ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

পাসপোর্ট করতে কী কাগজ লাগে, কত টাকা ও কতদিন সময় লাগে?

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৫ ১৯:২৯:৪০
পাসপোর্ট করতে কী কাগজ লাগে, কত টাকা ও কতদিন সময় লাগে?

বিদেশে পড়াশোনা, চাকরি, চিকিৎসা কিংবা ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে প্রথম প্রয়োজনীয় নথিগুলোর একটি হলো পাসপোর্ট। বাংলাদেশে বর্তমানে ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়। তবে আবেদন করার আগে জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, পাসপোর্টের মেয়াদ এবং সরকারি ফি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার।

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অধীন ই-পাসপোর্ট পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের নিয়মিত ফি ৪ হাজার ২৫ টাকা। ১০ বছর মেয়াদি একই পাসপোর্টের জন্য খরচ ৫ হাজার ৭৫০ টাকা। ডেলিভারির ধরন অনুযায়ী ফি ৪ হাজার ২৫ টাকা থেকে শুরু করে ১৩ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

আবেদনকারীরা অনলাইনে ফরম পূরণ করে নির্ধারিত ফি জমা দিতে পারবেন। এরপর সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হয়ে ছবি, আঙুলের ছাপ ও প্রয়োজনীয় বায়োমেট্রিক তথ্য দিতে হবে।

পাসপোর্ট করতে কী কী কাগজপত্র লাগে?

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে প্রথমেই নিজের পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্যের সঠিক প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে। আবেদনকারীর বয়স এবং ব্যক্তিগত অবস্থার ওপর নির্ভর করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিছুটা আলাদা হতে পারে।

সাধারণভাবে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হয়, সেগুলো হলো—

১. জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) মূল কপি ও ফটোকপি।

২. যাদের ক্ষেত্রে NID প্রযোজ্য নয়, তাদের অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের (ইংরেজি সংস্করণ) মূল কপি ও ফটোকপি।

৩. অনলাইনে পূরণ করা পাসপোর্ট আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি।

৪. পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়ার রসিদ বা চালান।

৫. আগের পাসপোর্ট থাকলে সেটির মূল কপি ও প্রয়োজনীয় ফটোকপি।

৬. সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য NOC বা সরকারি আদেশ (GO)।

৭. পেশাগত তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ সুবিধা বা পরিচয় উল্লেখ করতে হলে সংশ্লিষ্ট পেশাগত সনদ।

৮. তথ্য পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সমর্থনকারী দলিল।

বয়স অনুযায়ী পরিচয়পত্রের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ২০ বছর বা তার বেশি বয়সী আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে NID-এর মূল কপি ও ফটোকপি প্রয়োজন। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহার করতে হয়। ১৮ বছরের কম বয়সী আবেদনকারীর NID না থাকলে বাবা অথবা মায়ের NID নম্বর দিতে হবে। ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে NID অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী আবেদন করা যায়।

আবেদন করার সময় নিজের নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখ ও জন্মস্থান পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে লিখতে হবে। কারণ এসব তথ্যে ভুল থাকলে পরবর্তী সময়ে আবেদন সংশোধন বা যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে।

উল্লেখ্য, ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য কাগজপত্র সত্যায়ন করতে হয় না। আবেদনপত্রে আলাদা ছবি সংযুক্ত করারও প্রয়োজন নেই। পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক কার্যক্রমের সময় ছবি তোলা হয়।

ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে?

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টের ফি নির্ভর করে তিনটি বিষয়ের ওপর—পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ এবং ডেলিভারির ধরন। বর্তমানে ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের জন্য ৫ বছর এবং ১০ বছর মেয়াদি দুটি বিকল্প রয়েছে।

সরকারি পোর্টালে প্রকাশিত ফি অনুযায়ী, ১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ খরচের তালিকা নিচে দেওয়া হলো।

পাসপোর্টের পৃষ্ঠামেয়াদরেগুলার ফিএক্সপ্রেস ফিসুপার এক্সপ্রেস ফি
৪৮ পৃষ্ঠা ৫ বছর ৪,০২৫ টাকা ৬,৩২৫ টাকা ৮,৬২৫ টাকা
৪৮ পৃষ্ঠা ১০ বছর ৫,৭৫০ টাকা ৮,০৫০ টাকা ১০,৩৫০ টাকা
৬৪ পৃষ্ঠা ৫ বছর ৬,৩২৫ টাকা ৮,৬২৫ টাকা ১২,০৭৫ টাকা
৬৪ পৃষ্ঠা ১০ বছর ৮,০৫০ টাকা ১০,৩৫০ টাকা ১৩,৮০০ টাকা

ডেলিভারির সম্ভাব্য সময়:

ডেলিভারির ধরনসময়
রেগুলার ১৫ কর্মদিবস (২১ দিন)
এক্সপ্রেস ৭ কর্মদিবস (১০ দিন)
সুপার এক্সপ্রেস ২ কর্মদিবস

এখানে উল্লেখিত সব ফি সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালের তালিকা অনুযায়ী এবং ১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ নির্ধারিত। আবেদন করার সময় পোর্টালে প্রদর্শিত ফি ও পেমেন্ট নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

পাসপোর্ট করতে কতদিন সময় লাগে?

ই-পাসপোর্ট পাওয়ার সময় নির্ভর করে আবেদনকারী কোন ধরনের ডেলিভারি সুবিধা বেছে নিচ্ছেন তার ওপর। সরকারি পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের তারিখ থেকে ডেলিভারির নির্ধারিত সময় গণনা করা হয়।

তিন ধরনের ডেলিভারি সুবিধা রয়েছে।

১. সাধারণ বা Regular Delivery: ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে, অর্থাৎ আনুমানিক ২১ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারিত।

২. জরুরি বা Express Delivery: ৭ কার্যদিবসের মধ্যে, অর্থাৎ আনুমানিক ১০ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারিত।

৩. অতীব জরুরি বা Super Express Delivery: ২ কার্যদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারিত।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। বিশেষ শাখার প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে Super Express সুবিধা বর্তমানে সীমিত। যাদের আগের পাসপোর্ট রয়েছে এবং কোনো তথ্য পরিবর্তন না করে পুনরায় আবেদন করছেন, কেবল তারাই নির্দিষ্ট শর্তে এই সুবিধা পেতে পারেন। এ ক্ষেত্রেও আবেদন ঢাকার নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে করতে হয়।

এ ছাড়া আবেদন যাচাই, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি কিংবা অন্য প্রশাসনিক কারণে প্রকৃত ডেলিভারিতে বিলম্ব হতে পারে। তাই ভ্রমণের তারিখের একেবারে কাছাকাছি সময়ে আবেদন না করাই ভালো।

অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন করবেন যেভাবে

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টের আবেদন করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে প্রথমেই ফরম সংগ্রহ করার প্রয়োজন নেই। ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করা যায়।

আবেদনের ধাপগুলো হলো—

প্রথম ধাপ: ই-পাসপোর্টের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। ওয়েবসাইটের ঠিকানা https://www.epassport.gov.bd/

দ্বিতীয় ধাপ: নিজের বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী আবেদন জমা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস নির্বাচন করুন।

তৃতীয় ধাপ: ব্যক্তিগত তথ্য, জন্মতারিখ, পরিচয়পত্রের তথ্য, পেশা, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে অনলাইন ফরম পূরণ করুন।

চতুর্থ ধাপ: পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ এবং ডেলিভারির ধরন নির্বাচন করুন।

পঞ্চম ধাপ: নির্ধারিত পাসপোর্ট ফি অনলাইনে অথবা অনুমোদিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় জমা দিন।

ষষ্ঠ ধাপ: আবেদন সম্পন্ন হলে ফরমের PDF কপি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করুন এবং বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের নির্ধারিত সময়সূচি সংগ্রহ করুন।

সপ্তম ধাপ: নির্ধারিত দিনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পেমেন্টের রসিদ নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হন।

সেখানে আবেদনকারীর ছবি, আঙুলের ছাপ ও প্রয়োজনীয় বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আবেদনটি পরবর্তী যাচাই ও পাসপোর্ট তৈরির পর্যায়ে যাবে।

পাসপোর্টের টাকা কীভাবে জমা দেবেন?

ই-পাসপোর্টের ফি অনলাইন ও অফলাইন—দুইভাবেই পরিশোধ করা যায়।

অনলাইনে A-Challan, DGePay ও ShurjoPay-এর মাধ্যমে পেমেন্ট করা যায়। এ ক্ষেত্রে Visa, MasterCard, American Express, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ অনুমোদিত বিভিন্ন পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করা যায়।

অন্যদিকে, অফলাইনে A-Challan-এর মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ফি জমা দেওয়ার পর পেমেন্টের রসিদ বা চালান সংরক্ষণ করতে হবে। পাসপোর্ট অফিসে প্রয়োজনের সময় এটি দেখাতে হতে পারে।

পাসপোর্ট করতে কি পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে?

ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিষয়টি আবেদনকারীর পরিস্থিতি ও তথ্যের ওপর নির্ভর করতে পারে। বিশেষ শাখার প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, আগে MRP পাসপোর্ট থাকলে এবং সেই পাসপোর্টে দেওয়া তথ্য অপরিবর্তিত রেখে নতুন ই-পাসপোর্টের আবেদন করলে পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয় না।

তবে নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান, লিঙ্গ বা স্থায়ী ঠিকানার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিবর্তন করলে পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হতে পারে। সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ক্ষেত্রে যথাযথ NOC থাকলে সাধারণত পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয় না।

পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা পরিচয় ও ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে NID, জন্মনিবন্ধন, বাবা-মায়ের NID কিংবা ইউটিলিটি বিলের কপি চাইতে পারেন।

পাসপোর্টের আবেদন করার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন

পাসপোর্টের আবেদন করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি হয় ব্যক্তিগত তথ্যের ভুল ও কাগজপত্রের অসংগতির কারণে। তাই আবেদন জমা দেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় যাচাই করে নেওয়া ভালো।

NID বা জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে নাম ও জন্মতারিখ মিলিয়ে নিন।

বাবা-মায়ের নামের বানান সঠিকভাবে লিখুন।

বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা যথাযথভাবে উল্লেখ করুন।

পেশাগত পরিচয় সঠিকভাবে দিন এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সনদ প্রস্তুত রাখুন।

পাসপোর্টের মেয়াদ ও পৃষ্ঠা সংখ্যা ভেবে নির্বাচন করুন।

ফি জমা দেওয়ার আগে ডেলিভারির ধরন নিশ্চিত করুন।

আবেদনপত্র ও পেমেন্টের রসিদ সংরক্ষণ করুন।

পাসপোর্টের আবেদনসংক্রান্ত সর্বশেষ নির্দেশনা, ফি ও আবেদনের অবস্থা জানতে সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টাল ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

সব মিলিয়ে, বাংলাদেশে পাসপোর্ট করতে খরচ শুরু হচ্ছে ৪ হাজার ২৫ টাকা থেকে। আবেদনকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী ৫ বা ১০ বছর মেয়াদ এবং ৪৮ বা ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট নেওয়া যায়। সাধারণ ডেলিভারিতে নির্ধারিত সময় ১৫ কার্যদিবস, জরুরি ডেলিভারিতে ৭ কার্যদিবস। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রেখে সঠিকভাবে অনলাইনে আবেদন করলে পাসপোর্ট পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ হবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. বাংলাদেশে পাসপোর্ট করতে সর্বনিম্ন কত টাকা লাগে?

৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের সাধারণ ডেলিভারি ফি ৪ হাজার ২৫ টাকা। এই ফি ১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ।

২. ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে?

৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের সাধারণ ফি ৫ হাজার ৭৫০ টাকা। জরুরি ডেলিভারিতে ৮ হাজার ৫০ টাকা এবং অতীব জরুরি ডেলিভারিতে ১০ হাজার ৩৫০ টাকা লাগে।

৩. পাসপোর্ট করতে কি জন্মনিবন্ধন লাগে?

বয়স ও পরিচয়পত্রের প্রাপ্যতা অনুযায়ী NID অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধনের ইংরেজি সংস্করণ ব্যবহার করা যায়। ২০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে NID প্রয়োজন।

৪. পাসপোর্ট পেতে কতদিন লাগে?

সাধারণ ডেলিভারিতে ১৫ কার্যদিবস, জরুরি ডেলিভারিতে ৭ কার্যদিবস এবং শর্তসাপেক্ষে অতীব জরুরি ডেলিভারিতে ২ কার্যদিবস সময় নির্ধারিত।

৫. পাসপোর্টের আবেদন কি অনলাইনে করা যায়?

হ্যাঁ। সরকারি ওয়েবসাইট epassport.gov.bd-তে আবেদন ফরম পূরণ, পাসপোর্ট ফি পরিশোধ এবং পরবর্তী এনরোলমেন্টের সময়সূচি সংগ্রহ করা যায়।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত: