।

3. জমির পুরোনো দলিল বা আগের খতিয়ান দেখে জরিপের ধরন নিশ্চিত করুন।

4. চলমান জরিপের খসড়া রেকর্ড খুঁজছেন, নাকি চূড়ান্ত প্রকাশিত খতিয়ান—তা যাচাই করুন।

5. অনলাইনে তথ্য না পেলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিস, ইউনিয়ন ভূমি অফিস অথবা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ড শাখায় যোগাযোগ করুন।

প্রয়োজনে ভূমিসেবা-সংক্রান্ত সহায়তার জন্য সরকারি ভূমিসেবা হটলাইন ১৬১২২ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

অনলাইনে পাওয়া খতিয়ান কি জমির মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ?

অনলাইনে খতিয়ান পাওয়া গেলেই সেটিকে জমির মালিকানার একমাত্র বা চূড়ান্ত প্রমাণ ধরে নেওয়া ঠিক নয়। খতিয়ান জমির স্বত্ব ও রেকর্ডসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হলেও মালিকানা যাচাই করতে দলিল, স্বত্বের ধারাবাহিকতা, উত্তরাধিকারসংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাগজপত্রও বিবেচনা করতে হয়।

একইভাবে নামজারি বা ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের তথ্য থাকলেই সব ক্ষেত্রে মালিকানা চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় না। জমি কেনার আগে সংশ্লিষ্ট নথিগুলো মিলিয়ে দেখা এবং প্রয়োজনে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।

জমির খতিয়ান অনলাইনে বের করার জন্য প্রথমে সরকারি ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ সেবার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে জমির বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা ও খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করতে হবে। এরপর খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর অথবা মালিকের নাম দিয়ে অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় রেকর্ড শনাক্ত করা যায়। কপি প্রয়োজন হলে নির্ধারিত আবেদন ও ফি পরিশোধের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

তবে জমির মালিকানা যাচাই বা কেনাবেচার কাজে শুধু অনলাইনে দেখা তথ্যের ওপর নির্ভর না করে প্রয়োজনীয় মূল নথি ও সত্যায়িত কপি যাচাই করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

জমির খতিয়ান অনলাইনে বের করা ও ভূমিসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার সরকারি ওয়েবসাইটগুলোর লিংক নিচে দেওয়া হলো।

1. ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ (খতিয়ান অনুসন্ধান ও কপির আবেদন)

লিংক: https://dlrms.land.gov.bd/

2. ই-পর্চা ও চলমান জরিপের খতিয়ান অনুসন্ধান

লিংক: https://settlement.gov.bd/

3. বাংলাদেশের সরকারি ভূমি তথ্য বাতায়ন

লিংক: https://land.gov.bd/

4. অনলাইন ভূমিসেবা সহায়তা

হটলাইন: ১৬১২২

কোন ওয়েবসাইটে যাবেন? প্রথমে https://dlrms.land.gov.bd/ ওয়েবসাইটে চেষ্টা করুন। সেখানে প্রয়োজনীয় খতিয়ান না পেলে জমির জরিপের ধরন অনুযায়ী অন্য সরকারি পোর্টাল ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন, চলমান জরিপের খসড়া খতিয়ান আর চূড়ান্ত প্রকাশিত খতিয়ান এক নয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন ১: জমির খতিয়ান অনলাইনে বের করতে কী কী তথ্য লাগে?

উত্তর: সাধারণত বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা এবং খতিয়ানের ধরন জানা প্রয়োজন। খতিয়ান নম্বর জানা থাকলে অনুসন্ধান সহজ হয়। নম্বর না জানলে মালিকের নাম বা দাগ নম্বর দিয়ে খোঁজার চেষ্টা করা যায়।

প্রশ্ন ২: মোবাইল ফোন দিয়ে কি জমির খতিয়ান বের করা যায়?

উত্তর: হ্যাঁ। মোবাইলের ব্রাউজার থেকে সরকারি ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ সেবার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে খতিয়ান অনুসন্ধান করা যায়। কপি সংগ্রহের জন্য প্রয়োজন হলে অনলাইনে আবেদনও করা সম্ভব।

প্রশ্ন ৩: অনলাইনে খতিয়ান বের করতে কি টাকা লাগে?

উত্তর: শুধু তথ্য অনুসন্ধান এবং কপি সংগ্রহের আবেদন এক নয়। কপি সংগ্রহের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সরকারি ফি দিতে হয়। আবেদনের সময় সরকারি পোর্টালে প্রদর্শিত সর্বশেষ ফি যাচাই করুন।

প্রশ্ন ৪: খতিয়ান নম্বর জানা না থাকলে কীভাবে খুঁজব?

উত্তর: সরকারি পোর্টালের অধিকতর অনুসন্ধান সুবিধা ব্যবহার করে জমির দাগ নম্বর বা মালিকের নাম দিয়ে খোঁজার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি মৌজার তথ্য সঠিকভাবে নির্বাচন করতে হবে।

প্রশ্ন ৫: অনলাইনে খতিয়ান না পাওয়া গেলে কী করব?

উত্তর: প্রথমে জমির ঠিকানা, মৌজা, জরিপের ধরন ও নম্বর যাচাই করুন। এরপরও না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ড শাখায় যোগাযোগ করুন।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত: