সৌদি আরবে স্ত্রীকে নিতে কী ধরনের ভিসা লাগে? জানুন নিয়ম
সৌদি আরবে কর্মরত অনেক প্রবাসীরই ইচ্ছা থাকে স্ত্রীকে নিজের কাছে নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু এ জন্য কোন ধরনের ভিসার আবেদন করতে হবে, কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন এবং কোথা থেকে আবেদন করতে হবে, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। সৌদি আরবে স্ত্রীকে দীর্ঘমেয়াদে নিজের সঙ্গে রাখতে চাইলে ফ্যামিলি রেসিডেন্স ভিসা বা পরিবারের সদস্যদের স্পনসরশিপের আওতায় আনার প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। আর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্ত্রীকে বেড়াতে নিতে চাইলে আবেদন করতে হয় ফ্যামিলি ভিজিট ভিসার।
তবে সব প্রবাসী চাইলেই স্ত্রীকে সৌদি আরবে নেওয়ার অনুমতি পাবেন, বিষয়টি এমন নয়। আবেদনকারীর বৈধ ইকামা, পেশা, জাতীয়তা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হয়। পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক প্রমাণের জন্য বৈধ বিবাহের কাগজপত্রও প্রয়োজন হয়। তাই আবেদন করার আগে ভিসার ধরন ও প্রয়োজনীয় শর্ত সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি।
সৌদি আরবে স্ত্রীকে নিতে কোন কোন ভিসা পাওয়া যায়?
সৌদি আরবে স্ত্রীকে নেওয়ার ক্ষেত্রে মূলত দুটি পদ্ধতি রয়েছে।
১. ফ্যামিলি রেসিডেন্স ভিসা (Family Residence Visa)
যেসব প্রবাসী স্ত্রীকে দীর্ঘমেয়াদে সৌদি আরবে নিজের সঙ্গে রাখতে চান, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা। এ ক্ষেত্রে স্বামী পরিবারের সদস্য হিসেবে স্ত্রীকে স্পনসর করার আবেদন করেন। অনুমোদন পেয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের পর নির্ধারিত নিয়মে স্ত্রীর রেসিডেন্স পারমিট বা ইকামা ইস্যু করতে হয়।
তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদনকারীর পেশা ও জাতীয়তা সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। আবেদনকারীকে সৌদি আরবে বৈধভাবে বসবাস করতে হবে এবং পরিবারের সদস্যদের আনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
২. ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা (Family Visit Visa)
যারা স্ত্রীকে স্থায়ীভাবে না নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সৌদি আরবে বেড়াতে আনতে চান, তাদের জন্য ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা রয়েছে।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সেবার আওতায় দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীরা স্ত্রী, সন্তান ও বাবা-মায়ের মতো নিকটাত্মীয়দের জন্য ভিজিট ভিসার আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বৈধ ওয়ার্ক ইকামা থাকতে হয়। শুধু নির্ভরশীল পরিবারের সদস্য হিসেবে থাকা ব্যক্তি এই সেবার আবেদনকারী হতে পারেন না।
এই ভিসার মাধ্যমে স্ত্রী নির্ধারিত সময়ের জন্য সৌদি আরবে অবস্থান করতে পারবেন। তবে এটি স্থায়ী বসবাসের ইকামার বিকল্প নয়।
ফ্যামিলি রেসিডেন্স ভিসার জন্য কী কী শর্ত পূরণ করতে হয়?
সৌদি আরবে স্ত্রীকে দীর্ঘমেয়াদে নিজের সঙ্গে রাখতে চাইলে প্রথমেই পরিবারের সদস্যদের স্পনসর করার যোগ্যতা যাচাই করতে হবে।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের Absher প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিবারের সদস্যদের আনার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।
১. আবেদনকারীকে সৌদি আরবে বৈধভাবে বসবাস করতে হবে।
২. আবেদনকারীর ইকামা বৈধ থাকতে হবে।
৩. তার পেশা সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত পরিবারের সদস্য আনার যোগ্য পেশার অন্তর্ভুক্ত হতে হবে।
৪. আবেদনকারীর জাতীয়তা সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
৫. Absher প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
৬. স্ত্রীকে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিচয় ও পারিবারিক সম্পর্কের কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে।
তবে কোন পেশা বা জাতীয়তার ক্ষেত্রে আবেদন অনুমোদিত হবে, তার তালিকা ও যোগ্যতার শর্ত পরিবর্তিত হতে পারে। তাই পুরোনো তথ্যের ওপর নির্ভর না করে আবেদন করার আগে Absher-এর বর্তমান নির্দেশনা যাচাই করা উচিত।
ফ্যামিলি রেসিডেন্স ভিসার জন্য কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন?
স্ত্রীকে দীর্ঘমেয়াদে সৌদি আরবে নেওয়ার আবেদন করতে সাধারণত আবেদনকারী ও তার স্ত্রীর পরিচয় এবং বৈবাহিক সম্পর্কের প্রমাণ প্রয়োজন হয়।
প্রস্তুত রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র হলো—
স্বামীর বৈধ ইকামার কপি।
স্বামীর পাসপোর্টের কপি।
স্ত্রীর বৈধ পাসপোর্ট।
স্বামী-স্ত্রীর বিবাহের নিবন্ধিত সনদ বা কাবিননামা।
প্রয়োজন অনুযায়ী বিবাহের সনদের সত্যায়িত কপি ও আরবি অনুবাদ।
আবেদনকারীর পেশা ও চাকরির তথ্য।
কর্তৃপক্ষ চাইলে বেতন সনদ বা নিয়োগকর্তার প্রত্যয়নপত্র।
প্রয়োজন অনুযায়ী ছবি ও অন্যান্য সহায়ক নথি।
সব আবেদনকারীর ক্ষেত্রে একই কাগজপত্র লাগবে এমন নয়। আবেদনকারীর অবস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী অতিরিক্ত নথি চাওয়া হতে পারে।
ফ্যামিলি ভিজিট ভিসার জন্য কী কী কাগজ লাগে?
স্ত্রীকে সাময়িকভাবে সৌদি আরবে বেড়াতে নেওয়ার জন্য ফ্যামিলি ভিজিট ভিসার আবেদন তুলনামূলক আলাদা প্রক্রিয়ায় করতে হয়।
সৌদি সরকারের জাতীয় সেবা পোর্টালে প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, এই আবেদনে সাধারণত প্রয়োজন হয়—
স্বামীর বৈধ ইকামার তথ্য।
স্ত্রীর বৈধ পাসপোর্ট।
স্ত্রীর সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে বিবাহের সনদ।
প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিমার তথ্য।
ভিসা আবেদনের প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি।
নিয়োগকর্তা বা চেম্বার অব কমার্সের ইলেকট্রনিক সত্যায়ন, যেখানে প্রযোজ্য।
বাংলাদেশ থেকে আবেদন করার ক্ষেত্রে বিবাহের সনদ সত্যায়ন ও অনুবাদের প্রয়োজন হতে পারে। এ বিষয়ে সৌদি দূতাবাসের বর্তমান নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি।
সৌদি আরবে স্ত্রীকে নেওয়ার আবেদন করবেন যেভাবে
ফ্যামিলি রেসিডেন্স ও ফ্যামিলি ভিজিট ভিসার আবেদনপদ্ধতি এক নয়। তাই প্রথমে কোন ধরনের ভিসা প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করতে হবে।
ফ্যামিলি রেসিডেন্সের আবেদনপ্রক্রিয়া
সৌদি আরবে পরিবারের সদস্যদের আনার জন্য Absher প্ল্যাটফর্মে Family Recruitment বা পরিবারের সদস্যদের স্পনসরশিপ-সংক্রান্ত সেবা রয়েছে।
আবেদনের সাধারণ ধাপগুলো হলো—
১. প্রথমে Absher অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে হবে।
২. পরিবারের সদস্যদের আনার জন্য নির্ধারিত সেবা নির্বাচন করতে হবে।
৩. আবেদনকারীর পরিচয়, ইকামা, পেশা ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
৪. স্ত্রীকে স্পনসর করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
৫. আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
৬. অনুমোদন পাওয়া গেলে ভিসা ও প্রবেশসংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
৭. স্ত্রী সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর নির্ধারিত নিয়মে তার ইকামা ইস্যু করতে হবে।
এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় নথির ওপর অনুমোদন নির্ভর করবে।
ফ্যামিলি ভিজিট ভিসার আবেদনপ্রক্রিয়া
স্ত্রীকে সাময়িকভাবে সৌদি আরবে আনতে চাইলে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের Saudi Visa প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবেদন করা যায়।
আবেদনের ধাপগুলো হলো—
১. প্রথমে Saudi Visa প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে হবে।
২. Citizens and Residents-এর অধীনে Family Visit Visa Application সেবা নির্বাচন করতে হবে।
৩. আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
৪. স্ত্রীর পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম, পাসপোর্ট নম্বর ও অন্যান্য তথ্য পূরণ করতে হবে।
৫. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করতে হবে।
৬. যেখানে প্রয়োজন, সেখানে নিয়োগকর্তা বা চেম্বার অব কমার্সের মাধ্যমে আবেদন সত্যায়ন করতে হবে।
৭. আবেদন জমা দিয়ে নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে।
৮. সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর ভিসা নম্বর পাওয়া গেলে পরবর্তী দূতাবাস বা কনস্যুলেটের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
৯. প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে যাত্রা করা যাবে।
সৌদি আরবে ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা পেতে কত দিন লাগে?
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সেবা নির্দেশনায় ফ্যামিলি ভিজিট ভিসার আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সাধারণত তিন কর্মদিবসের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাই বা প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে সময় বেশি লাগতে পারে।
অন্যদিকে, সৌদি সরকারের জাতীয় সেবা পোর্টালে ফ্যামিলি ভিজিট ভিসার সেবার জন্য পাঁচ কর্মদিবসের সময়সীমাও উল্লেখ রয়েছে। তাই এটিকে নিশ্চিত ভিসা পাওয়ার সময় হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে আবেদনের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
ফ্যামিলি ভিজিট ভিসায় স্ত্রী কত দিন সৌদি আরবে থাকতে পারবেন?
ফ্যামিলি ভিজিট ভিসায় কত দিন সৌদি আরবে থাকা যাবে, তা ভিসার অনুমোদিত মেয়াদ, প্রবেশের সংখ্যা এবং অবস্থানের সময়সীমার ওপর নির্ভর করে।
সব ভিজিট ভিসার মেয়াদ এক রকম নয়। কোনো ভিসা একবার প্রবেশের জন্য, আবার কোনোটি একাধিকবার প্রবেশের অনুমতি দিতে পারে। একইভাবে ভিসার মোট বৈধতার সময় এবং প্রতিবার প্রবেশের পর থাকার অনুমোদিত সময়ও আলাদা হতে পারে।
তাই ভিসা হাতে পাওয়ার পর তাতে উল্লেখ করা প্রবেশের সংখ্যা, বৈধতার মেয়াদ এবং সর্বোচ্চ অবস্থানের সময় ভালোভাবে দেখে নেওয়া জরুরি। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে অনুমোদিত নিয়মে নবায়ন বা এক্সটেনশনের সুযোগ আছে কি না, সেটিও যাচাই করতে হবে।
ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা দিয়ে কি স্ত্রী সৌদি আরবে স্থায়ীভাবে থাকতে পারবেন?
না। ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা মূলত সাময়িকভাবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার জন্য দেওয়া হয়। এই ভিসা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা ইকামার বিকল্প নয়।
অন্যদিকে, ফ্যামিলি রেসিডেন্সের আওতায় স্ত্রীকে নেওয়া হলে নির্ধারিত নিয়মে তার রেসিডেন্স পারমিট বা ইকামা ইস্যু করা যায়। তাই স্ত্রীকে দীর্ঘমেয়াদে নিজের সঙ্গে রাখতে চাইলে শুরু থেকেই রেসিডেন্সের উপযুক্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন।
সৌদি আরবে স্ত্রীকে নেওয়ার আগে যেসব বিষয় যাচাই করবেন
আবেদন করার আগে কয়েকটি বিষয় ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি। প্রথমত, নিজের ইকামার মেয়াদ ঠিক আছে কি না এবং পেশা পরিবারের সদস্যদের স্পনসর করার যোগ্য কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।
দ্বিতীয়ত, বিবাহের সনদে স্বামী ও স্ত্রীর নামের বানান পাসপোর্টের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। কোনো নামের বানান বা তথ্যের অমিল থাকলে আবেদন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।
তৃতীয়ত, বিবাহের সনদ সত্যায়ন ও অনুবাদের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বাংলাদেশে সৌদি দূতাবাসের নির্দেশনা জেনে নিতে হবে। পাশাপাশি আবেদন জমা দেওয়ার আগে সব নথি সঠিকভাবে প্রস্তুত করা উচিত।
সবশেষে, কোনো মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আবেদন করলে তার দেওয়া তথ্য যাচাই না করে টাকা দেওয়া উচিত নয়। সরকারি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবেদন ও ভিসার অবস্থা যাচাই করাই নিরাপদ।
সব মিলিয়ে, সৌদি আরবে স্ত্রীকে দীর্ঘমেয়াদে নিজের সঙ্গে রাখতে চাইলে ফ্যামিলি রেসিডেন্স বা ফ্যামিলি রিক্রুটমেন্টের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। আর সাময়িকভাবে বেড়াতে আনতে চাইলে ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা উপযুক্ত। সঠিক ভিসা নির্বাচন, বৈধ ইকামা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত থাকলে আবেদন প্রক্রিয়া সহজ হতে পারে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন ১: সৌদি আরবে স্ত্রীকে নিতে কোন ভিসা লাগে?
উত্তর: স্ত্রীকে দীর্ঘমেয়াদে নিজের সঙ্গে রাখতে চাইলে ফ্যামিলি রেসিডেন্স ভিসা বা পরিবারের সদস্যদের স্পনসরশিপের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। সাময়িকভাবে বেড়াতে আনতে চাইলে ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা প্রয়োজন।
প্রশ্ন ২: সৌদি আরবে স্ত্রীকে নিতে স্বামীর ইকামা থাকা কি বাধ্যতামূলক?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রবাসী হিসেবে পরিবারের সদস্যদের স্পনসর করতে আবেদনকারীর সৌদি আরবে বৈধ বসবাসের অনুমতি প্রয়োজন। ফ্যামিলি ভিজিট ভিসার ক্ষেত্রেও বৈধ ওয়ার্ক ইকামা থাকতে হয়।
প্রশ্ন ৩: সৌদি আরবে স্ত্রীকে নিতে কী কী কাগজপত্র লাগে?
উত্তর: সাধারণত স্বামীর ইকামা, পাসপোর্ট, স্ত্রীর পাসপোর্ট, বিবাহের সনদ, ছবি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সত্যায়িত ও অনূদিত নথি প্রয়োজন হয়। ভিসার ধরন অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজপত্র লাগতে পারে।
প্রশ্ন ৪: ফ্যামিলি ভিজিট ভিসায় স্ত্রীকে কত দিন রাখা যায়?
উত্তর: ভিসার অনুমোদিত মেয়াদ, প্রবেশের সংখ্যা এবং অবস্থানের সময়সীমা অনুযায়ী স্ত্রী সৌদি আরবে থাকতে পারবেন। সব ভিজিট ভিসার মেয়াদ এক নয়।
প্রশ্ন ৫: ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা দিয়ে কি স্ত্রীকে সৌদি আরবে স্থায়ীভাবে রাখা যায়?
উত্তর: না। ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা সাময়িক অবস্থানের জন্য। দীর্ঘমেয়াদে রাখতে হলে ফ্যামিলি রেসিডেন্সের নিয়ম অনুসরণ করে ইকামা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তের পরও শেয়ারবাজারে বড় পতন
- পুরনো দলিল থেকে বর্তমান জমির মালিক বের করবেন যেভাবে
- নিজের নামে কোথায় কত জমি, অনলাইনে দেখবেন যেভাবে
- নামজারি আছে, কিন্তু দলিল নেই—জমি কি নিজের? জানুন আইন
- সোনার ভরি কত আজ? ২১, ১৮ ও ২২ ক্যারেটের দামও জেনে নিন
- Honor 600 Pro: ২০০MP ক্যামেরা ও ৭০০০mAh ব্যাটারিতে কেমন?