ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার আগে যে ১০টি বিষয় জানা জরুরি

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৫ ১৯:৪০:৪৩
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার আগে যে ১০টি বিষয় জানা জরুরি

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে শুধু আবেদন করলেই হয় না; বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, শিক্ষানবিশ লাইসেন্স, প্রশিক্ষণ, পরীক্ষা এবং নির্ধারিত ফি—প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে আগে থেকে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। বাংলাদেশে গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স পেতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। আবেদন শুরুর আগে কয়েকটি বিষয় জেনে রাখলে ভুল আবেদন, অতিরিক্ত খরচ ও অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি এড়ানো সম্ভব।

নিচে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার আগে জানা প্রয়োজন—এমন ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হলো। তথ্যগুলো বিআরটিএর অনলাইন সেবা ও প্রকাশিত নির্দেশনার ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে।

১. বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হবে

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করার আগে নিজের বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই করা জরুরি। বিআরটিএর প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, অপেশাদার বা নন-প্রফেশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হয়।

পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে বয়সের শর্ত আলাদা। এ বিষয়ে বিআরটিএর বিভিন্ন অনলাইন নির্দেশনায় বয়সের তথ্যে কিছু পার্থক্য দেখা যায়। তাই পেশাদার লাইসেন্সের আবেদন করার আগে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল অথবা সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিস থেকে নিজের লাইসেন্সের শ্রেণি অনুযায়ী সর্বশেষ বয়সসীমা নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত।

২. আগে নিতে হবে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স

সরাসরি স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যায় না। প্রথমে শিক্ষানবিশ বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে হয়। এটি মূলত প্রশিক্ষণ ও পরবর্তী দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার প্রাথমিক অনুমতি।

লার্নার লাইসেন্সের জন্য বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে আবেদন করতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে নির্ধারিত নিয়মে শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পাওয়া যায়। এরপর প্রশিক্ষণ নিয়ে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়।

মনে রাখতে হবে, লার্নার লাইসেন্স স্থায়ী ড্রাইভিং লাইসেন্স নয়। এটি হাতে পেলেই নিজের ইচ্ছামতো সব ধরনের যানবাহন চালানোর অনুমতি পাওয়া যায় না।

৩. কোন ধরনের লাইসেন্স প্রয়োজন, তা আগে ঠিক করুন

বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স সাধারণভাবে অপেশাদার ও পেশাদার—এই দুই ধরনের হয়ে থাকে। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মোটরসাইকেল বা ব্যক্তিগত গাড়ি চালানোর জন্য সাধারণত অপেশাদার লাইসেন্স প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে, জীবিকা বা পেশাগত কাজে যানবাহন চালাতে পেশাদার লাইসেন্স নিতে হয়।

আবেদনের সময় কোন শ্রেণির যানবাহন চালাতে চান, সেটিও নির্ধারণ করতে হবে। যেমন—

মোটরসাইকেল

হালকা মোটরযান বা ব্যক্তিগত গাড়ি

নির্দিষ্ট শ্রেণির পেশাদার যানবাহন

একাধিক শ্রেণির যানবাহনের জন্য আবেদন করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। ভুল ক্যাটাগরি নির্বাচন করলে পরবর্তী সময়ে লাইসেন্সের শ্রেণি সংযোজন বা পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।

৪. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখুন

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইনে আবেদন করতে সাধারণত যেসব নথি প্রয়োজন হতে পারে, সেগুলো হলো—

জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) স্ক্যান কপি

সাম্প্রতিক ছবি

নিবন্ধিত চিকিৎসকের দেওয়া মেডিকেল সার্টিফিকেট

শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র

বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে ইউটিলিটি বিল, প্রয়োজন হলে

আবেদন ও ফি পরিশোধের সংশ্লিষ্ট তথ্য

আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকা ঠিকানা এবং বর্তমান ঠিকানা আলাদা হলে বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে ইউটিলিটি বিল সংযুক্ত করার নির্দেশনা রয়েছে।

সব কাগজপত্রের তথ্য যেন একে অপরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নাম, জন্মতারিখ বা ঠিকানায় ভুল থাকলে আবেদন যাচাইয়ের সময় জটিলতা তৈরি হতে পারে।

৫. আবেদন করতে হবে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে

ড্রাইভিং লাইসেন্সের শিক্ষানবিশ আবেদন, পরবর্তী লাইসেন্সের আবেদন এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধের জন্য বিআরটিএর অনলাইন সার্ভিস পোর্টাল ব্যবহার করা যায়।

আবেদনের ওয়েবসাইট:https://bsp.brta.gov.bd/

সাধারণভাবে আবেদনকারীর নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হয়। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে আবেদন সম্পন্ন করতে হয়।

আবেদনের সময় নিজের বিভাগ, জেলা ও থানা সঠিকভাবে নির্বাচন করা জরুরি। কারণ ঠিকানার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিস নির্ধারিত হতে পারে।

অন্য কারও তথ্য ব্যবহার করে আবেদন করা বা ভুল তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় রসিদ ও আবেদনসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করাও ভালো।

৬. শুধু গাড়ি চালানো শিখলেই হবে না, পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিতে হবে

লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর নির্ধারিত সময় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়। বিআরটিএর প্রকাশিত প্রক্রিয়ায় সাধারণত দুই থেকে তিন মাস প্রশিক্ষণের পর লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক বা ফিল্ড টেস্টে অংশ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

পরীক্ষায় সাধারণত সড়কচিহ্ন, ট্রাফিক আইন, যানবাহন চালানোর নিয়ম, নিরাপত্তা এবং বাস্তব ড্রাইভিং দক্ষতা যাচাই করা হয়।

তাই শুধু গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানো শিখলেই প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয় না। ট্রাফিক সিগন্যাল, রাস্তার চিহ্ন, ওভারটেকিংয়ের নিয়ম, লেন ব্যবহারের নিয়ম এবং জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।

৭. লার্নার লাইসেন্সের মেয়াদ খেয়াল রাখুন

শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। বিআরটিএর প্রকাশিত নাগরিক সনদে ইস্যুর তারিখ থেকে ছয় মাস মেয়াদের কথা উল্লেখ রয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও নির্ধারিত পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা উচিত। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে পরবর্তী কার্যক্রমে সমস্যা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদ বাড়ানো বা পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন হতে পারে।

পরীক্ষার তারিখ, লাইসেন্সের মেয়াদ এবং বিআরটিএর পাঠানো এসএমএস নিয়মিত খেয়াল রাখুন। কোনো কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে পুনঃপরীক্ষার জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।

৮. আবেদন ফি ও স্মার্ট কার্ডের ফি আলাদা হতে পারে

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে একবারেই সব টাকা দিতে হয় না। শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন এবং দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর চূড়ান্ত লাইসেন্সের জন্য আলাদা ফি প্রযোজ্য হয়।

বিআরটিএর একটি হালনাগাদ প্রকাশিত নির্দেশনায় শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের ফি হিসেবে এক ক্যাটাগরির জন্য ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির জন্য ৭৪৮ টাকা উল্লেখ রয়েছে। একই নির্দেশনায় দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ৪ হাজার ৪৯৭ টাকা এবং পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২ হাজার ৭৭২ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। ডাকযোগে বিতরণের জন্য অতিরিক্ত ৬০ টাকার কথাও বলা হয়েছে।

তবে ফি সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের চার্জও আলাদা হতে পারে। তাই আবেদন করার সময় বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে প্রদর্শিত সর্বশেষ ফি দেখে টাকা জমা দেওয়া উচিত।

৯. পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শর্ত রয়েছে

যারা পেশাগতভাবে বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী যান বা অন্যান্য বাণিজ্যিক যানবাহন চালাতে চান, তাদের জন্য পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন। এই লাইসেন্সের ক্ষেত্রে বয়স ছাড়াও যানবাহনের শ্রেণি ও পূর্ববর্তী লাইসেন্স ব্যবহারের অভিজ্ঞতার শর্ত থাকতে পারে।

বিআরটিএর প্রকাশিত নির্দেশনায় পেশাদার লাইসেন্সকে হালকা, মধ্যম ও ভারী—এভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। মধ্যম শ্রেণির লাইসেন্সের জন্য পেশাদার হালকা লাইসেন্স ব্যবহারের নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতা এবং ভারী শ্রেণির জন্য মধ্যম লাইসেন্স ব্যবহারের অভিজ্ঞতার শর্ত রয়েছে।

অর্থাৎ, সরাসরি সব ধরনের ভারী যানবাহনের লাইসেন্স নেওয়া যায় না। কোন শ্রেণির লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবেন, সেই অনুযায়ী বয়স, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য শর্ত আগে যাচাই করে নিতে হবে।

১০. দালাল এড়িয়ে নিজে আবেদন করুন, নিয়ম মেনে গাড়ি চালান

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন থেকে শুরু করে ফি পরিশোধ—বিআরটিএর অনেক সেবা এখন অনলাইনে পাওয়া যায়। তাই লাইসেন্স দ্রুত করে দেওয়ার নামে কোনো ব্যক্তি বা মধ্যস্থতাকারীকে অতিরিক্ত টাকা দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।

আবেদনসংক্রান্ত সমস্যা হলে বিআরটিএর নির্ধারিত সার্কেল অফিস বা সরকারি সার্ভিস পোর্টালের সহায়তা নিতে হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর নির্ধারিত ফি দিয়ে চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন সম্পন্ন করতে হয়।

আরেকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—লাইসেন্স পাওয়া মানেই শুধু গাড়ি চালানোর অনুমতি পাওয়া নয়, বরং সড়কে নিজের ও অন্যের নিরাপত্তার দায়িত্বও নেওয়া। তাই ট্রাফিক আইন মেনে চলা, বৈধ কাগজপত্র রাখা, নিরাপদ গতিতে গাড়ি চালানো এবং হেলমেট বা সিটবেল্ট ব্যবহার করা প্রত্যেক চালকের দায়িত্ব।

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার আগে শেষবার যা যাচাই করবেন

আবেদন জমা দেওয়ার আগে বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, লাইসেন্সের ধরন, যানবাহনের ক্যাটাগরি, এনআইডির তথ্য, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং বর্তমান ফি যাচাই করে নিন। এতে আবেদন বাতিল হওয়া বা পরবর্তী ধাপে অপ্রয়োজনীয় জটিলতার আশঙ্কা কমবে।

বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্সের নিয়ম, আবেদন ও ফি সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জানতে বিআরটিএর সরকারি ওয়েবসাইট এবং সার্ভিস পোর্টাল অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

১. বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ন্যূনতম বয়স কত?

অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে বয়সের শর্ত যানবাহনের শ্রেণি ও বিআরটিএর প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী যাচাই করতে হবে।

২. ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কি অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হয়?

বিআরটিএর প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাস।

৩. লার্নার লাইসেন্স ছাড়া কি সরাসরি স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যায়?

না। প্রথমে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স নিতে হয়। এরপর প্রশিক্ষণ ও নির্ধারিত দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে চূড়ান্ত লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যায়।

৪. ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় কী কী থাকে?

বিআরটিএর প্রকাশিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী, লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক বা ফিল্ড টেস্টে অংশ নিতে হয়। এসব পরীক্ষায় ট্রাফিক আইন, সড়কচিহ্ন এবং যানবাহন চালানোর দক্ষতা যাচাই করা হয়।

৫. অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন কোথায় করতে হয়?

বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে https://bsp.brta.gov.bd/ প্রবেশ করে আবেদন করা যায়।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: