সৌদি আরবে একজন প্রবাসীর মাসিক থাকা-খাওয়ার খরচ কত?
সৌদি আরবে কাজ করতে যাওয়ার আগে অনেকের মনেই একটি প্রশ্ন থাকে, দেশটিতে মাসে থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ মিলিয়ে কত টাকা লাগতে পারে? বিশেষ করে যারা নতুন করে সৌদি আরবে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় সম্পর্কে আগাম ধারণা থাকা জরুরি। কারণ সেখানে একজন প্রবাসীর মাসিক খরচ নির্ভর করে তিনি কোন শহরে থাকছেন, একা নাকি অন্যদের সঙ্গে বাসা ভাগ করে থাকছেন, নিজের খাবার নিজে রান্না করছেন নাকি বাইরে খাচ্ছেন এবং যাতায়াতের জন্য কী ব্যবহার করছেন তার ওপর।
সাধারণভাবে কোম্পানির আবাসন ও খাবারের সুবিধা না থাকলে একজন অবিবাহিত প্রবাসীর মাসে আনুমানিক ১ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত বাজেট ধরে পরিকল্পনা করা যেতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার টাকা। তবে আলাদা বাসা নিয়ে বড় শহরে বসবাস করলে এই খরচ আরও বেড়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, কোম্পানি থাকা বা খাবারের ব্যবস্থা করে দিলে ব্যক্তিগত ব্যয় অনেকটাই কমানো সম্ভব।
সৌদি আরবে একজন প্রবাসীর মাসিক খরচের হিসাব
একজন প্রবাসী সাধারণ জীবনযাপন করলে কোন খাতে কত টাকা ব্যয় হতে পারে, তার একটি সম্ভাব্য হিসাব নিচে দেওয়া হলো। এখানে ধরে নেওয়া হয়েছে, তিনি অন্যদের সঙ্গে বাসা ভাগ করে থাকেন এবং নিজের খাবার নিজে রান্না করেন।
| খরচের খাত | মাসিক ব্যয় (সৌদি রিয়াল) |
|---|---|
| শেয়ার বাসায় থাকা | ৫০০–৯০০ |
| খাবার ও বাজার | ৫০০–৮০০ |
| যাতায়াত | ১৫০–৩০০ |
| মোবাইল ও ইন্টারনেট | ৫০–১০০ |
| বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য বিল | ৫০–১৫০ |
| ব্যক্তিগত ও অন্যান্য খরচ | ২০০–৪০০ |
| মোট | ১,৪৫০–২,৬৫০ |
এটি একটি সম্ভাব্য মাসিক বাজেট। বাসার অবস্থান, সহবাসীর সংখ্যা এবং ব্যক্তিগত জীবনযাত্রার ধরন অনুযায়ী খরচ কমবেশি হতে পারে। চিকিৎসা, দেশে টাকা পাঠানো, ঋণের কিস্তি কিংবা পরিবারের খরচ এই হিসাবের অন্তর্ভুক্ত নয়।
সৌদি আরবে খাবারের পেছনে মাসে কত রিয়াল খরচ হয়?
সৌদি আরবে একজন প্রবাসীর মাসিক ব্যয়ের বড় অংশ যায় খাবারের পেছনে। তবে খাবারের খরচ নির্ভর করে তিনি নিজে রান্না করেন নাকি নিয়মিত রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়া করেন তার ওপর।
নিজে রান্না করলে চাল, ডাল, তেল, মাছ, মাংস, ডিম, সবজি, ফলমূলসহ প্রয়োজনীয় বাজার করতে মাসে আনুমানিক ৫০০ থেকে ৮০০ রিয়াল বাজেট রাখা যেতে পারে।
অন্যদিকে, প্রতিদিন বাইরে খেলে খাবারের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বিশেষ করে দুপুর ও রাতের খাবার নিয়মিত রেস্তোরাঁ থেকে কিনে খেলে মাসিক বাজেটে বাড়তি চাপ পড়ে। তাই খরচ কমাতে চাইলে বাসায় রান্না করা এবং পরিকল্পনা করে বাজার করা ভালো উপায় হতে পারে।
সৌদি আরবে বাসাভাড়া কত?
প্রবাসীদের মাসিক খরচের সবচেয়ে বড় অংশগুলোর একটি হলো বাসাভাড়া। সৌদি আরবের সব শহরে বাড়িভাড়া এক রকম নয়। রিয়াদ, জেদ্দা ও দাম্মামের মতো বড় শহরে ভালো অবস্থানের বাসার ভাড়া তুলনামূলক বেশি হতে পারে।
২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের প্রকাশিত ভাড়ার তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন শহরে অ্যাপার্টমেন্টের গড় বার্ষিক ভাড়া ছিল:
| শহর | বার্ষিক গড় ভাড়া (রিয়াল) | মাসিক গড় (প্রায়) |
|---|---|---|
| রিয়াদ | ৩০,৭৯৭ | ২,৫৬৬ |
| জেদ্দা | ২৪,৫১৯ | ২,০৪৩ |
| দাম্মাম | ১৮,৬৯০ | ১,৫৫৮ |
| মক্কা | ১৭,৬০১ | ১,৪৬৭ |
| মদিনা | ১৮,০৪১ | ১,৫০৩ |
| আল খোবার | ২১,৮৯১ | ১,৮২৪ |
এখানে উল্লেখ করা ভাড়া পুরো অ্যাপার্টমেন্টের গড় হিসাব। একজন প্রবাসী কয়েকজনের সঙ্গে বাসা ভাগ করে থাকলে তার ব্যক্তিগত ভাড়ার অংশ অনেক কম হতে পারে। আবার শহরের কেন্দ্রস্থল, বাসার আয়তন ও সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী ভাড়া আরও বেশি বা কম হতে পারে।
বিদ্যুৎ, পানি ও ইন্টারনেটের খরচ কত?
বাসাভাড়া ছাড়াও বিদ্যুৎ, পানি, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ইন্টারনেটের খরচ রয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের গরমের সময় এসি ব্যবহারের কারণে বিদ্যুতের বিল বেড়ে যেতে পারে।
Numbeo-এর ২০২৬ সালের জুনের তথ্য অনুযায়ী, ৮৫ বর্গমিটারের একটি অ্যাপার্টমেন্টের বিদ্যুৎ, পানি, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য মৌলিক পরিষেবার গড় মাসিক বিল প্রায় ৩৬৩ রিয়াল। এটি পুরো বাসার হিসাব। একাধিক ব্যক্তি একসঙ্গে থাকলে প্রত্যেকের খরচের অংশ কমে আসে।
মোবাইল ফোনের প্যাকেজ ও ইন্টারনেটের খরচও ব্যবহার এবং অপারেটর অনুযায়ী আলাদা হয়। তাই এসব খরচের জন্য মাসিক বাজেটে কিছু টাকা আলাদা রাখা প্রয়োজন।
সৌদি আরবে যাতায়াতের জন্য কত টাকা লাগে?
সৌদি আরবে কর্মস্থল বাসা থেকে কত দূরে, তার ওপর যাতায়াতের খরচ অনেকটাই নির্ভর করে। কেউ বাস বা মেট্রো ব্যবহার করেন, আবার কেউ ব্যক্তিগত গাড়ি কিংবা ট্যাক্সিতে যাতায়াত করেন।
রিয়াদে সাধারণ গণপরিবহনের ৩০ দিনের পাসের মূল্য ১৪০ সৌদি রিয়াল। দুই ঘণ্টার সাধারণ টিকিটের মূল্য ৪ রিয়াল। ফলে নিয়মিত গণপরিবহন ব্যবহার করলে তুলনামূলক কম খরচে যাতায়াত করা সম্ভব।
অন্যদিকে, প্রতিদিন ট্যাক্সি ব্যবহার করলে মাসিক ব্যয় অনেক বেড়ে যেতে পারে। কর্মস্থলের কাছাকাছি বাসা নেওয়া কিংবা কোম্পানির পরিবহন সুবিধা থাকলে এই খরচ কমানো সম্ভব।
কোম্পানি থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করলে কত টাকা সাশ্রয় হবে?
সৌদি আরবে অনেক প্রবাসী কোম্পানির অধীনে কাজ করেন। এসব প্রতিষ্ঠানের কিছুতে কর্মীদের জন্য আবাসন, খাবার অথবা কর্মস্থলে যাতায়াতের ব্যবস্থা থাকে। তবে সব কোম্পানি একই ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয় না।
কোম্পানি বিনা খরচে থাকার ব্যবস্থা করে দিলে মাসিক বাজেট থেকে বাসাভাড়ার বড় অংশ বাদ পড়ে যায়। আবার খাবারের ব্যবস্থাও থাকলে ব্যক্তিগত ব্যয় আরও কমে আসে।
এ ক্ষেত্রে মোবাইল, ব্যক্তিগত কেনাকাটা, যাতায়াতের অতিরিক্ত ব্যয় এবং অন্যান্য প্রয়োজনের জন্য মাসে আনুমানিক ৫০০ থেকে ১ হাজার ২০০ রিয়াল বাজেট রাখা যেতে পারে। তবে ব্যক্তিগত প্রয়োজন ও কোম্পানির দেওয়া সুবিধা অনুযায়ী এই অঙ্কের পরিবর্তন হতে পারে।
বিদেশে চাকরিতে যাওয়ার আগে নিয়োগকর্তার সঙ্গে চুক্তিতে থাকা, খাবার, পরিবহন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলো উল্লেখ আছে কি না, তা ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।
সৌদি আরবের কোন শহরে থাকা তুলনামূলক সাশ্রয়ী?
সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে জীবনযাত্রার ব্যয়ের পার্থক্য রয়েছে। রিয়াদে বাসাভাড়া ও জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। অন্যদিকে দাম্মাম, মক্কা ও মদিনার মতো শহরে বাসাভাড়ার ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম ব্যয়ের সুযোগ পাওয়া যেতে পারে।
তবে শুধু শহরের নাম দেখে খরচ নির্ধারণ করা ঠিক নয়। বাসার অবস্থান, কর্মস্থলের দূরত্ব, পরিবহন ব্যবস্থা এবং ব্যক্তিগত প্রয়োজনের ওপর প্রকৃত ব্যয় নির্ভর করে। তাই চাকরির স্থান অনুযায়ী বাসা ও যাতায়াতের খরচ হিসাব করা জরুরি।
সৌদি আরবে মাসে কত রিয়াল আয় হলে ভালোভাবে চলা যাবে?
একজন প্রবাসী সৌদি আরবে কত বেতনে স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে পারবেন, তা নির্ভর করে তার থাকা-খাওয়ার সুবিধা এবং ব্যক্তিগত প্রয়োজনের ওপর।
কোম্পানি থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করলে ৫০০ থেকে ১ হাজার ২০০ রিয়াল ব্যক্তিগত খরচের জন্য যথেষ্ট হতে পারে। অন্যদিকে, শেয়ার বাসায় থেকে নিজে খাবার কিনলে মাসে প্রায় ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৬৫০ রিয়াল প্রয়োজন হতে পারে। আর নিজের আলাদা বাসা নিয়ে বসবাস করলে শহর ও বাসার ধরন অনুযায়ী ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার রিয়াল বা তার বেশি খরচ হতে পারে।
তবে এসব হিসাব সম্ভাব্য বাজেট। চিকিৎসা, ইকামা-সংক্রান্ত ব্যয়, দেশে টাকা পাঠানো, ঋণের কিস্তি এবং পরিবারের খরচ যোগ হলে মোট ব্যয় আরও বাড়তে পারে।
বাংলাদেশি টাকায় সৌদি আরবের মাসিক খরচ কত?
সৌদি রিয়ালের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার প্রতিদিন পরিবর্তিত হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে ১ সৌদি রিয়ালের বিনিময়মূল্য ৩৩ টাকা ২০ পয়সা ধরলে মাসিক খরচের হিসাব দাঁড়ায়:
| সৌদি রিয়াল | বাংলাদেশি টাকা (প্রায়) |
|---|---|
| ৫০০ | ১৬,৬০০ |
| ১,০০০ | ৩৩,২০০ |
| ১,৫০০ | ৪৯,৮০০ |
| ২,০০০ | ৬৬,৪০০ |
| ২,৫০০ | ৮৩,০০০ |
| ৩,০০০ | ৯৯,৬০০ |
| ৩,৫০০ | ১,১৬,২০০ |
| ৪,০০০ | ১,৩২,৮০০ |
প্রকৃত বিনিময় হার ব্যাংক, এক্সচেঞ্জ হাউস ও রেমিট্যান্স সেবাভেদে ভিন্ন হতে পারে।
সৌদি আরবে যাওয়ার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন
সৌদি আরবে চাকরির জন্য যাওয়ার আগে শুধু মাসিক বেতন দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। বরং সম্ভাব্য আয় থেকে থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিয়ে কত টাকা সঞ্চয় করা সম্ভব, সেটি হিসাব করা উচিত।
বিশেষ করে কোম্পানি বিনা খরচে থাকার ব্যবস্থা করবে কি না, খাবার সরবরাহ করবে কি না, কর্মস্থলে যাতায়াতের সুবিধা থাকবে কি না এবং বেতন থেকে অন্য কোনো খরচ কর্তন করা হবে কি না, তা আগে থেকেই জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে বলা যায়, সৌদি আরবে একজন প্রবাসীর মাসিক থাকা-খাওয়ার খরচ নির্দিষ্ট কোনো অঙ্কে সীমাবদ্ধ নয়। শেয়ার বাসায় থাকা, নিজে রান্না করা এবং গণপরিবহন ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যয় অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। অন্যদিকে, একা বাসা নিয়ে বসবাস করলে মাসিক খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। তাই সৌদি আরবে যাওয়ার আগে বেতন, আবাসন, খাবার ও পরিবহন সুবিধা যাচাই করে আর্থিক পরিকল্পনা করাই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন: সৌদি আরবে একজন প্রবাসীর মাসে থাকা-খাওয়ার খরচ কত?
উত্তর: শেয়ার বাসায় থেকে নিজে রান্না করে সাধারণভাবে চললে মাসে আনুমানিক ১ হাজার ৪৫০ থেকে ২ হাজার ৬৫০ রিয়াল প্রয়োজন হতে পারে। শহর ও জীবনযাত্রার ধরন অনুযায়ী এই খরচ পরিবর্তিত হয়।
প্রশ্ন: সৌদি আরবে একজন প্রবাসীর খাবারের খরচ কত?
উত্তর: নিজে রান্না করে খেলে মাসে আনুমানিক ৫০০ থেকে ৮০০ রিয়াল খাবারের বাজেট রাখা যেতে পারে। নিয়মিত রেস্তোরাঁয় খেলে খরচ আরও বেশি হবে।
প্রশ্ন: সৌদি আরবে কোন শহরে থাকা তুলনামূলক সস্তা?
উত্তর: রিয়াদের তুলনায় দাম্মাম, মক্কা ও মদিনায় কিছু ক্ষেত্রে কম ভাড়ায় থাকার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। তবে বাসার অবস্থান ও সুযোগ-সুবিধার ওপর প্রকৃত খরচ নির্ভর করে।
প্রশ্ন: কোম্পানি থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করলে মাসে কত টাকা লাগে?
উত্তর: কোম্পানি আবাসন ও খাবার দিলে ব্যক্তিগত প্রয়োজন, মোবাইল ও অন্যান্য খরচের জন্য মাসে আনুমানিক ৫০০ থেকে ১ হাজার ২০০ রিয়াল বাজেট রাখা যেতে পারে।
প্রশ্ন: সৌদি আরবে ২ হাজার রিয়াল বেতনে কি চলা সম্ভব?
উত্তর: কোম্পানি বিনা খরচে থাকা ও খাবারের ব্যবস্থা করলে ২ হাজার রিয়াল বেতনে চলা এবং কিছু টাকা সঞ্চয় করা সম্ভব হতে পারে। তবে নিজের বাসাভাড়া ও খাবারের খরচ বহন করতে হলে এই বেতনে চলা কঠিন হতে পারে।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তের পরও শেয়ারবাজারে বড় পতন
- পুরনো দলিল থেকে বর্তমান জমির মালিক বের করবেন যেভাবে
- নিজের নামে কোথায় কত জমি, অনলাইনে দেখবেন যেভাবে
- নামজারি আছে, কিন্তু দলিল নেই—জমি কি নিজের? জানুন আইন
- সোনার ভরি কত আজ? ২১, ১৮ ও ২২ ক্যারেটের দামও জেনে নিন
- Honor 600 Pro: ২০০MP ক্যামেরা ও ৭০০০mAh ব্যাটারিতে কেমন?