ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

সিঙ্গাপুরে শ্রমিকের মাসিক আয় কত, খরচ বাদে থাকে কত?

প্রবাসী ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৫ ২১:৩৪:২১
সিঙ্গাপুরে শ্রমিকের মাসিক আয় কত, খরচ বাদে থাকে কত?

সিঙ্গাপুরে নির্মাণ খাতে কাজ করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়, থাকা ও খাবারের পেছনে কত খরচ হয়—এমন প্রশ্ন অনেক বাংলাদেশি শ্রমপ্রত্যাশীর। দেশটিতে নির্মাণশ্রমিকদের মাসিক আয় কাজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, নিয়োগকর্তা এবং অতিরিক্ত কাজের ওপর নির্ভর করে। ২০২৬ সালের একটি শ্রমিক জরিপে নির্মাণ খাতের কর্মীদের গড় মাসিক আয় পাওয়া গেছে ৮৬৮ সিঙ্গাপুর ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৪ হাজার ৬০০ টাকা। তবে এই অর্থ সবার জন্য নির্ধারিত বেতন নয়। এর পাশাপাশি ডরমিটরিতে থাকা এবং নিজের খাবারের ব্যবস্থা করতে হলে আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় হতে পারে।

সিঙ্গাপুরে নির্মাণ খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের কাজের সুযোগ থাকলেও দেশটিতে যাওয়ার আগে বেতন, ওভারটাইম, আবাসন, খাবার এবং বেতন থেকে কী কী টাকা কাটা হতে পারে, তা ভালোভাবে জেনে নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে শুধু মাসিক বেতনের অঙ্ক দেখে চাকরির সিদ্ধান্ত নিলে প্রকৃত সঞ্চয়ের হিসাব ভুল হতে পারে।

সিঙ্গাপুরে নির্মাণশ্রমিকের মাসিক বেতন কত?

সিঙ্গাপুরে নির্মাণশ্রমিকদের জন্য সরকার নির্ধারিত একক কোনো জাতীয় ন্যূনতম বেতন নেই। দেশটির জনশক্তি মন্ত্রণালয় (MOM) জানিয়েছে, স্থানীয় ও বিদেশি—কোনো কর্মীর জন্যই সরকার সার্বজনীন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করে না। কাজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে বেতন নির্ধারিত হয়।

তবে ২০২৬ সালের মার্চ ও এপ্রিল মাসে পরিচালিত একটি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের নির্মাণ খাতের কর্মীদের গড় মাসিক আয় প্রায় ৮৬৮ সিঙ্গাপুর ডলার। জরিপটি পরিচালনা করে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থা Transient Workers Count Too (TWC2)। জরিপের তথ্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনেও নির্মাণশ্রমিকদের এই গড় আয়ের কথা উঠে এসেছে।

৫ নভেম্বর ২০২৬-এর কাছাকাছি বিনিময় হার ধরে ৮৬৮ সিঙ্গাপুর ডলারের মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৪ হাজার ৬০০ টাকা। তবে বিনিময় হার পরিবর্তনের কারণে টাকার অঙ্ক কমবেশি হতে পারে।

এখানে মনে রাখতে হবে, জরিপে পাওয়া গড় আয় কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানির বেতন কাঠামো নয়। নতুন কর্মী, অভিজ্ঞ শ্রমিক এবং দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীদের আয় এক রকম হয় না। আবার ওভারটাইমের সুযোগ থাকলে মাসিক মোট আয় বাড়তে পারে।

কাজের ধরন ও অভিজ্ঞতায় বেতনের পার্থক্য

নির্মাণ খাতে সব কর্মী একই ধরনের কাজ করেন না। কেউ সাধারণ শ্রমিক হিসেবে নির্মাণসামগ্রী বহন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কিংবা অন্যান্য সহায়ক কাজ করেন। আবার কেউ রাজমিস্ত্রি, রড বাঁধাই, ফর্মওয়ার্ক, ওয়েল্ডিং, ইলেকট্রিক্যাল বা প্লাম্বিংয়ের মতো দক্ষতাভিত্তিক কাজে যুক্ত থাকেন।

কাজের ধরন ও দক্ষতার কারণে তাঁদের বেতনে পার্থক্য দেখা যায়। সাধারণ শ্রমিকের তুলনায় অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত কর্মীর বেশি আয় করার সুযোগ থাকতে পারে। একই সঙ্গে কাজের গতি, দায়িত্ব, প্রতিষ্ঠানের বেতন কাঠামো এবং ওভারটাইমের সুযোগও আয়ের ওপর প্রভাব ফেলে।

TWC2-এর ২০২৬ সালের জরিপে নির্মাণ খাতে অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে কর্মীদের আয়ের উন্নতির প্রবণতাও দেখা গেছে। তবে প্রত্যেক কর্মীর ক্ষেত্রে একই হারে বেতন বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

সিঙ্গাপুরে নির্মাণশ্রমিকের থাকার খরচ কত?

সিঙ্গাপুরে বিদেশি নির্মাণশ্রমিকদের একটি বড় অংশ নিয়োগকর্তার ব্যবস্থাপনায় ডরমিটরি বা শ্রমিক আবাসনে থাকেন। এসব আবাসনে একাধিক কর্মী একসঙ্গে থাকেন। সেখানে সাধারণত বিছানা, বাথরুম, রান্না বা খাবারের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা থাকতে পারে।

তবে ডরমিটরিতে থাকার খরচ নির্ভর করে আবাসনের ধরন, অবস্থান, সুযোগ-সুবিধা এবং নিয়োগকর্তার সঙ্গে চুক্তির ওপর।

Knight Frank ও Dormitory Association of Singapore-এর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে সিঙ্গাপুরের বাণিজ্যিক শ্রমিক ডরমিটরিতে প্রতি বেডের গড় মাসিক ভাড়া ছিল প্রায় ৪৯০ সিঙ্গাপুর ডলার। ভাড়ার পরিসর ছিল ৪৪৫ থেকে ৫৩০ ডলার।

বাংলাদেশি মুদ্রায় এই ভাড়া আনুমানিক ৪৩ হাজার ৪০০ থেকে ৫১ হাজার ৭০০ টাকার সমান। তবে এটি বাণিজ্যিক ডরমিটরির বাজারভিত্তিক ভাড়া; প্রত্যেক নির্মাণশ্রমিককে নিজের বেতন থেকে এই টাকা দিতে হয় না।

সিঙ্গাপুরের নিয়ম অনুযায়ী, নিয়োগকর্তাকে কর্মীর জন্য উপযুক্ত আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হয়। কোনো কর্মীকে আবাসনের জন্য টাকা দিতে হলে তা চুক্তি ও আইনসম্মত বেতন কর্তনের নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে। ফলে চাকরির প্রস্তাবে থাকা বিনা মূল্যে, নাকি বেতন থেকে নির্দিষ্ট অর্থ কেটে রাখা হবে, সেটি আগে জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

সিঙ্গাপুরে নির্মাণশ্রমিকের খাবারের খরচ কত?

থাকার পাশাপাশি খাবারের খরচও মাসিক সঞ্চয়ের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। সিঙ্গাপুরে খাবারের দাম নির্ভর করে কোথায় খাওয়া হচ্ছে এবং কী ধরনের খাবার কেনা হচ্ছে তার ওপর।

সাধারণ হকার সেন্টার বা স্থানীয় খাবারের দোকানে একটি সাধারণ খাবারের দাম প্রায় ৪ থেকে ৬ সিঙ্গাপুর ডলার হতে পারে। তুলনামূলক বেশি সুবিধাযুক্ত ফুড কোর্টে একই ধরনের খাবারের দাম আরও বেশি হতে পারে।

কেউ যদি প্রতিদিন দুই বেলা বাইরে সাধারণ খাবার খান, তাহলে শুধু এই দুই বেলার জন্য মাসে আনুমানিক ২৪০ থেকে ৩৬০ সিঙ্গাপুর ডলার ব্যয় হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২৩ হাজার ৪০০ থেকে ৩৫ হাজার ১০০ টাকা। তিন বেলা বাইরে খেলে খরচ আরও বাড়বে।

অন্যদিকে, ডরমিটরিতে রান্নার সুযোগ থাকলে বাজার থেকে চাল, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে নিজেরা রান্না করে খরচ কমানো সম্ভব। তবে রান্নার সুবিধা, বাজারদর এবং ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী ব্যয় পরিবর্তিত হবে।

সিঙ্গাপুরের জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের অভিবাসী শ্রমিক অভিজ্ঞতা জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৮০ শতাংশ শ্রমিক নিজেরা রান্না করেন অথবা বাইরে থেকে খাবার কিনে খান। মাত্র ১৩ শতাংশের মতো শ্রমিকের খাবার নিয়োগকর্তার মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। অর্থাৎ অধিকাংশ শ্রমিককেই নিজের খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়।

বেতন থেকে থাকা ও খাবারের টাকা কাটা যাবে কি?

সিঙ্গাপুরে বিদেশি কর্মীদের বেতন থেকে ইচ্ছামতো টাকা কেটে নেওয়ার সুযোগ নেই। দেশটির জনশক্তি মন্ত্রণালয় বেতন কর্তনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে বলে।

আবাসনের জন্য কর্মীর সম্মতি নিয়ে নির্দিষ্ট শর্তে বেতন থেকে অর্থ কাটা যেতে পারে। তবে আবাসন ও অনুমোদিত সুবিধার জন্য মোট কর্তন সংশ্লিষ্ট বেতন সময়ের বেতনের ২৫ শতাংশের বেশি হতে পারে না। সব ধরনের সাধারণ বেতন কর্তন মিলিয়ে এক বেতন মেয়াদে মোট কর্তনের সীমা সাধারণত ৫০ শতাংশ।

এ ছাড়া নিয়োগকর্তা বিদেশি কর্মীর কাছ থেকে ওয়ার্ক পারমিট, নিরাপত্তা জামানত, মেডিকেল ইনস্যুরেন্স, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ, বিদেশি কর্মী নিয়োগের লেভি বা প্রত্যাবাসনের খরচ আদায়ের জন্য বেতন কাটতে পারেন না।

তাই চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে বেতনের পাশাপাশি আবাসন, খাবার, যাতায়াত ও অন্যান্য খরচের বিষয়ে লিখিত চুক্তি দেখে নেওয়া উচিত।

ওভারটাইম করলে আয় কতটা বাড়তে পারে?

সিঙ্গাপুরের নির্মাণ খাতে ওভারটাইমের সুযোগ থাকলে একজন শ্রমিকের মাসিক আয় বাড়তে পারে। তবে সব প্রতিষ্ঠানে সমান পরিমাণ অতিরিক্ত কাজ পাওয়া যায় না। প্রকল্পের অবস্থা, কাজের চাপ এবং নিয়োগকর্তার প্রয়োজন অনুযায়ী ওভারটাইমের পরিমাণ নির্ধারিত হয়।

Employment Act-এর Part 4-এর আওতাভুক্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে সাধারণ কর্মঘণ্টার বাইরে ওভারটাইমের পারিশ্রমিক ঘণ্টাপ্রতি মূল বেতনের অন্তত ১.৫ গুণ হতে হয়। তবে কারা এই বিধানের আওতায় পড়বেন, তা তাঁদের কাজের ধরন ও আইনি যোগ্যতার ওপর নির্ভর করে।

এ কারণে কোনো চাকরির প্রস্তাবে ওভারটাইমের আয়কে নিশ্চিত মাসিক বেতন হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। মূল বেতন এবং ওভারটাইমের হার আলাদা করে জেনে নিতে হবে।

সিঙ্গাপুরে যাওয়ার আগে যেসব বিষয় যাচাই করবেন

শুধু বেশি বেতনের প্রতিশ্রুতি শুনে বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। নিয়োগকর্তার দেওয়া চাকরির প্রস্তাব, ইন-প্রিন্সিপল অ্যাপ্রুভাল (IPA) এবং ওয়ার্ক পারমিটের তথ্য মিলিয়ে দেখা জরুরি।

বিশেষ করে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন—

চুক্তিতে উল্লেখ করা মূল মাসিক বেতন কত?

বেতনটি নির্দিষ্ট, নাকি কাজের দিন ও ঘণ্টার ওপর নির্ভরশীল?

ওভারটাইমের হার কত এবং কাজ পাওয়ার নিশ্চয়তা আছে কি না?

থাকার ব্যবস্থা বিনা মূল্যে, নাকি বেতন থেকে টাকা কাটা হবে?

খাবার নিয়োগকর্তা দেবেন, নাকি নিজেকে ব্যবস্থা করতে হবে?

যাতায়াত ও অন্যান্য সুবিধার খরচ কে বহন করবেন?

বেতন দেওয়ার তারিখ এবং বেতন কর্তনের নিয়ম কী?

সিঙ্গাপুরে নির্মাণ খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। তবে কাজ শুরুর আগে বৈধ Work Permit নিশ্চিত করা জরুরি। ওয়ার্ক পারমিটে যে নিয়োগকর্তা ও পেশার উল্লেখ থাকবে, কর্মীকে সেই নিয়োগকর্তার অধীনেই নির্ধারিত পেশায় কাজ করতে হয়।

সব খরচ বাদ দিয়ে কত টাকা সঞ্চয় করা সম্ভব?

সিঙ্গাপুরে নির্মাণশ্রমিকের প্রকৃত সঞ্চয় নির্ভর করে তাঁর বেতন, থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা, ওভারটাইম এবং ব্যক্তিগত খরচের ওপর। কারও আবাসন ও খাবারের খরচ নিয়োগকর্তা বহন করলে সঞ্চয়ের সুযোগ বেশি হতে পারে। অন্যদিকে নিজের খাবার কিনতে হলে কিংবা আবাসনের জন্য অর্থ দিতে হলে সঞ্চয়ের পরিমাণ কমে যাবে।

২০২৬ সালের জরিপে পাওয়া ৮৬৮ সিঙ্গাপুর ডলারের গড় আয়কে একটি ধারণা হিসেবে বিবেচনা করা যায়। তবে এই অর্থ থেকে সম্ভাব্য খরচ বাদ দিয়ে প্রত্যেক কর্মীর জন্য একই সঞ্চয়ের অঙ্ক নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার সময় এজেন্ট বা নিয়োগ-সংক্রান্ত ঋণ থাকলে সেটি পরিশোধের বিষয়টিও হিসাব করতে হবে।

সব মিলিয়ে, সিঙ্গাপুরে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যাওয়ার আগে শুধু মাসিক বেতন নয়, বরং হাতে কত টাকা থাকবে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসাব। লিখিত চুক্তিতে বেতন, থাকা, খাবার ও ওভারটাইমের শর্ত পরিষ্কার থাকলে বিদেশে গিয়ে আর্থিক অনিশ্চয়তার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

প্রাসঙ্গিক প্রশ্নোত্তর (FAQ)

১. সিঙ্গাপুরে নির্মাণশ্রমিকের গড় মাসিক বেতন কত?

২০২৬ সালের একটি শ্রমিক জরিপ অনুযায়ী, নির্মাণ খাতের কর্মীদের গড় মাসিক আয় প্রায় ৮৬৮ সিঙ্গাপুর ডলার। তবে কাজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিতে বেতন কমবেশি হয়।

২. সিঙ্গাপুরে নির্মাণশ্রমিকদের থাকা কি বিনা মূল্যে?

অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তা আবাসনের ব্যবস্থা করেন। তবে আবাসনের খরচ কর্মীকে দিতে হবে কি না, তা চাকরির চুক্তির ওপর নির্ভর করে।

৩. সিঙ্গাপুরে একজন শ্রমিকের মাসিক খাবারের খরচ কত?

নিজে রান্না করলে খরচ তুলনামূলক কম হতে পারে। বাইরে নিয়মিত খাবার কিনে খেলে মাসে কয়েকশ সিঙ্গাপুর ডলার ব্যয় হতে পারে।

৪. সিঙ্গাপুরে নির্মাণশ্রমিকের ওভারটাইমের টাকা পাওয়া যায় কি?

হ্যাঁ, প্রযোজ্য শ্রম আইনের আওতায় থাকা কর্মীরা ওভারটাইমের জন্য অতিরিক্ত পারিশ্রমিক পান। তবে কাজের সুযোগ ও ওভারটাইমের হার চুক্তি এবং আইনি বিধানের ওপর নির্ভর করে।

৫. সিঙ্গাপুরে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে যেতে কী ধরনের ওয়ার্ক পারমিট প্রয়োজন?

নির্মাণ খাতে বিদেশি শ্রমিকদের সাধারণত Work Permit প্রয়োজন হয়। নিয়োগকর্তা বা তাঁর নিয়োগ করা এজেন্ট এই পারমিটের আবেদন করেন।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ