ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

৬৫ লাখ টাকা শেষ, আটবার অস্ত্রোপচার: এক দুর্ঘটনায় ওলটপালট জীবন

সারাদেশ ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৫:৫৪:২৯
৬৫ লাখ টাকা শেষ, আটবার অস্ত্রোপচার: এক দুর্ঘটনায় ওলটপালট জীবন

প্রতিটি দিনের হিসাবে দেশের সড়কে গড়ে ৬৬ জনের প্রাণ যাচ্ছে। একই সময়ে ১০৪ জন এমনভাবে আহত হচ্ছেন যে বাকি জীবন তাঁদের পঙ্গুত্ব বা প্রতিবন্ধিতা নিয়েই কাটাতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে হওয়া একটি জাতীয় জরিপ এই দৈনিক গড় বের করেছে।

আজ ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য 'নিরাপদ সড়ক, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ'। দুর্গাপূজার ছুটির কারণে আজ মূল আয়োজন হচ্ছে না, আনুষ্ঠানিকতা হবে ২৮ অক্টোবর। দিবসের মুখেই মঙ্গলবার নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বনপাড়ায় পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সামনে ট্রাক ও বাসের সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন।

এক নজরে জরিপের হিসাব

বিষয়জরিপের তথ্য
সড়কে মৃত্যু (বছরে) ২৪,২৩৩ জন (দিনে গড়ে ৬৬)
প্রতি ১ লাখে মৃত্যুর হার ১৪.৬৭
সড়কে আহত (বছরে) ৩০,৩১,০২৮ জন
সড়কে স্থায়ী পঙ্গু বা প্রতিবন্ধী (বছরে) ৩৮,০২৮ জন (দিনে ১০৪)

সংখ্যাগুলো কোথা থেকে এল

'জাতীয় স্বাস্থ্য ও আঘাত' নামের জরিপটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির (এনসিডিসি) উদ্যোগে করেছে সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি)। তথ্য সংগ্রহ শুরু হয় ২০২৩ সালের মে মাসে, চলে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত। সেই ফেব্রুয়ারিতেই প্রকাশ পায় সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন। দেশের ৬৪ জেলা থেকে ৪ লাখ ৪২ হাজার ৯৯৮ জনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

জরিপে দেখা গেছে, সব ধরনের আঘাতজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ সড়ক দুর্ঘটনা। প্রাণঘাতী নয়, এমন আঘাতের কারণের তালিকায় এর অবস্থান তৃতীয়।

কারা মরছেন, কারা আহত হচ্ছেন

সড়কে নিহতদের ৮৪ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ, বাকি ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ নারী। ভৌগোলিক হিসাবে ঝুঁকি বেশি শহরে। প্রতি ১ লাখ মানুষে শহরে মৃত্যুর হার ১৬ দশমিক ৫৬, গ্রামে ১৩ দশমিক ৮১।

আহতের চিত্রও ভয়াবহ। দেশে বছরে প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ ৭৪ হাজার মানুষ প্রাণঘাতী নয়, এমন আঘাত পান। তাঁদের মধ্যে ৩০ লাখ ৩১ হাজার ২৮ জনের আঘাতের উৎস সড়ক দুর্ঘটনা, যা মোট আহতের প্রায় ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে বছরে প্রায় ১ হাজার ৮৩৫ জন সড়কে আহত হন।

সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি স্থায়ী পঙ্গুত্ব। সব ধরনের আঘাত মিলিয়ে বছরে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৯ জন স্থায়ীভাবে পঙ্গু বা প্রতিবন্ধী হন। এর ৩৮ হাজার ২৮ জনের ক্ষেত্রে কারণ সড়ক দুর্ঘটনা, অর্থাৎ আঘাতজনিত স্থায়ী প্রতিবন্ধিতার প্রায় ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ। জরিপে দৃষ্টি, শ্রবণ, হাতের কার্যক্ষমতা, চলাফেরা ও মানসিক সক্ষমতার স্থায়ী ক্ষতিকে প্রতিবন্ধিতা ধরা হয়েছে।

সংখ্যার ওপারে: তিন জনের গল্প

সর্বস্ব খুইয়ে বেঙ্গালুরুতে

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর জাহিদুল আলম কাজ করতেন ওমানে। ২০২৪ সালের আগস্টে ছুটি কাটাতে দেশে আসেন। ৪ সেপ্টেম্বর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তাঁর হাত-পা ভাঙে, চোয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তিনটি দাঁত ভেঙে যায়, মাথায়ও লাগে গুরুতর আঘাত। চিকিৎসা চলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে, তারপর চট্টগ্রাম এভারকেয়ার হাসপাতালে। প্রাণ রক্ষা পেলেও তিনি পঙ্গু হয়ে যান।

২৮ বছর বয়সী জাহিদুল এখন ভারতের বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসাধীন। গত মঙ্গলবার সেখান থেকে ফোনে তিনি জানান, চিকিৎসায় ৬৫ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। জীবনের সব সঞ্চয় ফুরিয়েছে, ধারদেনাও করতে হয়েছে। পায়ে অস্ত্রোপচার হয়েছে আটবার, কয়েকবার পচন ধরেছে। বিদেশে ফেরা আর হয়নি, ভবিষ্যতে হবে বলেও তাঁর মনে হয় না।

কারখানার কর্মী থেকে চায়ের দোকানি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মো. সজীব ২০২১ সালে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় পড়েন। তাঁর বাঁ পা ভেঙে যায়, শরীরের আরও নানা জায়গায় আঘাত লাগে। ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে প্রায় ৩৩ দিন ভর্তি থেকে অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে। এখনো তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারেন না।

দুর্ঘটনার আগে সজীব কারখানায় চাকরি করতেন। এরপর প্রায় তিন বছর কোনো কাজ করতে পারেননি। মঙ্গলবার তিনি জানান, এখন চায়ের দোকান চালিয়ে কোনোমতে সংসার টানছেন।

একটি দুর্ঘটনা, ১৭ জনের মৃত্যু, বেঁচে রইলেন একজন

২০২১ সালে রাজশাহীতে একটি মাইক্রোবাস ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাইক্রোবাসে আগুন ধরে যায়। ১৭ জন মারা যান, সবাই একই পরিবারের সদস্য। একমাত্র বেঁচে ফেরেন পাভেল মিয়া। বাবা-মাসহ আত্মীয়দের হারান তিনি। তখন তাঁর বয়স ১৭ বছর, রংপুর পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজে সদ্য ভর্তি হয়েছিলেন।

পাভেল তিন মাস আইসিইউতে ছিলেন। দুটি দাঁত ও ডান হাতের বুড়ো আঙুল তিনি চিরতরে হারিয়েছেন, কথা বলতে গেলে এখনো জড়িয়ে যায়। পড়াশোনা আর এগোয়নি। তিনি বলেন, কোনো কাজ করতে পারেন না, একটি সরকারি চাকরি পেলে জীবন চলত।

এই ভুক্তভোগীদের বড় অংশই তরুণ ও কর্মক্ষম, তাই ক্ষতির আঁচ লাগে পুরো পরিবারে। সিআইপিআরবির উপনির্বাহী পরিচালক সেলিম মাহমুদ চৌধুরীর পর্যবেক্ষণ, সড়কে নিহত, পঙ্গু ও গুরুতর আহতের বেশির ভাগই বয়সে তরুণ। এঁদের মধ্যে নিম্ন আয়ের মানুষ এবং পরিবারের উপার্জনকারী সদস্যরাই বেশি। পঙ্গু হয়ে গেলে তাঁরা পরিবার ও রাষ্ট্রের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়ান। এ কারণে তিনি আইন প্রণয়ন, তার প্রয়োগ ও জনসচেতনতার ওপর জোর দিতে বলেন।

দুর্ঘটনার পেছনের কারণ

গবেষণা ও সরকারি প্রতিবেদনে যেসব কারণ বারবার এসেছে, সেগুলো চারটি স্তরে ভাগ করা যায়।

চালক ও পথচারীর আচরণ: বেপরোয়া ও অতিরিক্ত গতি, অসতর্কতা, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, ট্রাফিক আইন ভাঙা, চালকের অদক্ষতা, শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, ক্লান্তি, ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে গাড়ি চালানো এবং চালানোর সময় মুঠোফোন ব্যবহার। পথচারীর অসতর্ক চলাচলও ঝুঁকি বাড়ায়।

যানবাহন: ফিটনেসবিহীন ও ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি, ব্রেকের গোলযোগ, ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী ও মালামাল বহন। মহাসড়কে ধীরগতির যানের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও মোটরসাইকেলের ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবহারও এর অংশ।

সড়কের কাঠামো: নকশার ত্রুটি, বিপজ্জনক বাঁক, অপর্যাপ্ত সড়কবাতি, সাইন-সংকেত ও নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি, বিভাজক ও নিরাপদ পারাপারের অভাব এবং সড়কের পাশে সুরক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা।

ব্যবস্থাপনা ও সুরক্ষা: হেলমেট, সিটবেল্ট ও শিশুদের নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার না করা, চালকের কর্মঘণ্টা ও বিশ্রামের নির্দিষ্ট নিয়ম না থাকা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, আইন প্রয়োগে শিথিলতা এবং বিআরটিএর তদারকি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ঘাটতি। দুর্ঘটনার পর দ্রুত মানসম্মত চিকিৎসা না মিললে প্রাণহানির ঝুঁকিও বাড়ে।

বৈশ্বিক লক্ষ্য, মন্ত্রীর আশ্বাস

জাতিসংঘ ২০২১ থেকে ২০৩০ সালকে 'নিরাপদ সড়ক দশক' ঘোষণা করেছে। ২০২০ সালে সাধারণ পরিষদ এ উদ্যোগ নেয়। লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে সড়কে মৃত্যু ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমানো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমন্বয়ে তৈরি বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো, যানবাহনের নিরাপত্তা, গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ, আইন প্রয়োগ এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী দ্রুত চিকিৎসা।

গত ২০ ও ২১ জুলাই নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা ও পথচারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন করার প্রতিশ্রুতিও দেন।

গতকাল মন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ফিটনেসবিহীন যান রাস্তায় চলতে দেওয়া হবে না, এ নিয়ে সরকারের অবস্থান কঠোর। গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণেও চেষ্টা চলছে। তাঁর আশা, ২০৩০ সালের মধ্যে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি অর্ধেকে নামবে। ২০২৭ সালের মধ্যে সড়ক নিরাপদ করার জন্য দরকারি সব আইন ও বিধিও তৈরি হয়ে যাবে। মন্ত্রীর ভাষ্য, পরিবহন খাত দীর্ঘ সময় ধরে বিশৃঙ্খল ছিল, তাই রাতারাতি শৃঙ্খলা আনা কঠিন, কিছুটা সময় দিতে হবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নেওয়া প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতি অনেকটা বদলে যাবে বলেও তিনি মনে করেন।

বিশেষজ্ঞদের আপত্তি: কাগজে প্রতিশ্রুতি, মাঠে ফাঁক

বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন, দুর্ঘটনা কমাতে যে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দরকার, দেশে তা নেই। সড়ক দুর্ঘটনা ঠেকানোর শীর্ষ ফোরাম জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় দেড় বছরে এর বৈঠক বসেছে একবার। বর্তমান সরকারের সময়ে এখন পর্যন্ত একটি বৈঠকও হয়নি, যদিও ছয় মাসের মধ্যে বৈঠক করার কথা। বিআরটিএ এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরে রোড সেফটি বিভাগ বা সেল আছে। তবে তাদের কাজ কিছু লিফলেট বিলি আর দিবসকেন্দ্রিক আয়োজনের মধ্যেই আটকে আছে।

সওজের অধীনে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে একটি সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প চলছে। উদ্দেশ্য, সড়কে মৃত্যু ও গুরুতর আহতের সংখ্যা কমানো এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সক্ষমতা বাড়ানো। ২০২৩ সালের ১৮ এপ্রিল একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। মোট ব্যয় ৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা, বাস্তবায়নের সময়সীমা ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত।

বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও যোগাযোগবিশেষজ্ঞ সামছুল হকের বক্তব্য, মৃত্যু ও দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা সরকার এখনো নেয়নি। শুধু প্রতিশ্রুতিতে কাজ হবে না। তাঁর কথায়, 'ব্যতিক্রমী, বিজ্ঞানধর্মী টেকসই পরিকল্পনা ছাড়া যত কথাই বলা হোক, সেটা কাজ করবে না।'

সমাধানের পথ হিসেবে তিনি সমস্যার গোড়ায় যাওয়ার কথা বলেন। যানবাহনের ফিটনেস ও রুটপারমিট এবং চালকের লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া যথাযথ করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে তদারকি জোরদার করা এবং তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেই পরিকল্পনা সাজানোও দরকার।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে কতজনের মৃত্যু হয়?

জাতীয় স্বাস্থ্য ও আঘাত জরিপ অনুযায়ী দিনে গড়ে ৬৬ জন, বছরে আনুমানিক ২৪ হাজার ২৩৩ জন।

২. সড়ক দুর্ঘটনায় কতজন স্থায়ীভাবে পঙ্গু বা প্রতিবন্ধী হচ্ছেন?

বছরে ৩৮ হাজার ২৮ জন, দৈনিক হিসাবে ১০৪ জন। আঘাতজনিত স্থায়ী প্রতিবন্ধিতার প্রায় ২৭ দশমিক ৪ শতাংশের কারণ সড়ক দুর্ঘটনা।

৩. শহর না গ্রাম, কোথায় সড়কে মৃত্যুহার বেশি?

শহরে। প্রতি ১ লাখ মানুষে শহরে হার ১৬ দশমিক ৫৬ এবং গ্রামে ১৩ দশমিক ৮১।

৪. নিরাপদ সড়ক দিবসের মূল অনুষ্ঠান কবে হবে?

দিবসটি ২২ অক্টোবর হলেও দুর্গাপূজার ছুটির কারণে আনুষ্ঠানিকতা হবে ২৮ অক্টোবর।

৫. সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে সরকার কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছে?

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার আশা প্রকাশ করেছেন।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ