ঢাকা, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

শেয়ারবাজারে টানা দরপতনে দায়ি ৯ শেয়ার, রবির শেয়ারে সর্বোচ্চ ধস

শেয়ারনিউজ ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৫ মার্চ ২৩ ১৯:১৫:০৫
শেয়ারবাজারে টানা দরপতনে দায়ি ৯ শেয়ার, রবির শেয়ারে সর্বোচ্চ ধস

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের শেয়ারবাজার যেন এক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। টানা তিন কর্মদিবস ধরে পতনের স্রোতে ভাসছে বাজার, যার সর্বশেষ প্রতিফলন ঘটেছে রোববার (২৩ মার্চ)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এদিন ৮৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বাড়লেও ২৫৩টি প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়েছে, ফলে প্রধান সূচক কমেছে ১৮.৩৪ পয়েন্ট। বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়ছে, বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।

মেগা কোম্পানির ধস, সূচকের পতন

বিশ্লেষক সংস্থা ‘আমারস্টক’-এর তথ্য বলছে, মাত্র ৯টি মেগা কোম্পানির শেয়ার দরপতনই সূচকের ১৩ পয়েন্টের বেশি কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। এই কোম্পানিগুলো হলো—রবি আজিয়াটা, ব্র্যাক ব্যাংক, সামিট পাওয়ার, পাওয়ারগ্রীড, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি), ওয়ালটন হাইটেক এবং ইউনাইটেড পাওয়ার কোম্পানি।

রবির শেয়ারের ধসেই সবচেয়ে বড় ধাক্কা

বাজারের টালমাটাল অবস্থার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটার শেয়ার দরপতন। কোম্পানিটির শেয়ার মূল্য কমেছে ৪০ পয়সা বা ১.৫৪ শতাংশ, যার ফলে এককভাবে ডিএসইর প্রধান সূচক ৩.২৯ পয়েন্ট কমেছে।

আরও পড়ুন:

শেয়ারবাজারে ১০ কোম্পানির পতন, ‘ফকির’ বিনিয়োগকারীরা

অন্যান্য বড় কোম্পানির অবস্থান

রবির পর সূচক পতনে অন্যতম ভূমিকা রেখেছে ব্র্যাক ব্যাংক, যার দরপতনে সূচক কমেছে ১.৯৫ পয়েন্ট। এছাড়া সামিট পাওয়ার (১.৩৪ পয়েন্ট), পাওয়ারগ্রীড (১.২৯ পয়েন্ট), ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (১.২৩ পয়েন্ট), ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (১.২২ পয়েন্ট), ওয়ালটন হাইটেক (১.০৫ পয়েন্ট) এবং ইউনাইটেড পাওয়ার কোম্পানি (০.৯৩ পয়েন্ট) সূচকের পতনে অবদান রেখেছে।

বাজারের ভবিষ্যৎ কোন পথে?

বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার প্রবণতা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাজারে এই নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বাজারে আস্থাহীনতা তৈরি হলে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিতে চান, ফলে দরপতন আরও তীব্র হয়। তবে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পরিস্থিতি সামলাতে নীতি-নির্ধারকদের কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

দের এখন করণীয় কী? ধৈর্য্য ধরে বাজার পর্যবেক্ষণ করা, বাজার পরিস্থিতির প্রতি সজাগ থাকা এবং সুপরিকল্পিত বিনিয়োগ করা হতে পারে বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত।

রাজিব/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ