ঢাকা, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

দুই বছরের বিরতি ভেঙে আইপিওতে ৬ কোম্পানি, তুলবে ৬১২ কোটি টাকা

শেয়ারনিউজ ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ১৫:৩৪:০২
দুই বছরের বিরতি ভেঙে আইপিওতে ৬ কোম্পানি, তুলবে ৬১২ কোটি টাকা

দেশের শেয়ারবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির পথ আবার খুলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় প্রায় বন্ধ থাকার পর এবার একসঙ্গে ছয়টি প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহের আবেদন করেছে। কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী, সব আবেদন অনুমোদিত হলে বাজার থেকে মোট ৬১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা সংগ্রহের সুযোগ তৈরি হবে। এই উদ্যোগের মধ্যে সবচেয়ে বড় অঙ্কের প্রস্তাব বিদ্যুৎ খাতের কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জির। আর তৈরি পোশাক খাতে সাত বছর পর নতুন শতভাগ রপ্তানিমুখী কোম্পানির তালিকাভুক্তির সম্ভাবনা তৈরি করেছে স্ক্যান্ডেক্স (বিডি) লিমিটেড।

নতুন আবেদনগুলো এসেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, তৈরি পোশাক, প্যাকেজিং, আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি এবং বিমা খাত থেকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পাঁচটি কোম্পানি ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে শেয়ার ছাড়তে চায়। বাকি প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স পাওয়ার বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়েছে।

আইপিও বাজারে নতুন করে আগ্রহের পেছনে কী

দুই বছরের বেশি সময় ধরে দেশের শেয়ারবাজারে নতুন আইপিও কার্যক্রম কার্যত স্থবির ছিল। এ সময় নতুন কোম্পানির আবেদন না আসার পেছনে কয়েকটি কারণ কাজ করেছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব এবং ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পাবলিক অফারসংক্রান্ত বিধিবিধান পুনর্বিবেচনা ও সংশোধনের উদ্যোগের কারণে নতুন আইপিও আবেদন থেমে যায়।

পরবর্তী সময়ে বিধিমালায় পরিবর্তন আনা হয়। পাশাপাশি আবেদন জমা দেওয়া ও অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় থাকা কিছু জটিলতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর থেকেই কোম্পানিগুলোর মধ্যে শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের আগ্রহ আবার দেখা যাচ্ছে।

এবারের ছয়টি আবেদন সেই আগ্রহেরই প্রতিফলন। তবে আবেদন জমা পড়া মানেই শেয়ার ছাড়ার অনুমতি পাওয়া নয়। প্রতিটি প্রস্তাব যাচাই করে প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেওয়ার দায়িত্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থার।

সবচেয়ে বড় প্রস্তাব কনফিডেন্স পাওয়ারের

ছয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এককভাবে ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায় কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি। কোম্পানিটির পরিকল্পনা দুটি গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ। প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজারের উত্তরাঞ্চল ও বাগেরহাটের মোংলায় প্রতিটি ১০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে উঠবে। অর্থাৎ দুই কেন্দ্রের সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা হবে ২০০ মেগাওয়াট।

এই অর্থ সংগ্রহে কোম্পানিটি বুক বিল্ডিং পদ্ধতি বেছে নিয়েছে। প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য প্রস্তাব করা হয়েছে ২৪২ টাকা। সংশোধিত আইপিও বিধিমালা অনুযায়ী, যোগ্য বিনিয়োগকারীরা নির্দেশক দরের চেয়ে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ বেশি অথবা ২৫ শতাংশ কম দামে শেয়ার কেনার প্রস্তাব দিতে পারবেন। নিলাম শেষে নির্ধারিত হবে শেয়ারের চূড়ান্ত মূল্য।

কোম্পানিটির ৪০০ কোটি টাকার ব্যয় পরিকল্পনায় প্রকল্পের জমি কেনা ও অবকাঠামো নির্মাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এ জন্য বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব রয়েছে ৩৩২ কোটি টাকা, যা মোট অর্থের ৮৩ শতাংশ। ব্যাংকঋণের একটি অংশ পরিশোধে ব্যয় হবে ৬০ কোটি টাকা বা ১৫ শতাংশ। বাকি ৮ কোটি টাকা, অর্থাৎ ২ শতাংশ রাখা হয়েছে আইপিওসংক্রান্ত খরচের জন্য।

শেয়ার ছাড়ার প্রস্তুতি হিসেবে কনফিডেন্স পাওয়ার ইতিমধ্যে ১০ দিনব্যাপী রোডশো করেছে। এর আগে ২০২৪ সালের শুরুর দিকে টেকনো ড্রাগস বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল। এরপর এ পদ্ধতিতে নতুন কোনো কোম্পানির আইপিও আবেদন জমা পড়েনি।

স্ক্যান্ডেক্সের আবেদন ঘিরে পোশাক খাতের প্রত্যাশা

শুধু বিদ্যুৎ খাত নয়, তৈরি পোশাক শিল্পের জন্যও এবারের আইপিও আবেদন গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। স্ক্যান্ডেক্স (বিডি) লিমিটেডের প্রস্তাব অনুমোদিত হলে সাত বছর পর দেশের শেয়ারবাজারে নতুন কোনো শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাক প্রস্তুতকারক কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত স্ক্যান্ডেক্সের কারখানা ঢাকার সাভারে। প্রতিষ্ঠানটি পুরুষ, নারী ও শিশুদের জন্য টি-শার্টসহ বিভিন্ন ধরনের পোশাক তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করে। বর্তমানে মাসে প্রায় ১৫ লাখ পিস পোশাক উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে কোম্পানিটির।

আইপিও প্রসপেক্টাসে দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক উৎপাদন ছিল প্রায় ৩৫ লাখ পিস। ২০২৬ সালে তা বেড়ে ১ কোটি ৭০ লাখ পিসে দাঁড়িয়েছে। উৎপাদন সক্ষমতা আরও বাড়ানো এবং নতুন যন্ত্রপাতি কেনার জন্যই শেয়ারবাজার থেকে ৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহের আবেদন করেছে কোম্পানিটি।

স্ক্যান্ডেক্সের প্রতিটি শেয়ারের প্রস্তাবিত মূল্য ১৩ টাকা। এর মধ্যে ১০ টাকা অভিহিত মূল্য এবং ৩ টাকা প্রিমিয়াম। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৭৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

রিং শাইন টেক্সটাইলের পর দীর্ঘ বিরতি

শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ আইপিও হয়েছিল ২০১৯ সালে। সে সময় রিং শাইন টেক্সটাইল শেয়ারবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল। এর আগে ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে কয়েকটি তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ করে।

তবে তালিকাভুক্তির পর রিং শাইন টেক্সটাইল ব্যবসা পরিচালনা ও উৎপাদন কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন সংকটে পড়ে। ২০১৯ সালের পর আর কোনো শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আসেনি। ফলে স্ক্যান্ডেক্সের আবেদন অনুমোদিত হলে এ খাতে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির দীর্ঘ অপেক্ষা শেষ হতে পারে।

প্যাকেজিং কারখানা সম্প্রসারণে ৭৮ কোটি টাকা চায় পার্কওয়ে

ডিবিএল গ্রুপের পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিংয়ের লক্ষ্য ৭৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করা। কোম্পানিটি ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ১ কোটি ৯৫ লাখ নতুন শেয়ার ইস্যু করে শেয়ারবাজারের মূল মার্কেটে তালিকাভুক্ত হতে চায়।

এখানে শেয়ারপ্রতি প্রস্তাবিত মূল্য ৪০ টাকা। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ৩০ টাকা প্রিমিয়াম যুক্ত করে এ দাম নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে এত বেশি প্রিমিয়ামে শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব তুলনামূলকভাবে বিরল। এর আগে ২০১৬ সালে ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস প্রতিটি শেয়ারে ১৯ টাকা প্রিমিয়াম নিয়ে আইপিওর মাধ্যমে ৫৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল।

পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনায় কারখানার অবকাঠামো ও উৎপাদন সরঞ্জাম কেনা প্রধান জায়গা পেয়েছে। ভবন ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে ৬৫ কোটি টাকা, নতুন যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামে ১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা এবং আইপিওসংক্রান্ত খরচে ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে। অর্থাৎ সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ৭৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা সরাসরি কারখানার অবকাঠামো ও উৎপাদন সরঞ্জামে বিনিয়োগ করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি ও বিমা খাতের আবেদন

আর্থিক সেবা খাতের অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স আইপিওর মাধ্যমে ৩৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা সংগ্রহের আবেদন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০০৩ সালে অ্যালায়েন্স লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানি নামে নিবন্ধিত হলেও বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে ২০১৭ সালে।

দেশের বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা কোম্পানিটির উদ্যোক্তাদের মধ্যে সামিট গ্রুপ, র‌্যাংগস গ্রুপ, অ্যালায়েন্স হোল্ডিংস, গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স এবং কনসেপ্ট নিটিংয়ের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। আইপিও প্রসপেক্টাসে প্রধান শেয়ারহোল্ডার হিসেবে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স পিএলসির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রায়ত্ত পিপলস ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রযুক্তি খাতের ডিজিকন টেকনোলজিস ৩০ কোটি টাকা এবং বিমা খাতের প্রোটেকটিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। এই দুই প্রতিষ্ঠানও ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে শেয়ার ছাড়ার আবেদন করেছে। তবে তাদের শেয়ারপ্রতি প্রস্তাবিত মূল্য, অর্থ ব্যয়ের খাত কিংবা অন্যান্য আর্থিক তথ্য আবেদনসংক্রান্ত পাওয়া বিবরণে উল্লেখ নেই।

ছয় প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব এক নজরে

ক্রমপ্রতিষ্ঠানের নামআইপিওতে মূলধন সংগ্রহের পরিমাণআইপিও পদ্ধতি
১ Confidence Power and Energy PLC ৪০০ কোটি টাকা বুক বিল্ডিং
২ Parkway Packaging and Printing ৭৮ কোটি টাকা ফিক্সড প্রাইস
৩ Scandex (BD) Ltd ৫৫ কোটি টাকা ফিক্সড প্রাইস
৪ Alliance Finance ৩৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ফিক্সড প্রাইস
৫ Digicon Technologies ৩০ কোটি টাকা ফিক্সড প্রাইস
৬ Protective Islami Life Insurance ১৫ কোটি টাকা ফিক্সড প্রাইস
মোট৬১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা—

আবেদন অনুমোদনের আগে যেসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ

নতুন ছয়টি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব শেয়ারবাজারে নতুন কোম্পানির অংশগ্রহণের সম্ভাবনা তৈরি করলেও এখনই এগুলোকে অনুমোদিত আইপিও হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। নিয়ন্ত্রক সংস্থার যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন পেলেই কোম্পানিগুলো শেয়ার ছাড়তে পারবে।

এ ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর আর্থিক সক্ষমতা, প্রস্তাবিত শেয়ারের দাম, প্রিমিয়ামের যৌক্তিকতা এবং আইপিও থেকে পাওয়া অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। বিশেষ করে পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের শেয়ারপ্রতি ৩০ টাকা প্রিমিয়াম এবং কনফিডেন্স পাওয়ারের বড় অঙ্কের বুক বিল্ডিং প্রস্তাব বিনিয়োগকারীদের মূল্যায়নের বিষয়।

দীর্ঘ বিরতির পর বিভিন্ন খাতের ছয় প্রতিষ্ঠানের একসঙ্গে আবেদন শেয়ারবাজারে মূলধন সংগ্রহের কার্যক্রম ফের সচল হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে আবেদনগুলোর চূড়ান্ত পরিণতি নির্ভর করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তের ওপর।

পাঠকের সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

১. নতুন করে কয়টি প্রতিষ্ঠান আইপিওর আবেদন করেছে?

মোট ছয়টি প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে।

২. ছয়টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে কত টাকা তুলতে চায়?

তাদের প্রস্তাবিত মোট অর্থের পরিমাণ ৬১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

৩. সবচেয়ে বেশি অর্থ সংগ্রহের আবেদন করেছে কোন প্রতিষ্ঠান?

কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহের আবেদন করেছে।

৪. স্ক্যান্ডেক্সের আইপিও অনুমোদিত হলে কী বিশেষ ঘটনা ঘটবে?

অনুমোদন পেলে সাত বছর পর দেশের শেয়ারবাজারে নতুন কোনো শতভাগ রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

৫. সব কোম্পানি কি আইপিওর অনুমোদন পেয়েছে?

না। প্রতিষ্ঠানগুলো আবেদন করেছে মাত্র। শেয়ার ছাড়ার আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন প্রয়োজন।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত: