প্রবাসী বাংলাদেশিরা সাবধান: ছড়িয়ে পড়েছে ভ য়া ব হ......
চীনের পর এবার মালয়েশিয়ায় হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাস্ক ব্যবহার, বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
২০২০ সালের করোনা মহামারির পর নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীদের ভিড় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে এটি আরও বড় সংকট তৈরি করতে পারে। এরই মধ্যে ভাইরাসটি নিয়ে সতর্কতামূলক বার্তা প্রচার শুরু করেছে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য বিভাগ।
এইচএমপিভি একটি শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাস, যা ২০০১ সালে প্রথম শনাক্ত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) তথ্যানুসারে, এই ভাইরাস ওপরে এবং নিচে—দুই স্তরের শ্বাসযন্ত্রকেই প্রভাবিত করতে পারে।বিশেষত শিশু, বয়স্ক এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের জন্য এটি মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে।
এইচএমপিভি সংক্রমণের উপসর্গগুলো সাধারণত ফ্লু বা অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের মতো। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপসর্গগুলো হলো:
কাশি
জ্বর
নাক বন্ধ হওয়া
শ্বাসকষ্ট
গুরুতর সংক্রমণের ক্ষেত্রে ভাইরাসটি ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়ার মতো জটিলতাও সৃষ্টি করতে পারে। ইনকিউবেশন পিরিয়ড বা উন্মেষপর্ব সাধারণত ৩ থেকে ৬ দিনের মধ্যে হয়। তবে সংক্রমণের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে উপসর্গগুলো কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
এইচএমপিভি অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের মতোই দ্রুত ছড়ায়। প্রধান ছড়ানোর উপায়গুলো হলো:
সংক্রমিত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচি থেকে নিঃসৃত ক্ষুদ্র কণা।
হাত মেলানো বা সংক্রমিত ব্যক্তিকে স্পর্শ করা।
দূষিত স্থান বা বস্তু স্পর্শ করার পর মুখ, নাক বা চোখে হাত দেওয়া।
বিশেষজ্ঞরা ভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য নিম্নলিখিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন:
বাইরে মাস্ক পরা।
নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া।
ভিড় এড়িয়ে চলা এবং সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরে থাকা।
মালয়েশিয়ায় এইচএমপিভি সংক্রমণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে নজরদারির আহ্বান জানানো হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির পর নতুন ভাইরাসগুলো নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকেও এই ভাইরাসের ওপর নজরদারি এবং গবেষণার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ভাইরাসটি নিয়ে আরও সচেতনতা এবং কার্যকর প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ২য় টি-টোয়েন্টি: বন্ধ ম্যাচ কখন শুরু হবে খেলা
- ৯ কোম্পানির কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ: কার লাভ কার লোকসান
- তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করলো একমি পেস্টিসাইডস
- বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- আজ বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ২য় টি-টোয়েন্টি: কখন, কোথায় দেখবেন লাইভ?
- যমুনা ও উত্তরা ব্যাংকসহ ৮ প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ঘোষণা
- স্কয়ার ফার্মা ও খান ব্রাদার্সসহ ৪ কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করলো মালেক স্পিনিং
- বিডিকম ও বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ
- খুলনা পাওয়ার ও তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সসহ ৪ কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও মেঘনা পেট্রোলিয়ামসহ ৪ কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- লাভেলো আইসক্রিম ও কাসেম ইন্ডাস্ট্রিজের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- সায়হাম টেক্সটাইলের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ
- পেনিনসুলা চিটাগং ও এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজসহ ৪ কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- কোহিনূর কেমিক্যাল, স্কয়ার টেক্সটাইলসসহ ৪ কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ